ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে তীব্র উত্তেজনা

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বড় ধরনের বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) ও বজরং দলের ডাকে বিক্ষোভ শুরু হয়।

নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে হাইকমিশনের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করা বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী তৎপর রয়েছে। বিক্ষোভ শুরু হয় ময়মনসিংহের দিপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যা এবং বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে। বিক্ষোভকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দেন। হাইকমিশনের চারপাশে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে, যেখানে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

এর আগে ২০ ডিসেম্বর রাতে হাইকমিশনের সামনে একটি ছোট বিক্ষোভ ঘটেছিল। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, সেদিন ২০–২৫ জন বিক্ষোভকারী উপস্থিত ছিলেন এবং তারা কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেনি। তবে বাংলাদেশ এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে, কূটনৈতিক এলাকায় সুরক্ষার ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ‘নয়াদিল্লির হাইকমিশন অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সুরক্ষিত এলাকা, তাই অনুমতি ছাড়া সেখানে বিক্ষোভ স্বাভাবিক নয়। কীভাবে উগ্র সংগঠনের সদস্যরা হাইকমিশনের কাছাকাছি আসতে সক্ষম হলো।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে তীব্র উত্তেজনা

আপডেট সময় : ০৮:১৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বড় ধরনের বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) ও বজরং দলের ডাকে বিক্ষোভ শুরু হয়।

নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে হাইকমিশনের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করা বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী তৎপর রয়েছে। বিক্ষোভ শুরু হয় ময়মনসিংহের দিপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যা এবং বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে। বিক্ষোভকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দেন। হাইকমিশনের চারপাশে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে, যেখানে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

এর আগে ২০ ডিসেম্বর রাতে হাইকমিশনের সামনে একটি ছোট বিক্ষোভ ঘটেছিল। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, সেদিন ২০–২৫ জন বিক্ষোভকারী উপস্থিত ছিলেন এবং তারা কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেনি। তবে বাংলাদেশ এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে, কূটনৈতিক এলাকায় সুরক্ষার ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ‘নয়াদিল্লির হাইকমিশন অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সুরক্ষিত এলাকা, তাই অনুমতি ছাড়া সেখানে বিক্ষোভ স্বাভাবিক নয়। কীভাবে উগ্র সংগঠনের সদস্যরা হাইকমিশনের কাছাকাছি আসতে সক্ষম হলো।’