ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

নয় মাস ধরে স্কুলে না গিয়েও নিয়মিত বেতন তুলছেন শিক্ষক দম্পতি

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৮৬ বার পড়া হয়েছে

প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন, সহকারী শিক্ষক হাজেরা খাতুন


টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় দীর্ঘ নয় মাস বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা নিচ্ছেন এক শিক্ষক দম্পতি। ঘটনাটি ঘটেছে সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের সুরীর চালা আব্দুল হামিদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে।

অভিযুক্তরা হলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন এবং তাঁর স্ত্রী সহকারী শিক্ষক হাজেরা খাতুন। তাঁরা দুজনেই কোনো প্রকার ছুটি গ্রহণ না করেই গত ৯ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত।

স্থানীয় সূত্র ও বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের বরাতে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন ২০২৪ সালের ১৮ নভেম্বর এবং তাঁর স্ত্রী হাজেরা খাতুন ৭ নভেম্বর থেকে স্কুলে অনুপস্থিত রয়েছেন। অথচ ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) পদ্ধতিতে নিয়মিতভাবে তাঁরা সরকারি বেতন-ভাতা তুলছেন।

বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় তাঁদের কোনও স্বাক্ষর নেই বলে নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই কফিল উদ্দিন নানা অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতায় জড়িত ছিলেন। তাঁকে ঘিরে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির নানা অভিযোগ থাকলেও তার কোনো প্রতিকার মেলেনি। এমনকি তাঁর স্ত্রী হাজেরা খাতুনকে বিনা প্রতিযোগিতায় এবং অনিয়মতান্ত্রিকভাবে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন বলেও দাবি স্থানীয়দের।

এলাকাবাসী বহুবার মানববন্ধন, বিক্ষোভ, এবং কুশপুত্তলিকা দাহ করে তাদের অপসারণ ও বিচারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে।

এ বিষয়ে কথা বললে প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন বলেন, ‌’আমরা স্কুলে যেতে চাই। কিন্তু বিদ্যালয়ে এখন আমাদের পক্ষে যাওয়ার মতো কোনো পরিবেশ নেই।’

তিনি জানান, বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তাঁদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন এবং তাঁরা এর জবাব দেবেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, ‘তাঁদের অনুপস্থিতির বিষয়ে আমরা নোটিশ পাঠিয়েছি। বিষয়টি জেলা শিক্ষা অফিসসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হারুনুর রশিদ বলেন, ‘প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়া দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থাকার কোনো সুযোগ নেই। প্রাথমিক তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নয় মাস ধরে স্কুলে না গিয়েও নিয়মিত বেতন তুলছেন শিক্ষক দম্পতি

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫

প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন, সহকারী শিক্ষক হাজেরা খাতুন


টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় দীর্ঘ নয় মাস বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা নিচ্ছেন এক শিক্ষক দম্পতি। ঘটনাটি ঘটেছে সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের সুরীর চালা আব্দুল হামিদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে।

অভিযুক্তরা হলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন এবং তাঁর স্ত্রী সহকারী শিক্ষক হাজেরা খাতুন। তাঁরা দুজনেই কোনো প্রকার ছুটি গ্রহণ না করেই গত ৯ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত।

স্থানীয় সূত্র ও বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের বরাতে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন ২০২৪ সালের ১৮ নভেম্বর এবং তাঁর স্ত্রী হাজেরা খাতুন ৭ নভেম্বর থেকে স্কুলে অনুপস্থিত রয়েছেন। অথচ ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) পদ্ধতিতে নিয়মিতভাবে তাঁরা সরকারি বেতন-ভাতা তুলছেন।

বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় তাঁদের কোনও স্বাক্ষর নেই বলে নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই কফিল উদ্দিন নানা অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতায় জড়িত ছিলেন। তাঁকে ঘিরে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির নানা অভিযোগ থাকলেও তার কোনো প্রতিকার মেলেনি। এমনকি তাঁর স্ত্রী হাজেরা খাতুনকে বিনা প্রতিযোগিতায় এবং অনিয়মতান্ত্রিকভাবে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন বলেও দাবি স্থানীয়দের।

এলাকাবাসী বহুবার মানববন্ধন, বিক্ষোভ, এবং কুশপুত্তলিকা দাহ করে তাদের অপসারণ ও বিচারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে।

এ বিষয়ে কথা বললে প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন বলেন, ‌’আমরা স্কুলে যেতে চাই। কিন্তু বিদ্যালয়ে এখন আমাদের পক্ষে যাওয়ার মতো কোনো পরিবেশ নেই।’

তিনি জানান, বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তাঁদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন এবং তাঁরা এর জবাব দেবেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, ‘তাঁদের অনুপস্থিতির বিষয়ে আমরা নোটিশ পাঠিয়েছি। বিষয়টি জেলা শিক্ষা অফিসসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হারুনুর রশিদ বলেন, ‘প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়া দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থাকার কোনো সুযোগ নেই। প্রাথমিক তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’