ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪ আসন পুনর্বহালের দাবিতে বাগেরহাটে নতুন কর্মসূচি

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:০৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন পুনর্বহালের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দুদিনের হরতাল শিথিলের ঘোষণা দিয়ে চার দিনের ধারাবাহিক কর্মসূচি প্রকাশ করেন কমিটির সদস্য সচিব শেখ মো. ইউনুস।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, রোববার- জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি অফিস ও আদালত ঘেরাও ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। সোমবার থেকে বুধবার (তিন দিন)- সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা হরতাল পালন করা হবে। তবে রাতের সড়ক চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে শেখ ইউনুস বলেন, আমাদের পূর্বঘোষিত হরতাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শেষ হচ্ছে। রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অফিস-আদালত ঘেরাও করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আর সোম, মঙ্গল ও বুধ এই তিন দিন সকাল-সন্ধ্যা ১২ ঘণ্টা করে হরতাল চলবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবের ব্যবস্থা না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করব। ইতোমধ্যে কমিটির আইনজীবী প্যানেলকে হাইকোর্টে রিট দায়েরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি একটি প্রাথমিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন কর্মসূচি প্রকাশ করা হলো।

গত ৩০ জুলাই দুপুরে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে একটি কমিয়ে তিনটি আসন করার প্রাথমিক প্রস্তাব দেয় নির্বাচন কমিশন। এরপর থেকেই বাগেরহাটবাসী চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে।

বাগেরহাটবাসী নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে অংশগ্রহণ করলেও, ৪ সেপ্টেম্বর কমিশন শুধুমাত্র সীমানা পরিবর্তন করে তিনটি আসনেরই চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীদের দাবি, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত গণমানুষের দাবিকে উপেক্ষা করেছে।

চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী আসন বিন্যাস: বাগেরহাট-১ (বাগেরহাট সদর, চিতলমারী, মোল্লাহাট), বাগেরহাট-২ (ফকিরহাট, রামপাল, মোংলা), বাগেরহাট-৩ (কচুয়া, মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা),

আগের আসন বিন্যাস ছিল: (বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, মোল্লাহাট, ফকিরহাট), বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর, কচুয়া), বাগেরহাট-৩ (রামপাল, মোংলা), বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা)

সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি চারটি আসনের পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

৪ আসন পুনর্বহালের দাবিতে বাগেরহাটে নতুন কর্মসূচি

আপডেট সময় : ০৫:০৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন পুনর্বহালের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দুদিনের হরতাল শিথিলের ঘোষণা দিয়ে চার দিনের ধারাবাহিক কর্মসূচি প্রকাশ করেন কমিটির সদস্য সচিব শেখ মো. ইউনুস।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, রোববার- জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি অফিস ও আদালত ঘেরাও ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। সোমবার থেকে বুধবার (তিন দিন)- সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা হরতাল পালন করা হবে। তবে রাতের সড়ক চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে শেখ ইউনুস বলেন, আমাদের পূর্বঘোষিত হরতাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শেষ হচ্ছে। রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অফিস-আদালত ঘেরাও করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আর সোম, মঙ্গল ও বুধ এই তিন দিন সকাল-সন্ধ্যা ১২ ঘণ্টা করে হরতাল চলবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবের ব্যবস্থা না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করব। ইতোমধ্যে কমিটির আইনজীবী প্যানেলকে হাইকোর্টে রিট দায়েরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি একটি প্রাথমিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন কর্মসূচি প্রকাশ করা হলো।

গত ৩০ জুলাই দুপুরে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে একটি কমিয়ে তিনটি আসন করার প্রাথমিক প্রস্তাব দেয় নির্বাচন কমিশন। এরপর থেকেই বাগেরহাটবাসী চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে।

বাগেরহাটবাসী নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে অংশগ্রহণ করলেও, ৪ সেপ্টেম্বর কমিশন শুধুমাত্র সীমানা পরিবর্তন করে তিনটি আসনেরই চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীদের দাবি, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত গণমানুষের দাবিকে উপেক্ষা করেছে।

চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী আসন বিন্যাস: বাগেরহাট-১ (বাগেরহাট সদর, চিতলমারী, মোল্লাহাট), বাগেরহাট-২ (ফকিরহাট, রামপাল, মোংলা), বাগেরহাট-৩ (কচুয়া, মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা),

আগের আসন বিন্যাস ছিল: (বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, মোল্লাহাট, ফকিরহাট), বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর, কচুয়া), বাগেরহাট-৩ (রামপাল, মোংলা), বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা)

সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি চারটি আসনের পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।