ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে : এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৩৪ বার পড়া হয়েছে

মাথার ওপর ঝুলছিল ফাঁসির দড়ি। কিন্তু গণ-অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে পাল্টে গেছে দৃশ্যপট। দীর্ঘ কারাবাস শেষে মুক্তি পেয়ে জনগণের রায়ে সরাসরি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিন আলোচিত রাজনৈতিক নেতা। তারা হলেন— বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু এবং জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম।

লুৎফুজ্জামান বাবর (নেত্রকোনা-৪)

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ২০০৭ সালে গ্রেপ্তার হন। এরপর দীর্ঘ ১৮ বছর কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি ছিলেন তিনি। ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আইনি প্রক্রিয়ায় সব মামলা থেকে খালাস পান। গত বছর ১৬ জানুয়ারি তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান এবং নিজ নির্বাচনী এলাকা নেত্রকোনায় ফিরে যান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ে তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন।

আবদুস সালাম পিন্টু (টাঙ্গাইল-২)

বিএনপি নেতা ও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন। দীর্ঘ ১৭ বছর কারাজীবনের পর ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর তিনি মুক্তি পান। নিজ জন্মভূমি টাঙ্গাইলের গোপালপুর-ভূঞাপুর আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি প্রায় ২ লাখ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়ে সংসদে ফিরছেন।

এ টি এম আজহারুল ইসলাম (রংপুর-২)

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামও বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসন থেকে তিনি বিজয়ী হন। ২০১২ সাল থেকে কারাবন্দি থাকার পর গত বছর ২৮ মে তিনি মুক্তি পান। যেখানে ফাঁসির কাষ্ঠে যাওয়ার শঙ্কা ছিল, সেখানে জনরায়ের মাধ্যমে তিনি এখন সংসদ সদস্য হিসেবে আইনসভায় যোগ দিচ্ছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের মামলায় নিজেই লড়তে চান শামসুল হক টুকু

ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে : এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়

আপডেট সময় : ১২:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাথার ওপর ঝুলছিল ফাঁসির দড়ি। কিন্তু গণ-অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে পাল্টে গেছে দৃশ্যপট। দীর্ঘ কারাবাস শেষে মুক্তি পেয়ে জনগণের রায়ে সরাসরি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিন আলোচিত রাজনৈতিক নেতা। তারা হলেন— বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু এবং জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম।

লুৎফুজ্জামান বাবর (নেত্রকোনা-৪)

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ২০০৭ সালে গ্রেপ্তার হন। এরপর দীর্ঘ ১৮ বছর কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি ছিলেন তিনি। ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আইনি প্রক্রিয়ায় সব মামলা থেকে খালাস পান। গত বছর ১৬ জানুয়ারি তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান এবং নিজ নির্বাচনী এলাকা নেত্রকোনায় ফিরে যান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ে তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন।

আবদুস সালাম পিন্টু (টাঙ্গাইল-২)

বিএনপি নেতা ও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন। দীর্ঘ ১৭ বছর কারাজীবনের পর ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর তিনি মুক্তি পান। নিজ জন্মভূমি টাঙ্গাইলের গোপালপুর-ভূঞাপুর আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি প্রায় ২ লাখ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়ে সংসদে ফিরছেন।

এ টি এম আজহারুল ইসলাম (রংপুর-২)

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামও বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসন থেকে তিনি বিজয়ী হন। ২০১২ সাল থেকে কারাবন্দি থাকার পর গত বছর ২৮ মে তিনি মুক্তি পান। যেখানে ফাঁসির কাষ্ঠে যাওয়ার শঙ্কা ছিল, সেখানে জনরায়ের মাধ্যমে তিনি এখন সংসদ সদস্য হিসেবে আইনসভায় যোগ দিচ্ছেন।