ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘জনগণের টাকায় বেতন পাওয়া পুলিশের কাজ জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, দমন করা নয়’

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের টাকায় বেতন পাওয়া পুলিশের কাজ জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, দমন করা নয়। যারা পুলিশকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করবে বা অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ও গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

আজ (মঙ্গলবার) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ মন্তব্য করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, ২০০৯-২০২৪ ছিল দীর্ঘ এক দুঃসময়। এ সময়ে কিছু অসৎ ও দলদাস পুলিশ কর্মকর্তা ফ্যাসিবাদী শক্তিকে টিকিয়ে রাখতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিল। এর পরিণতি আমরা ২০২৪-এ দেখেছি; পুলিশ বিরোধী ক্ষোভ এবং পুরো বাহিনীর নৈতিক ভিত্তি ভেঙে পড়ার চিত্র।

অতিউৎসাহী পুলিশ সদস্যদের দমনপীড়নের সমালোচনা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াত আমির লেখেন, গতকাল নিরীহ ছাত্র, সাংবাদিক ও শ্রমজীবী মানুষের ওপর অতিউৎসাহী পুলিশের হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি পুরনো দমন-পীড়নের সংস্কৃতিরই প্রতিধ্বনি। আমি এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় শক্তি নাগরিকের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে না। জনগণের টাকায় বেতন পাওয়া পুলিশের কাজ জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, দমন করা নয়। যারা পুলিশকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করবে বা অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ও গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

তিনি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেখার আকাঙ্ক্ষার কথা উল্লেখ করে বলেন, পুলিশকে হতে হবে জনবান্ধব। আইনের শাসন মানে শক্তির প্রদর্শন নয়, ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা। আমরা একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেখতে চাই।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

‘জনগণের টাকায় বেতন পাওয়া পুলিশের কাজ জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, দমন করা নয়’

আপডেট সময় : ০১:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের টাকায় বেতন পাওয়া পুলিশের কাজ জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, দমন করা নয়। যারা পুলিশকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করবে বা অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ও গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

আজ (মঙ্গলবার) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ মন্তব্য করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, ২০০৯-২০২৪ ছিল দীর্ঘ এক দুঃসময়। এ সময়ে কিছু অসৎ ও দলদাস পুলিশ কর্মকর্তা ফ্যাসিবাদী শক্তিকে টিকিয়ে রাখতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিল। এর পরিণতি আমরা ২০২৪-এ দেখেছি; পুলিশ বিরোধী ক্ষোভ এবং পুরো বাহিনীর নৈতিক ভিত্তি ভেঙে পড়ার চিত্র।

অতিউৎসাহী পুলিশ সদস্যদের দমনপীড়নের সমালোচনা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াত আমির লেখেন, গতকাল নিরীহ ছাত্র, সাংবাদিক ও শ্রমজীবী মানুষের ওপর অতিউৎসাহী পুলিশের হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি পুরনো দমন-পীড়নের সংস্কৃতিরই প্রতিধ্বনি। আমি এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় শক্তি নাগরিকের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে না। জনগণের টাকায় বেতন পাওয়া পুলিশের কাজ জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, দমন করা নয়। যারা পুলিশকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করবে বা অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ও গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

তিনি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেখার আকাঙ্ক্ষার কথা উল্লেখ করে বলেন, পুলিশকে হতে হবে জনবান্ধব। আইনের শাসন মানে শক্তির প্রদর্শন নয়, ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা। আমরা একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেখতে চাই।