ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজামুখী ফ্লোটিলার কোনো নৌযান অবরোধ ভাঙতে পারেনি, দাবি ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনপন্থী কর্মী ও মানবিক সহায়তাবাহী গাজামুখী কোনো নৌযানই ইসরায়েলের আরোপিত অবরোধ অতিক্রম করতে সক্ষম হয়নি বলে বৃহস্পতিবার দাবি করেছে দেশটি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘হামাস-সুমুদ প্ররোচনামূলক কোনো নৌযান সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশ বা আইনসংগত নৌ অবরোধ ভাঙার প্রচেষ্টায় সফল হয়নি।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘এই প্ররোচনার সর্বশেষ একটি নৌযান দূরত্বে অবস্থান করছে। সেটি এগিয়ে এলে তারও সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশ ও অবরোধ ভাঙার প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হবে।

ইসরায়েলি বাহিনী বুধবার ৪০টিরও বেশি বেসামরিক নৌযানের বহর আটক করে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সুইডিশ পরিবেশ আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও রয়েছেন।

ফ্লোটিলার প্রথম বহরটি গত ৩১ আগস্ট স্পেনের বার্সেলোনা থেকে যাত্রা শুরু করে। পরে ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তিউনিসিয়া ও ইতালির সিসিলি দ্বীপ থেকে আরো নৌযান যুক্ত হয়।

এ ছাড়া গ্রিসের সাইরাস দ্বীপ থেকেও কয়েকটি নৌযান ত্রাণ নিয়ে ফ্লোটিলায় যোগ দেয়।

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ গাজার মানুষের জন্য সমুদ্রপথে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ। বহরে প্রায় ৪৪ দেশের ৫০০ মানুষ রয়েছে—যাদের মধ্যে আছেন যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়ামের নাগরিকসহ ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নির্বাচিত প্রতিনিধি, আইনজীবী, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা।

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের মামলায় নিজেই লড়তে চান শামসুল হক টুকু

গাজামুখী ফ্লোটিলার কোনো নৌযান অবরোধ ভাঙতে পারেনি, দাবি ইসরায়েলের

আপডেট সময় : ০৬:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

ফিলিস্তিনপন্থী কর্মী ও মানবিক সহায়তাবাহী গাজামুখী কোনো নৌযানই ইসরায়েলের আরোপিত অবরোধ অতিক্রম করতে সক্ষম হয়নি বলে বৃহস্পতিবার দাবি করেছে দেশটি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘হামাস-সুমুদ প্ররোচনামূলক কোনো নৌযান সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশ বা আইনসংগত নৌ অবরোধ ভাঙার প্রচেষ্টায় সফল হয়নি।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘এই প্ররোচনার সর্বশেষ একটি নৌযান দূরত্বে অবস্থান করছে। সেটি এগিয়ে এলে তারও সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশ ও অবরোধ ভাঙার প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হবে।

ইসরায়েলি বাহিনী বুধবার ৪০টিরও বেশি বেসামরিক নৌযানের বহর আটক করে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সুইডিশ পরিবেশ আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও রয়েছেন।

ফ্লোটিলার প্রথম বহরটি গত ৩১ আগস্ট স্পেনের বার্সেলোনা থেকে যাত্রা শুরু করে। পরে ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তিউনিসিয়া ও ইতালির সিসিলি দ্বীপ থেকে আরো নৌযান যুক্ত হয়।

এ ছাড়া গ্রিসের সাইরাস দ্বীপ থেকেও কয়েকটি নৌযান ত্রাণ নিয়ে ফ্লোটিলায় যোগ দেয়।

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ গাজার মানুষের জন্য সমুদ্রপথে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ। বহরে প্রায় ৪৪ দেশের ৫০০ মানুষ রয়েছে—যাদের মধ্যে আছেন যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়ামের নাগরিকসহ ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নির্বাচিত প্রতিনিধি, আইনজীবী, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা।