ঢাকা ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

নোয়াখালীতে সংঘর্ষে নিহত ৫: জানা গেল সর্বশেষ অবস্থা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর উপকূলীয় দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় জেগে উঠা নতুন জাগলার চরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সময় গুলিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৮/১০ জন। এখনো নিখোঁজ রয়েছে ১ জন। নিহতরা হলেন, উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের চর আমান উল্যাহ গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে মো. আলাউদ্দিন, জাহাজমারা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের চাদু মাঝির ছেলে মো. সামছু, তার ছেলে সিহাব এবং একই এলাকার কাশেম ও আলাউদ্দিন মাঝি। 

এদিকে একটি পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান, হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম। এই গোলাগুলি ও হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করছেন নিহত আলাউদ্দিন পরিবার সহ অন্যান্য নিহত পরিবারের সদস্যরা।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সীমান্তবর্তী জাগলার চরে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, নতুন জেগে উঠা জাগলার চরের জমি সরকার এখন পর্যন্ত কাউকে বন্দোবস্ত দেয়নি। এ সুযোগে ৫ আগস্টের পর জাহাজমারা ইউনিয়নের কোপা সামছু বাহিনী জাগলার চরের বেশ কিছু জমি বিক্রি করে। কিছু দিন পর পাশ্ববর্তী সুখচর ইউনিয়নের আলাউদ্দিন বাহিনী জাগলার চরের জমির দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠে। এ নিয়ে গত দুমাস ধরে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ চলে আসছে। এতে কোপা সামছু গ্রুপ চরের দক্ষিণ পাশে চরকিং ইউনিয়নের সীমানায় আর উত্তর পাশে সূখচর ইউনিয়ন সীমানায় অবস্থান নেয় আলাউদ্দিন গ্রুপ।

একপর্যায়ে দুটি গ্রুপ আলাদাভাবে চরের জমি বিক্রি শুরু করে। ইতিমধ্যে অনেক লোক তাদের কাছ থেকে জমি ক্রয় করে চাষের পক্রিয়া শুরু করে। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে চরের জমি দখলকে কেন্দ্র করে কোপা সামছু ও আলাউদ্দিন গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে বন্দুক যুদ্ধে লিপ্ত হয়। ঐ চরে ভূমিহীনদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, মামলার প্রস্তুতি চলছে। একটি মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। চারটি মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের সবাইকে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেলা সদর হসপিটালে পাঠানো হবে। এই ঘটনায় পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নোয়াখালীতে সংঘর্ষে নিহত ৫: জানা গেল সর্বশেষ অবস্থা

আপডেট সময় : ০৬:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

নোয়াখালীর উপকূলীয় দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় জেগে উঠা নতুন জাগলার চরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সময় গুলিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৮/১০ জন। এখনো নিখোঁজ রয়েছে ১ জন। নিহতরা হলেন, উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের চর আমান উল্যাহ গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে মো. আলাউদ্দিন, জাহাজমারা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের চাদু মাঝির ছেলে মো. সামছু, তার ছেলে সিহাব এবং একই এলাকার কাশেম ও আলাউদ্দিন মাঝি। 

এদিকে একটি পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান, হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম। এই গোলাগুলি ও হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করছেন নিহত আলাউদ্দিন পরিবার সহ অন্যান্য নিহত পরিবারের সদস্যরা।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সীমান্তবর্তী জাগলার চরে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, নতুন জেগে উঠা জাগলার চরের জমি সরকার এখন পর্যন্ত কাউকে বন্দোবস্ত দেয়নি। এ সুযোগে ৫ আগস্টের পর জাহাজমারা ইউনিয়নের কোপা সামছু বাহিনী জাগলার চরের বেশ কিছু জমি বিক্রি করে। কিছু দিন পর পাশ্ববর্তী সুখচর ইউনিয়নের আলাউদ্দিন বাহিনী জাগলার চরের জমির দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠে। এ নিয়ে গত দুমাস ধরে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ চলে আসছে। এতে কোপা সামছু গ্রুপ চরের দক্ষিণ পাশে চরকিং ইউনিয়নের সীমানায় আর উত্তর পাশে সূখচর ইউনিয়ন সীমানায় অবস্থান নেয় আলাউদ্দিন গ্রুপ।

একপর্যায়ে দুটি গ্রুপ আলাদাভাবে চরের জমি বিক্রি শুরু করে। ইতিমধ্যে অনেক লোক তাদের কাছ থেকে জমি ক্রয় করে চাষের পক্রিয়া শুরু করে। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে চরের জমি দখলকে কেন্দ্র করে কোপা সামছু ও আলাউদ্দিন গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে বন্দুক যুদ্ধে লিপ্ত হয়। ঐ চরে ভূমিহীনদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, মামলার প্রস্তুতি চলছে। একটি মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। চারটি মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের সবাইকে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেলা সদর হসপিটালে পাঠানো হবে। এই ঘটনায় পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।