মঙ্গলবার সকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা একটি বৃহৎ পরিকল্পনার অংশ। সামনে জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে এ ধরনের তৎপরতা বেড়েছে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বহিরাগত সন্ত্রাসী ঢুকিয়ে সহিংসতা ছড়ানো হচ্ছে। গুইমারার সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার জন্য ইউপিডিএফ দায়ী।”
তিনি আরও জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উসকে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর কাছে পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে। ভিডিওসহ এসব তথ্য গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরা হবে। অপপ্রচার বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড সত্ত্বেও সেনাবাহিনী দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তৃতীয় দিনের মতো খাগড়াছড়ি শহরে চলছে ১৪৪ ধারা। শহরে ঢুকতে বা বের হতে তল্লাশির মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। গুইমারা ও সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট ও বাড়ানো হয়েছে টহল।
খাগড়াছড়ি শহর ঘুরে দেখা গেছে, জনজীবন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে মনে করছেন প্রশাসন ও স্থানীয়রা।
রিজিয়ন কমান্ডারের ভাষ্য, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার বা শিথিলের সিদ্ধান্ত নেবে সিভিল প্রশাসন। তবে এখনই নির্দিষ্ট সময় বলা যাচ্ছে না।
এদিকে আন্দোলনরত যুব ছাত্র জনতা ব্যানারের নেতারা আট দফা দাবি পেশ করেছেন। তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এসব দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিবৃতি তারা দেয়নি, তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বারবার এমন অবস্থান জানাচ্ছেন।
সব মিলিয়ে, পরিস্থিতি না খারাপ হয়েছে, না পুরোপুরি ভালো হয়েছে—এ অবস্থায় রয়েছে খাগড়াছড়ি। তবে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মনে করছে, দুই-এক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাবে।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 





































