ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক ঘণ্টা এগিয়ে ঘড়ি, ফ্রান্সে গ্রীষ্মকালীন সময়ের সূচনা

ফ্রান্সে আজ রাত থেকেই শুরু হচ্ছে গ্রীষ্মকালীন সময় (ডেলাইট সেভিং টাইম)। প্রতি বছরের মতো এবারও মার্চের শেষ রোববার রাতে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়া হবে।

রোববার (২৯ মার্চ) রাত ২টা বাজতেই সময় সরাসরি হয়ে যাবে ৩টা। এর ফলে দিনের আলো এক ঘণ্টা বেশি সময় ধরে উপভোগ করা যাবে।

এই সময় পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্য হলো- প্রাকৃতিক আলোকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা এবং শক্তি সাশ্রয় করা। দিনের আলো দীর্ঘ হওয়ায় সন্ধ্যার পরও মানুষ বাইরে সময় কাটানোর সুযোগ পায়, যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

গ্রীষ্মকালীন সময় শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফ্রান্সের শহরগুলোতে এক নতুন উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। অফিস শেষে মানুষ পার্ক, ক্যাফে, নদীর পাড় কিংবা ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানে ভিড় জমায়। দীর্ঘ দিনের আলো পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর একটি বাড়তি সুযোগ তৈরি করে।

পর্যটন খাতের জন্যও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। সূর্যাস্ত দেরিতে হওয়ায় পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দ্যে বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখতে পারেন। হাঁটাহাঁটি, সাইক্লিং, উন্মুক্ত আকাশের নিচে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান— সবকিছুই এই সময়ে আরও উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

তবে এই পরিবর্তনের কিছু প্রভাবও রয়েছে। হঠাৎ এক ঘণ্টা সময় এগিয়ে যাওয়ায় অনেকের ঘুমের ছন্দে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে কয়েকদিন সময় লাগে নতুন সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে। তবুও অধিকাংশ মানুষ এই পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করে।

সব মিলিয়ে, গ্রীষ্মকালীন সময়ের সূচনা ফ্রান্সে শুধু ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের ঘটনা নয়। এটি এক নতুন জীবনধারার সূচনা, যেখানে দীর্ঘদিনের আলো মানুষকে আরও প্রাণবন্ত, সামাজিক ও সক্রিয় করে তোলে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

এক ঘণ্টা এগিয়ে ঘড়ি, ফ্রান্সে গ্রীষ্মকালীন সময়ের সূচনা

আপডেট সময় : ০২:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

ফ্রান্সে আজ রাত থেকেই শুরু হচ্ছে গ্রীষ্মকালীন সময় (ডেলাইট সেভিং টাইম)। প্রতি বছরের মতো এবারও মার্চের শেষ রোববার রাতে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়া হবে।

রোববার (২৯ মার্চ) রাত ২টা বাজতেই সময় সরাসরি হয়ে যাবে ৩টা। এর ফলে দিনের আলো এক ঘণ্টা বেশি সময় ধরে উপভোগ করা যাবে।

এই সময় পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্য হলো- প্রাকৃতিক আলোকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা এবং শক্তি সাশ্রয় করা। দিনের আলো দীর্ঘ হওয়ায় সন্ধ্যার পরও মানুষ বাইরে সময় কাটানোর সুযোগ পায়, যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

গ্রীষ্মকালীন সময় শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফ্রান্সের শহরগুলোতে এক নতুন উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। অফিস শেষে মানুষ পার্ক, ক্যাফে, নদীর পাড় কিংবা ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানে ভিড় জমায়। দীর্ঘ দিনের আলো পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর একটি বাড়তি সুযোগ তৈরি করে।

পর্যটন খাতের জন্যও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। সূর্যাস্ত দেরিতে হওয়ায় পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দ্যে বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখতে পারেন। হাঁটাহাঁটি, সাইক্লিং, উন্মুক্ত আকাশের নিচে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান— সবকিছুই এই সময়ে আরও উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

তবে এই পরিবর্তনের কিছু প্রভাবও রয়েছে। হঠাৎ এক ঘণ্টা সময় এগিয়ে যাওয়ায় অনেকের ঘুমের ছন্দে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে কয়েকদিন সময় লাগে নতুন সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে। তবুও অধিকাংশ মানুষ এই পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করে।

সব মিলিয়ে, গ্রীষ্মকালীন সময়ের সূচনা ফ্রান্সে শুধু ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের ঘটনা নয়। এটি এক নতুন জীবনধারার সূচনা, যেখানে দীর্ঘদিনের আলো মানুষকে আরও প্রাণবন্ত, সামাজিক ও সক্রিয় করে তোলে।