ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতির মধ্যে গাজায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সাংবাদিকের মৃত্যু

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

ফিলিস্তিনি সাংবাদিক সালেহ আলজাফারাওয়ি গাজা সিটিতে একটি সংঘর্ষের সময় নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পর।

আল জাজিরা জানায়, ২৮ বছর বয়সী সালেহ আলজাফারাওয়ি, যিনি যুদ্ধ চলাকালে ভিডিও প্রতিবেদন করে বেশ পরিচিতি পেয়েছিলেন, গাজা সিটির সাবরা এলাকায় সংঘর্ষের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে এক সশস্ত্র গোষ্ঠীর গুলিতে নিহত হয়েছেন।

আল জাজিরার সানাদ যাচাইকরণ সংস্থা জানিয়েছে, সাংবাদিক ও কর্মীদের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, ‘প্রেস’ লেখা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিহিত সালেহর মরদেহ একটি ট্রাকের পেছনে পড়ে আছে। তিনি রবিবার সকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো জানায়, ওই দিন সাবরা এলাকায় হামাস নিরাপত্তা বাহিনী ও দঘমুশ বংশের যোদ্ধাদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এখনো বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানান, সংঘর্ষে জড়িত ছিল “ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কিত এক সশস্ত্র মিলিশিয়া”।
তিনি আরও বলেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনী ঐ মিলিশিয়াকে ঘিরে ফেলেছিল, কিন্তু মিলিশিয়ার সদস্যরা দক্ষিণ গাজা থেকে ফেরা বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের ওপরও হামলা চালায়।’
যদিও যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বারবার সতর্ক করছে যে গাজার নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত নাজুক ও অস্থিতিশীল।
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফের ২৫ এজেন্সির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার আশঙ্কা বায়রার একাংশের

যুদ্ধবিরতির মধ্যে গাজায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সাংবাদিকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

ফিলিস্তিনি সাংবাদিক সালেহ আলজাফারাওয়ি গাজা সিটিতে একটি সংঘর্ষের সময় নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পর।

আল জাজিরা জানায়, ২৮ বছর বয়সী সালেহ আলজাফারাওয়ি, যিনি যুদ্ধ চলাকালে ভিডিও প্রতিবেদন করে বেশ পরিচিতি পেয়েছিলেন, গাজা সিটির সাবরা এলাকায় সংঘর্ষের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে এক সশস্ত্র গোষ্ঠীর গুলিতে নিহত হয়েছেন।

আল জাজিরার সানাদ যাচাইকরণ সংস্থা জানিয়েছে, সাংবাদিক ও কর্মীদের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, ‘প্রেস’ লেখা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিহিত সালেহর মরদেহ একটি ট্রাকের পেছনে পড়ে আছে। তিনি রবিবার সকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো জানায়, ওই দিন সাবরা এলাকায় হামাস নিরাপত্তা বাহিনী ও দঘমুশ বংশের যোদ্ধাদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এখনো বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানান, সংঘর্ষে জড়িত ছিল “ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কিত এক সশস্ত্র মিলিশিয়া”।
তিনি আরও বলেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনী ঐ মিলিশিয়াকে ঘিরে ফেলেছিল, কিন্তু মিলিশিয়ার সদস্যরা দক্ষিণ গাজা থেকে ফেরা বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের ওপরও হামলা চালায়।’
যদিও যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বারবার সতর্ক করছে যে গাজার নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত নাজুক ও অস্থিতিশীল।