ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইতিহাস গড়লেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

ইতিহাস গড়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। আজ বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেইজিংয়ের তিয়ানআনমেন স্কয়ারে তৃতীয়বারের মতো সামরিক কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দিলেন। এর মাধ্যমে তিনি তার তিন পূর্বসূরি দেং শিয়াওপিং, জিয়াং জেমিন ও হু জিনতাওয়ের সম্মিলিত রেকর্ডকে স্পর্শ করলেন।

এ ধরনের কুচকাওয়াজে সাধারণত গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দশকপূর্তিতে অনুষ্ঠিত হয়। আর ওই তিন নেতা প্রত্যেকে মাত্র একবার করে এর সভাপতিত্ব করেছিলেন।

শি ঐতিহ্য বহাল রাখার পাশাপাশি নিজস্ব ধারা তৈরি করেছেন। তিনি ২০১৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের ৭০ বছর পূর্তিকে স্মরণীয় করে ৩ সেপ্টেম্বরকে জাতীয় স্মরণ দিবস ঘোষণা করেন এবং বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করেন। আজকের আয়োজন সেই পরাজয়ের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে।

চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সেতুং একমাত্র নেতা যিনি শি’র চেয়ে বেশি কুচকাওয়াজ আয়োজন করেছিলেন। ১৯৪৯ থেকে ১৯৫৯ পর্যন্ত টানা ১১টি জাতীয় দিবসের কুচকাওয়াজে সভাপতিত্ব করেন মাও।

ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের ফেলো ও সাবেক সিআইএ চীন–বিশেষজ্ঞ জনাথন সিজন বলেন, ‘এটা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ যে শি ইতোমধ্যেই এ ধরনের তিনটি সামরিক কুচকাওয়াজ করেছেন। অথচ তার পূর্বসূরিরা ১০ বছরের মেয়াদে মাত্র একটি করেছিলেন। এটা শি’র সেনাবাহিনীর ওপর নিয়ন্ত্রণের ব্যাপ্তি স্পষ্ট করে।’

রাজধানীর বাইরে শি আরও দুটি বড় কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দেন—২০১৭ সালে ইনার মঙ্গোলিয়ায় পিএলএ’র ৯০ বছর পূর্তি এবং ২০১৯ সালে কিংদাও শহরে নৌবাহিনীর ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে।

সূত্র: সিএনএন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

ইতিহাস গড়লেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

আপডেট সময় : ১২:৪৮:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ইতিহাস গড়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। আজ বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেইজিংয়ের তিয়ানআনমেন স্কয়ারে তৃতীয়বারের মতো সামরিক কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দিলেন। এর মাধ্যমে তিনি তার তিন পূর্বসূরি দেং শিয়াওপিং, জিয়াং জেমিন ও হু জিনতাওয়ের সম্মিলিত রেকর্ডকে স্পর্শ করলেন।

এ ধরনের কুচকাওয়াজে সাধারণত গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দশকপূর্তিতে অনুষ্ঠিত হয়। আর ওই তিন নেতা প্রত্যেকে মাত্র একবার করে এর সভাপতিত্ব করেছিলেন।

শি ঐতিহ্য বহাল রাখার পাশাপাশি নিজস্ব ধারা তৈরি করেছেন। তিনি ২০১৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের ৭০ বছর পূর্তিকে স্মরণীয় করে ৩ সেপ্টেম্বরকে জাতীয় স্মরণ দিবস ঘোষণা করেন এবং বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করেন। আজকের আয়োজন সেই পরাজয়ের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে।

চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সেতুং একমাত্র নেতা যিনি শি’র চেয়ে বেশি কুচকাওয়াজ আয়োজন করেছিলেন। ১৯৪৯ থেকে ১৯৫৯ পর্যন্ত টানা ১১টি জাতীয় দিবসের কুচকাওয়াজে সভাপতিত্ব করেন মাও।

ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের ফেলো ও সাবেক সিআইএ চীন–বিশেষজ্ঞ জনাথন সিজন বলেন, ‘এটা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ যে শি ইতোমধ্যেই এ ধরনের তিনটি সামরিক কুচকাওয়াজ করেছেন। অথচ তার পূর্বসূরিরা ১০ বছরের মেয়াদে মাত্র একটি করেছিলেন। এটা শি’র সেনাবাহিনীর ওপর নিয়ন্ত্রণের ব্যাপ্তি স্পষ্ট করে।’

রাজধানীর বাইরে শি আরও দুটি বড় কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দেন—২০১৭ সালে ইনার মঙ্গোলিয়ায় পিএলএ’র ৯০ বছর পূর্তি এবং ২০১৯ সালে কিংদাও শহরে নৌবাহিনীর ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে।

সূত্র: সিএনএন