ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যরাতে ৬.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান

দুই মাসের ব্যবধানে ফের শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান। উত্তর আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ অঞ্চলে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার এই ভূমিকম্প আঘাত হানে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রোববার গভীর রাত ১২টা ৫৯ মিনিটে মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছাকাছি খোলম এলাকায় এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

সংস্থাটি জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রের গভীরতা ছিল ২৮ কিলোমিটার (১৭ মাইল)। প্রাথমিকভাবে গভীরতা ১০ কিলোমিটার (৬ মাইল) বলে ধারণা করা হয়েছিল। রাজধানী কাবুলেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। বাড়িঘর ধসে পড়ার শঙ্কায় মাজার-ই-শরিফে অনেক মানুষ গভীর রাতে আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।

২০২৩ সালে পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত প্রদেশে ভয়াবহ এক ভূমিকম্পে দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন, ধসে পড়ে ৬৩ হাজারেরও বেশি ঘরবাড়ি।

চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পূর্বাঞ্চলে ৬ দশমিক ০ মাত্রার এক ভূমিকম্পে প্রাণ হারান ২ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ, যা সাম্প্রতিক আফগান ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্প।

আফগানিস্তান হিন্দুকুশ পর্বতমালার এমন এলাকায় অবস্থিত, যেখানে ইউরেশীয় ও ভারতীয় টেকটোনিক প্লেট মিলিত হয়েছে। ফলে দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে।

দীর্ঘ যুদ্ধ, দারিদ্র্য, খরা এবং পাকিস্তান ও ইরান থেকে জোরপূর্বক ফেরত আসা লাখো শরণার্থীর চাপে আফগানিস্তান এখন বহুমুখী সংকটে জর্জরিত। তাছাড়া দেশটির অনেক ঘরবাড়ি দুর্বল কাঠামোয় নির্মিত হওয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় উদ্ধারকাজও বাধাগ্রস্ত হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

মধ্যরাতে ৬.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান

আপডেট সময় : ০২:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

দুই মাসের ব্যবধানে ফের শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান। উত্তর আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ অঞ্চলে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার এই ভূমিকম্প আঘাত হানে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রোববার গভীর রাত ১২টা ৫৯ মিনিটে মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছাকাছি খোলম এলাকায় এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

সংস্থাটি জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রের গভীরতা ছিল ২৮ কিলোমিটার (১৭ মাইল)। প্রাথমিকভাবে গভীরতা ১০ কিলোমিটার (৬ মাইল) বলে ধারণা করা হয়েছিল। রাজধানী কাবুলেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। বাড়িঘর ধসে পড়ার শঙ্কায় মাজার-ই-শরিফে অনেক মানুষ গভীর রাতে আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।

২০২৩ সালে পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত প্রদেশে ভয়াবহ এক ভূমিকম্পে দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন, ধসে পড়ে ৬৩ হাজারেরও বেশি ঘরবাড়ি।

চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পূর্বাঞ্চলে ৬ দশমিক ০ মাত্রার এক ভূমিকম্পে প্রাণ হারান ২ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ, যা সাম্প্রতিক আফগান ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্প।

আফগানিস্তান হিন্দুকুশ পর্বতমালার এমন এলাকায় অবস্থিত, যেখানে ইউরেশীয় ও ভারতীয় টেকটোনিক প্লেট মিলিত হয়েছে। ফলে দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে।

দীর্ঘ যুদ্ধ, দারিদ্র্য, খরা এবং পাকিস্তান ও ইরান থেকে জোরপূর্বক ফেরত আসা লাখো শরণার্থীর চাপে আফগানিস্তান এখন বহুমুখী সংকটে জর্জরিত। তাছাড়া দেশটির অনেক ঘরবাড়ি দুর্বল কাঠামোয় নির্মিত হওয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় উদ্ধারকাজও বাধাগ্রস্ত হয়।