ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সজীব বর্মন (৩৫) নামে এক ভুয়া চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার পর হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা তাকে আটক করেন।
লিটন চক্রবর্তী নামের এক ব্যক্তি জানান, তাঁর শ্বশুর অরুণ চক্রবর্তী অসুস্থ হয়ে দুপুরে ঢাকা মেডিকেলের নিউরোসার্জারি বিভাগের ২০০ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হন। সেখানে সজীব বর্মন নামে এক ব্যক্তি নিজেকে হাসপাতালের চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগীর ব্যবস্থাপত্রে একটি ইনজেকশনের নাম লিখে দেন এবং প্রথমে ১০০ টাকা দাবি করেন।
পরে ইনজেকশন দেওয়ার জন্য আরও ৫০০ টাকা এবং রোগীর মোবাইল ফোন চেয়ে বলেন, ‘ছবি তুলে বড় ডাক্তারকে দেখাতে হবে।’ এ ঘটনায় সন্দেহ হলে আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সজীব বর্মন নিজেই স্বীকার করেন যে তিনি চিকিৎসক নন এবং ভুল করেছেন বলে ক্ষমা চান।
লিটন চক্রবর্তী আরও বলেন, ‘যদি ওই ইনজেকশনটি আমার শ্বশুরের শরীরে দেওয়া হতো, তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।’
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিরাপত্তা টিমের প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. সেলিম মিয়া বলেন, ‘আমাদের আনসার সদস্যরা ২০০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ওই ব্যক্তিকে আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে চিকিৎসক দাবি করার বিষয়টি স্বীকার করেন। তাকে ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, ‘অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আমাদের ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি শাহবাগ থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে, তারা পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেবে।’
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 





































