ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্লোটিলার দুটি নৌযানে ড্রোন হামলার অনুমতি দেন নেতানিয়াহু

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা বহরের দুটি নৌযানে ড্রোন হামলার সরাসরি অনুমতি দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ।

মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়, গত মাসের শুরুর দিকে তিউনিসিয়ার সিদি বো সাঈদ বন্দরের বাইরে নোঙর করা দুটি নৌযানে এ হামলা চালানো হয়।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, ইসরায়েলি বাহিনী একটি সাবমেরিন থেকে ড্রোন উড়িয়ে নৌযানগুলোতে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করে। এতে পর্তুগিজ পতাকাবাহী একটি ও ব্রিটিশ পতাকাবাহী আরেকটি নৌযানে আগুন ধরে যায়। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। হামলার ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার অনুমতি না থাকায় কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও সশস্ত্র সংঘাতসংক্রান্ত আইনে বেসামরিক স্থাপনা কিংবা মানুষের ওপর এ ধরনের দাহ্য অস্ত্র ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি নেতানিয়াহু বা ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা বহরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪০টিরও বেশি নৌযান ছিল, যেখানে প্রায় ৫০০ যাত্রী ছিলেন। গাজার উদ্দেশে যাত্রা করা এই নৌবহরে ইসরায়েলি বাহিনী গত বুধবার হানা দেয়। সে দিনই কিছু নৌযান জব্দ ও আরোহীদের আটক করা হয়। পরদিন প্রায় সব নৌযান আটক করে ইসরায়েল। সর্বশেষ শুক্রবার ‘ম্যারিনেট’ নামের নৌযানটিও জব্দ করা হয়।

সূত্র: আল জাজিরা

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

ফ্লোটিলার দুটি নৌযানে ড্রোন হামলার অনুমতি দেন নেতানিয়াহু

আপডেট সময় : ১২:৩৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা বহরের দুটি নৌযানে ড্রোন হামলার সরাসরি অনুমতি দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ।

মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়, গত মাসের শুরুর দিকে তিউনিসিয়ার সিদি বো সাঈদ বন্দরের বাইরে নোঙর করা দুটি নৌযানে এ হামলা চালানো হয়।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, ইসরায়েলি বাহিনী একটি সাবমেরিন থেকে ড্রোন উড়িয়ে নৌযানগুলোতে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করে। এতে পর্তুগিজ পতাকাবাহী একটি ও ব্রিটিশ পতাকাবাহী আরেকটি নৌযানে আগুন ধরে যায়। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। হামলার ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার অনুমতি না থাকায় কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও সশস্ত্র সংঘাতসংক্রান্ত আইনে বেসামরিক স্থাপনা কিংবা মানুষের ওপর এ ধরনের দাহ্য অস্ত্র ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি নেতানিয়াহু বা ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা বহরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪০টিরও বেশি নৌযান ছিল, যেখানে প্রায় ৫০০ যাত্রী ছিলেন। গাজার উদ্দেশে যাত্রা করা এই নৌবহরে ইসরায়েলি বাহিনী গত বুধবার হানা দেয়। সে দিনই কিছু নৌযান জব্দ ও আরোহীদের আটক করা হয়। পরদিন প্রায় সব নৌযান আটক করে ইসরায়েল। সর্বশেষ শুক্রবার ‘ম্যারিনেট’ নামের নৌযানটিও জব্দ করা হয়।

সূত্র: আল জাজিরা