কুমিল্লায় অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে হাত বেঁধে মারধরের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগী ওই নারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য বজলুর রহমানের বিরুদ্ধে। পরে ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে স্থানীয় সালিশে ওই নারীকে অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৪ নম্বর শ্রীপুর ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগে গত ১৭ অক্টোবর রাতে নির্যাতনের শিকার প্রবাসী রতনের স্ত্রী ও পার্শ্ববর্তী তারা পুষ্করুণী গ্রামের বাসিন্দা অভিযুক্ত বিল্লাল মিয়াকে স্থানীয়রা আটক করে। পরে ওই নারীকে বেত দিয়ে মারধর করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য বজলুর রহমান। এরপর তার নেতৃত্বে সালিশ বসে, যেখানে ওই নারীকে অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয়।
তবে বিল্লাল আগে থেকেই বিবাহিত। তার সংসারে স্ত্রী ও চারটি মেয়ে রয়েছে। এ ছাড়াও নির্যাতনের শিকার প্রবাসীর স্ত্রী দুই সন্তানের জননী।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে আটক হওয়া ওই ব্যক্তি পাশেই বসে ছিলেন। ইউপি সদস্য ওই নারীকে হাত বাঁধা অবস্থায় বেত দিয়ে মারধর করছেন। একপর্যায়ে চুল ধরে টানাহেঁচড়াও করতে দেখা যায়। একইসঙ্গে তিনি গালমন্দও করছিলেন। আর নির্যাতনের শিকার নারী তখন কান্নাকাটি করছিলেন।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রবাসীর স্ত্রীকে নির্যাতনের ভিডিওটি নজরে এসেছে। অভিযুক্ত ইউপি সদস্যকে খোঁজা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। শুনেছি, দুইজনকে বিয়ে দেয়ার মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়েছে।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 





































