ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজার পথে ‘কনসায়েন্স’ ইসরায়েলও ব্যর্থ হবে, ফিলিস্তিন মুক্ত হবে : শহিদুল আলম

ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান গণহত্যা বন্ধে বিশ্ব নেতাদের ‘সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয়তা ও ভণ্ডামির’ প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ এবার নিজেরাই পদক্ষেপ নিয়েছে। এই আন্দোলনের প্রতীকী নাম হলো ‘থাউজেন্ড ম্যাডলিন্স’ (Thousand Madleens)। 

এই উদ্যোগে একসঙ্গে সমুদ্রগামী এতো বিশাল সংখ্যক জাহাজের যাত্রা নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছেন এই ফ্লোটিলায় থাকা বাংলাদেশি প্রখ্যাত আলোকচিত্রী শহিদুল আলম।

শহিদুল আলম তার এক ফেসবুক পোস্টে এই নৌ-আন্দোলনের তাৎপর্য তুলে ধরেছেন। তার মতে, এটি হলো ‘গণশক্তির সচল রূপ’।

এই নৌ-আন্দোলনের সবচেয়ে বড় এবং দ্রুততম জাহাজটির নাম ‘কনসায়েন্স’, যার অর্থ ‘বিবেক’। এটি সবচেয়ে শেষে ২০২৫ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর ইতালির ওত্রান্তো থেকে যাত্রা শুরু করে।

শহিদুল আলম জানান, ২রা অক্টোবরের মধ্যে এর আগে যাত্রা করা ‘সুমুদ ফ্লোটিলা ‘র বেশিরভাগ জাহাজই ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী দ্বারা আটক হয়।

এমনকি আটক এড়ানো একটি নৌকাও পরে ধরা পড়েছে। তবে, ‘কনসায়েন্স’ যাত্রা করার ঠিক আগে আরও ৮টি নৌকা যাত্রা করেছিল। এছাড়া, ‘ফ্লোটিং ফ্রিডম কোয়ালিশনের’ আরও দুটি নৌকার অবস্থা অজানা থাকলেও, দ্রুতগতির ‘কনসায়েন্স’ মাঝসমুদ্রে তাদের নাগাল পায়।

শহিদুল আলম লিখেছেন, শুরুতে কনসায়েন্স দ্রুত এগিয়ে গেলেও, এখন তারা ধীরে চলে একটি দল হিসেবে গাজার দিকে অগ্রসর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই মুহূর্তে দুই পক্ষের মধ্যে যে সংহতি ও ঐক্যের অনুভূতি তৈরি হয়েছে, তা সত্যিই অসাধারণ।

পোস্টে শহিদুল আলম দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘ইসরায়েল যাই করার পরিকল্পনা করুক না কেন, এই মানব-স্রোত থামানোর সাধ্য তাদের নেই।’ তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে, তারা ‘কনসায়েন্স’-এ থেকে গাজার অবরোধ ভাঙতে বদ্ধপরিকর। যদি তাদের থামানো হয়, তবুও অন্যরা এগিয়ে আসবে।

তিনি ঐতিহাসিক সত্যের ওপর ভরসা রেখে মন্তব্য করেন, ‘কোনো স্বৈরাচারীই কখনোই গণশক্তির বিরুদ্ধে জয়ী হতে পারেনি। ইসরায়েলও ব্যর্থ হবে। ফিলিস্তিন মুক্ত হবে।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

গাজার পথে ‘কনসায়েন্স’ ইসরায়েলও ব্যর্থ হবে, ফিলিস্তিন মুক্ত হবে : শহিদুল আলম

আপডেট সময় : ০৩:০২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান গণহত্যা বন্ধে বিশ্ব নেতাদের ‘সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয়তা ও ভণ্ডামির’ প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ এবার নিজেরাই পদক্ষেপ নিয়েছে। এই আন্দোলনের প্রতীকী নাম হলো ‘থাউজেন্ড ম্যাডলিন্স’ (Thousand Madleens)। 

এই উদ্যোগে একসঙ্গে সমুদ্রগামী এতো বিশাল সংখ্যক জাহাজের যাত্রা নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছেন এই ফ্লোটিলায় থাকা বাংলাদেশি প্রখ্যাত আলোকচিত্রী শহিদুল আলম।

শহিদুল আলম তার এক ফেসবুক পোস্টে এই নৌ-আন্দোলনের তাৎপর্য তুলে ধরেছেন। তার মতে, এটি হলো ‘গণশক্তির সচল রূপ’।

এই নৌ-আন্দোলনের সবচেয়ে বড় এবং দ্রুততম জাহাজটির নাম ‘কনসায়েন্স’, যার অর্থ ‘বিবেক’। এটি সবচেয়ে শেষে ২০২৫ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর ইতালির ওত্রান্তো থেকে যাত্রা শুরু করে।

শহিদুল আলম জানান, ২রা অক্টোবরের মধ্যে এর আগে যাত্রা করা ‘সুমুদ ফ্লোটিলা ‘র বেশিরভাগ জাহাজই ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী দ্বারা আটক হয়।

এমনকি আটক এড়ানো একটি নৌকাও পরে ধরা পড়েছে। তবে, ‘কনসায়েন্স’ যাত্রা করার ঠিক আগে আরও ৮টি নৌকা যাত্রা করেছিল। এছাড়া, ‘ফ্লোটিং ফ্রিডম কোয়ালিশনের’ আরও দুটি নৌকার অবস্থা অজানা থাকলেও, দ্রুতগতির ‘কনসায়েন্স’ মাঝসমুদ্রে তাদের নাগাল পায়।

শহিদুল আলম লিখেছেন, শুরুতে কনসায়েন্স দ্রুত এগিয়ে গেলেও, এখন তারা ধীরে চলে একটি দল হিসেবে গাজার দিকে অগ্রসর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই মুহূর্তে দুই পক্ষের মধ্যে যে সংহতি ও ঐক্যের অনুভূতি তৈরি হয়েছে, তা সত্যিই অসাধারণ।

পোস্টে শহিদুল আলম দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘ইসরায়েল যাই করার পরিকল্পনা করুক না কেন, এই মানব-স্রোত থামানোর সাধ্য তাদের নেই।’ তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে, তারা ‘কনসায়েন্স’-এ থেকে গাজার অবরোধ ভাঙতে বদ্ধপরিকর। যদি তাদের থামানো হয়, তবুও অন্যরা এগিয়ে আসবে।

তিনি ঐতিহাসিক সত্যের ওপর ভরসা রেখে মন্তব্য করেন, ‘কোনো স্বৈরাচারীই কখনোই গণশক্তির বিরুদ্ধে জয়ী হতে পারেনি। ইসরায়েলও ব্যর্থ হবে। ফিলিস্তিন মুক্ত হবে।’