ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন, জানালো ইসি।

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:১০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন কে, এ নিয়ে আলোচনা চলছিল কদিন ধরে। সংসদ সচিবালয়-ও এর জন্য উপযুক্ত ব্যক্তির খোঁজে নেমেছে বলে খবর প্রকাশিত হয়।

সংবিধান অনুযায়ী, আগের সংসদের স্পিকারের এই শপথ পাঠ করানোর কথা। কিন্তু চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর ওই বছরের ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেন। বিগত সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু এখন কারাগারে আছেন। তিনি এখনো পদত্যাগ করেননি।

সংবিধানের ৭৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নতুন স্পিকার কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত আগের সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার নিজ পদে বহাল আছেন বলে গণ্য হবেন।

এই অবস্থায়ই শপথ পড়ানো নিয়ে প্রশ্ন যেমন আছে, তেমিন সংসদ সচিবালয়ের উপযুক্ত ব্যক্তি খোঁজার উদ্যোগও আইনি প্রশ্নের জন্ম দেয়।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন অবস্থান পরিষ্কার করলো। ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জানালেন, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার না থাকায় সংবিধান অনুযায়ী নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতে পারবেন সিইসি।

এদিকে, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৮(১) ও ১৪৮(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সাধারণত স্পিকার বা স্পিকারের মনোনীত ব্যক্তি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সুযোগ না থাকায় কার্যকর হচ্ছে সংবিধানের ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদ।

এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের পর তিন দিনের মধ্যে স্পিকার বা তার মনোনীত কেউ শপথ পাঠ না করালে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেই এমপিদের শপথ পড়াতে পারবেন।

এছাড়া, সংবিধানের তফসিল-৩ অনুযায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার উভয়েই দায়িত্বে না থাকলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন, জানালো ইসি।

আপডেট সময় : ০৬:১০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন কে, এ নিয়ে আলোচনা চলছিল কদিন ধরে। সংসদ সচিবালয়-ও এর জন্য উপযুক্ত ব্যক্তির খোঁজে নেমেছে বলে খবর প্রকাশিত হয়।

সংবিধান অনুযায়ী, আগের সংসদের স্পিকারের এই শপথ পাঠ করানোর কথা। কিন্তু চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর ওই বছরের ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেন। বিগত সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু এখন কারাগারে আছেন। তিনি এখনো পদত্যাগ করেননি।

সংবিধানের ৭৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নতুন স্পিকার কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত আগের সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার নিজ পদে বহাল আছেন বলে গণ্য হবেন।

এই অবস্থায়ই শপথ পড়ানো নিয়ে প্রশ্ন যেমন আছে, তেমিন সংসদ সচিবালয়ের উপযুক্ত ব্যক্তি খোঁজার উদ্যোগও আইনি প্রশ্নের জন্ম দেয়।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন অবস্থান পরিষ্কার করলো। ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জানালেন, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার না থাকায় সংবিধান অনুযায়ী নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতে পারবেন সিইসি।

এদিকে, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৮(১) ও ১৪৮(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সাধারণত স্পিকার বা স্পিকারের মনোনীত ব্যক্তি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সুযোগ না থাকায় কার্যকর হচ্ছে সংবিধানের ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদ।

এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের পর তিন দিনের মধ্যে স্পিকার বা তার মনোনীত কেউ শপথ পাঠ না করালে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেই এমপিদের শপথ পড়াতে পারবেন।

এছাড়া, সংবিধানের তফসিল-৩ অনুযায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার উভয়েই দায়িত্বে না থাকলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারেন।