ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরাইলের বিমানবন্দরে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী এবার ফিলিস্তিন-২ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে অধিকৃত ইয়াফা অঞ্চলের আল-লিদ্দ বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে। গাজা দখলের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ চালানো হয়েছে।

ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী বুধবার (২৭ আগস্ট) এই উচ্চপর্যায়ের সামরিক অভিযান চালিয়ে অধিকৃত ইয়াফার আল-লিদ্দ বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। খবর আল-মায়াদিন, মেহের নিউজ ও টাইমস অব ইসরায়েলের।

সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি জানান, ফিলিস্তিন-২ হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত হয় এবং ‘লাখ লাখ দখলদার ইহুদি’ আশ্রয়কেন্দ্রে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

এই হামলাকে গাজায় চলমান অবরোধ, দুর্ভিক্ষ ও আগ্রাসনের সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করা হয়।

জেনারেল ইয়াহিয়া সারি জোর দিয়ে বলেন, জাতিসংঘ যখন গাজার মানবিক সংকটকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে, তখন ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ মোকাবিলায় বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য।

ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী একে ‘অত্যাচারিত ফিলিস্তিনি জনগণ ও প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রতি সমর্থনের ধর্মীয় ও নৈতিক কর্তব্য’ হিসেবে ঘোষণা করে।

একই সঙ্গে আরব ও ইসলামি বিশ্বের ওপর দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়ে বলছে, তারা যেন গাজার গণহত্যা ও অবরোধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়।

বিবৃতিতে ইয়েমেনকে ‘ঈমান ও প্রতিরোধের দেশ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলা হয়, ‘ইয়েমেন বিজয়ীদের ভূমি। যত চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন, ফিলিস্তিনের প্রতি দায়িত্ব পালনে ইয়েমেন কখনো পিছু হটবে না।’

ইয়াহিয়া সারির ভাষায়, ‘গাজার পাশে আছি, যতদিন না অবরোধ উঠে যায় এবং আগ্রাসন বন্ধ হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফের ২৫ এজেন্সির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার আশঙ্কা বায়রার একাংশের

ইসরাইলের বিমানবন্দরে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

আপডেট সময় : ০১:২১:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী এবার ফিলিস্তিন-২ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে অধিকৃত ইয়াফা অঞ্চলের আল-লিদ্দ বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে। গাজা দখলের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ চালানো হয়েছে।

ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী বুধবার (২৭ আগস্ট) এই উচ্চপর্যায়ের সামরিক অভিযান চালিয়ে অধিকৃত ইয়াফার আল-লিদ্দ বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। খবর আল-মায়াদিন, মেহের নিউজ ও টাইমস অব ইসরায়েলের।

সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি জানান, ফিলিস্তিন-২ হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত হয় এবং ‘লাখ লাখ দখলদার ইহুদি’ আশ্রয়কেন্দ্রে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

এই হামলাকে গাজায় চলমান অবরোধ, দুর্ভিক্ষ ও আগ্রাসনের সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করা হয়।

জেনারেল ইয়াহিয়া সারি জোর দিয়ে বলেন, জাতিসংঘ যখন গাজার মানবিক সংকটকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে, তখন ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ মোকাবিলায় বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য।

ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী একে ‘অত্যাচারিত ফিলিস্তিনি জনগণ ও প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রতি সমর্থনের ধর্মীয় ও নৈতিক কর্তব্য’ হিসেবে ঘোষণা করে।

একই সঙ্গে আরব ও ইসলামি বিশ্বের ওপর দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়ে বলছে, তারা যেন গাজার গণহত্যা ও অবরোধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়।

বিবৃতিতে ইয়েমেনকে ‘ঈমান ও প্রতিরোধের দেশ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলা হয়, ‘ইয়েমেন বিজয়ীদের ভূমি। যত চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন, ফিলিস্তিনের প্রতি দায়িত্ব পালনে ইয়েমেন কখনো পিছু হটবে না।’

ইয়াহিয়া সারির ভাষায়, ‘গাজার পাশে আছি, যতদিন না অবরোধ উঠে যায় এবং আগ্রাসন বন্ধ হয়।