ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ভারত-কানাডার পাল্টাপাল্টি কূটনীতিক বহিষ্কার

খালিস্তানপন্থী স্বাধীনতাকামী শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে ভারত ও কানাডার মধ্যে সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটছে। কানাডায় নিযুক্ত ভারতীয় কূটনীতিকদের সোমবার দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় ভারতীয় হাইকমিশনার সঞ্জয় ভার্মাও রয়েছেন। একই সঙ্গে কানাডার ছয়জন কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে ভারত।

অন্যদিকে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো রাজধানী অটোয়ায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেছেন, তার সরকার কানাডা থেকে ছয়জন ভারতীয় কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে। হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সহযোগিতা না করার জন্য ভারত সরকারকে দায়ী করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে ভারতের উদ্দেশ্যে কড়া সুরে বার্তা দিয়েছেন তিনি।

সেই বার্তায় ভারতকে ওই হত্যা মামলার তদন্তে যোগ দেওয়ার অনুরোধ জানানোর পাশাপাশি ‘বিভ্রান্তিকর’ বক্তব্য বন্ধ করার কথা বলেছেন ট্রুডো। তিনি দাবি করেছেন, কানাডার মাটিতে ঘটা সহিংসতামূলক কর্মকাণ্ডে ভারত সরকারের এজেন্টদের জড়িত থাকার যে অভিযোগ রয়েছে, তার তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকার করেছে দিল্লি।

তিনি বলেছেন, ‘‘কানাডার মাটিতে কানাডিয়ানদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে—এই ভাবনা থেকেই ভারত একটা মৌলিক ভুল করেছে।’’

ভারতের বিরুদ্ধে কানাডার পুলিশ রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের (আরসিএমপি) প্রধান মাইক ডুহমের তোলা অভিযোগের পরই সাংবাদিক সম্মেলন করেন জাস্টিন ট্রুডো। আরসিএমপি প্রধান মাইক ডুহমে সোমবার অভিযোগ করেন, কানাডায় হত্যাসহ ‘বড় সহিংসতার’ ঘটনায় ভারতের ভূমিকা রয়েছে; যা সে দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর ঝুঁকির সামিল।

গত বছর কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো অভিযোগ করে বলেছিলেন, শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরের হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় এজেন্টদের জড়িত থাকার প্রমাণ আছে তাদের কাছে। ভারত এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এরপর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে। কিন্তু সোমবার ভারতের বিরুদ্ধে ব্যাপক অপরাধমূলক অভিযান চালানোর অভিযোগ তুলেছে কানাডা।

ভারতের সঙ্গে একটি ‘ডিপ্লোম্যাটিক কমিউনিকেশন’ মারফৎ কানাডায় ভারতীয় হাই কমিশনার সঞ্জয় কুমার ভার্মা এবং অন্যান্য কূটনীতিকদের বিরুদ্ধে ওই হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারত-কানাডার পাল্টাপাল্টি কূটনীতিক বহিষ্কার

আপডেট সময় : ০৪:১৬:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪

খালিস্তানপন্থী স্বাধীনতাকামী শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে ভারত ও কানাডার মধ্যে সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটছে। কানাডায় নিযুক্ত ভারতীয় কূটনীতিকদের সোমবার দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় ভারতীয় হাইকমিশনার সঞ্জয় ভার্মাও রয়েছেন। একই সঙ্গে কানাডার ছয়জন কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে ভারত।

অন্যদিকে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো রাজধানী অটোয়ায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেছেন, তার সরকার কানাডা থেকে ছয়জন ভারতীয় কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে। হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সহযোগিতা না করার জন্য ভারত সরকারকে দায়ী করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে ভারতের উদ্দেশ্যে কড়া সুরে বার্তা দিয়েছেন তিনি।

সেই বার্তায় ভারতকে ওই হত্যা মামলার তদন্তে যোগ দেওয়ার অনুরোধ জানানোর পাশাপাশি ‘বিভ্রান্তিকর’ বক্তব্য বন্ধ করার কথা বলেছেন ট্রুডো। তিনি দাবি করেছেন, কানাডার মাটিতে ঘটা সহিংসতামূলক কর্মকাণ্ডে ভারত সরকারের এজেন্টদের জড়িত থাকার যে অভিযোগ রয়েছে, তার তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকার করেছে দিল্লি।

তিনি বলেছেন, ‘‘কানাডার মাটিতে কানাডিয়ানদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে—এই ভাবনা থেকেই ভারত একটা মৌলিক ভুল করেছে।’’

ভারতের বিরুদ্ধে কানাডার পুলিশ রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের (আরসিএমপি) প্রধান মাইক ডুহমের তোলা অভিযোগের পরই সাংবাদিক সম্মেলন করেন জাস্টিন ট্রুডো। আরসিএমপি প্রধান মাইক ডুহমে সোমবার অভিযোগ করেন, কানাডায় হত্যাসহ ‘বড় সহিংসতার’ ঘটনায় ভারতের ভূমিকা রয়েছে; যা সে দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর ঝুঁকির সামিল।

গত বছর কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো অভিযোগ করে বলেছিলেন, শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরের হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় এজেন্টদের জড়িত থাকার প্রমাণ আছে তাদের কাছে। ভারত এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এরপর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে। কিন্তু সোমবার ভারতের বিরুদ্ধে ব্যাপক অপরাধমূলক অভিযান চালানোর অভিযোগ তুলেছে কানাডা।

ভারতের সঙ্গে একটি ‘ডিপ্লোম্যাটিক কমিউনিকেশন’ মারফৎ কানাডায় ভারতীয় হাই কমিশনার সঞ্জয় কুমার ভার্মা এবং অন্যান্য কূটনীতিকদের বিরুদ্ধে ওই হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ তোলা হয়েছে।