ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে নদী ভাঙন রোধে মানববন্ধন

মেঘনা নদীর আগ্রাসি ভাঙনে বিলিন হচ্ছে নোয়াখালীর সুবর্নচর উপজেলার চরক্লার্ক ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন। গত কয়েক বছরেও ভাঙনরোধে কার্যকরি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় প্রতিদিনই বাড়ছে ভাঙন। দ্রুত এ ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ও ব্লকবাঁধ নির্মাণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

রোববার দুপুরে চরক্লার্ক ইউনিয়নের মেঘনা নদীর পাড় সংলগ্ন সৈয়দপুর গ্রামের চরবায়েজিদ এলাকায় এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। কর্মসূচীতে কয়েক হাজার স্থানীয় লোকজন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, প্রায় গত ১৫ বছর ধরে মেঘনা নদীর ভাঙন শুরু হয় চরক্লার্কের ৯নং ওয়ার্ড এবং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে। যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। গত কয়েক বছরে এ দু’টি ওয়ার্ডের প্রায় বেশির অংশ মেঘনায় বিলিন হয়েছে। ভাঙনে বিলিন হয়েছে ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬টি মাদ্রাসা, মসজিদ ১০টা, বাজার ৪টি’সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এছাড়াও বেলিন হয়েছে একটি সুইজগেইট, হাজার হাজার বসত বাড়ি, কয়েক হাজার একর কৃষি জমি ও মাছের ঘের। কিন্তু গত ১৫ বছরে এ ভাঙন রোধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এ ভাঙন প্রতিদিনই বাড়ছে।

স্থানীয়দের দাবি দ্রুত সময়ের মধ্যে এ ভাঙন রোধে কর্তৃপক্ষ যেনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। না হলে চরক্লার্ক ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন দুটি যে কোনো মুহুর্ত্বে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের মামলায় নিজেই লড়তে চান শামসুল হক টুকু

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে নদী ভাঙন রোধে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১২:৩৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৪

মেঘনা নদীর আগ্রাসি ভাঙনে বিলিন হচ্ছে নোয়াখালীর সুবর্নচর উপজেলার চরক্লার্ক ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন। গত কয়েক বছরেও ভাঙনরোধে কার্যকরি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় প্রতিদিনই বাড়ছে ভাঙন। দ্রুত এ ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ও ব্লকবাঁধ নির্মাণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

রোববার দুপুরে চরক্লার্ক ইউনিয়নের মেঘনা নদীর পাড় সংলগ্ন সৈয়দপুর গ্রামের চরবায়েজিদ এলাকায় এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। কর্মসূচীতে কয়েক হাজার স্থানীয় লোকজন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, প্রায় গত ১৫ বছর ধরে মেঘনা নদীর ভাঙন শুরু হয় চরক্লার্কের ৯নং ওয়ার্ড এবং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে। যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। গত কয়েক বছরে এ দু’টি ওয়ার্ডের প্রায় বেশির অংশ মেঘনায় বিলিন হয়েছে। ভাঙনে বিলিন হয়েছে ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬টি মাদ্রাসা, মসজিদ ১০টা, বাজার ৪টি’সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এছাড়াও বেলিন হয়েছে একটি সুইজগেইট, হাজার হাজার বসত বাড়ি, কয়েক হাজার একর কৃষি জমি ও মাছের ঘের। কিন্তু গত ১৫ বছরে এ ভাঙন রোধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এ ভাঙন প্রতিদিনই বাড়ছে।

স্থানীয়দের দাবি দ্রুত সময়ের মধ্যে এ ভাঙন রোধে কর্তৃপক্ষ যেনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। না হলে চরক্লার্ক ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন দুটি যে কোনো মুহুর্ত্বে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে।