ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫৬৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের সঙ্গে থাকা ১২ আসামির জামিন।

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৫২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের (এমডিএফ) ৫৬৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গুলশান থানার মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে পর জামিন পেলেন ১২ আসামি।

আসামিরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণিজ্য উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বাধীন ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে অপারেটর্সদের সংগঠন আইজিডব্লিউ অপারেটরস ফোরামের (আইওএফ) নির্বাহী কমিটির সদস্য। তবে এই জামিনে সংক্ষুব্ধ হয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এ মামলায় সালমান এফ রহমান ও তার ছেলে আহমেদ সোহেল ফসিহুর রহমান এবং সায়ান এফ রহমানসহ ২৭ জন এজাহারনামীয় আসামি।

জামিন পাওয়া আসামিরা হলেন- আইজিডব্লিউ অপারেটরস ফোরাম (আইওএফ) নির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ মঈনুল হক, (অব.) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আব্দুল হান্নান, আশিক আহমেদ, গাজী মো. সালাহউদ্দিন, হাফিজুর রহমান, খালিদ ইসলাম, মো. মাহতাবুল আমিন, সোহেল শরীফ, তাজিন আলম, নাদির শাহ কোরেশী, মীর নাসির হোসেন ও সিসিও মুসফিক মনজুর।

এদিন বেলা আড়াইটার দিকে আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর তাদের পক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মহসিন মিয়া জামিন চেয়ে আবেদন করেন। এসময় রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে বিটিআরসির পক্ষে সংস্থাটি সিনিয়র সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর গুলশান থানায় এ মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আইজিডব্লিউ অপারেটরস ফোরাম (আইওএফ) গঠনের পর প্রতিষ্ঠানগুলো লাইসেন্স এবং চুক্তির শর্ত ও বিশ্বাস ভঙ্গ করাসহ প্রতারণামূলকভাবে অর্থ আত্মসাত করে। নেটওয়ার্ক উন্নয়নে আদায় করা মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের টাকা আত্মসাতে জড়িত ছিল আইওএফ কার্যনির্বাহী কমিটির এসব সদস্য। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আন্তর্জাতিক কল পরিচালনায় নিয়োজিত আন্তর্জাতিক গেটওয়ে খাত কুক্ষিগত করেন সালমান এফ রহমান। তার প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে গড়ে ওঠে আইওএফ নামের এ সিন্ডিকেট।

এতে আরও বলা হয়, সালমান এফ রহমানের নির্দেশনায় প্রতি মাসে আইজিডব্লিউ অপারেটরদের বিপুল অঙ্কের অর্থ জমা দিতে হতো তার মালিকানাধীন বেক্সিমকো কম্পিউটার্স লিমিটেডে। অথচ এ প্রতিষ্ঠানটির নামে আইজিডব্লিউ পরিচালনার কোনো লাইসেন্স নেই। মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের নামে অর্থ সংগ্রহ করা হলেও এর প্রকৃত ব্যবহার সম্পর্কে অবগত নন খোদ আইজিডব্লিউ অপারেটররাই।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

৫৬৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের সঙ্গে থাকা ১২ আসামির জামিন।

আপডেট সময় : ০৬:১৭:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের (এমডিএফ) ৫৬৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গুলশান থানার মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে পর জামিন পেলেন ১২ আসামি।

আসামিরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণিজ্য উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বাধীন ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে অপারেটর্সদের সংগঠন আইজিডব্লিউ অপারেটরস ফোরামের (আইওএফ) নির্বাহী কমিটির সদস্য। তবে এই জামিনে সংক্ষুব্ধ হয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এ মামলায় সালমান এফ রহমান ও তার ছেলে আহমেদ সোহেল ফসিহুর রহমান এবং সায়ান এফ রহমানসহ ২৭ জন এজাহারনামীয় আসামি।

জামিন পাওয়া আসামিরা হলেন- আইজিডব্লিউ অপারেটরস ফোরাম (আইওএফ) নির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ মঈনুল হক, (অব.) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আব্দুল হান্নান, আশিক আহমেদ, গাজী মো. সালাহউদ্দিন, হাফিজুর রহমান, খালিদ ইসলাম, মো. মাহতাবুল আমিন, সোহেল শরীফ, তাজিন আলম, নাদির শাহ কোরেশী, মীর নাসির হোসেন ও সিসিও মুসফিক মনজুর।

এদিন বেলা আড়াইটার দিকে আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর তাদের পক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মহসিন মিয়া জামিন চেয়ে আবেদন করেন। এসময় রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে বিটিআরসির পক্ষে সংস্থাটি সিনিয়র সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর গুলশান থানায় এ মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আইজিডব্লিউ অপারেটরস ফোরাম (আইওএফ) গঠনের পর প্রতিষ্ঠানগুলো লাইসেন্স এবং চুক্তির শর্ত ও বিশ্বাস ভঙ্গ করাসহ প্রতারণামূলকভাবে অর্থ আত্মসাত করে। নেটওয়ার্ক উন্নয়নে আদায় করা মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের টাকা আত্মসাতে জড়িত ছিল আইওএফ কার্যনির্বাহী কমিটির এসব সদস্য। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আন্তর্জাতিক কল পরিচালনায় নিয়োজিত আন্তর্জাতিক গেটওয়ে খাত কুক্ষিগত করেন সালমান এফ রহমান। তার প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে গড়ে ওঠে আইওএফ নামের এ সিন্ডিকেট।

এতে আরও বলা হয়, সালমান এফ রহমানের নির্দেশনায় প্রতি মাসে আইজিডব্লিউ অপারেটরদের বিপুল অঙ্কের অর্থ জমা দিতে হতো তার মালিকানাধীন বেক্সিমকো কম্পিউটার্স লিমিটেডে। অথচ এ প্রতিষ্ঠানটির নামে আইজিডব্লিউ পরিচালনার কোনো লাইসেন্স নেই। মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের নামে অর্থ সংগ্রহ করা হলেও এর প্রকৃত ব্যবহার সম্পর্কে অবগত নন খোদ আইজিডব্লিউ অপারেটররাই।