‘দেশে কোনো ভিক্ষুক নেই। কিছু মানুষ ভিখারির ছদ্মবেশে সহজে টাকা আয় করার চেষ্টা করছে।’ এমন মন্তব্য করে পদ হারিয়েছেন কিউবার শ্রম ও সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী মার্তা এলেনা ফেইতো কাবরেরা।
বিবিসি জানিয়েছে, সম্প্রতি দেশটির পার্লামেন্টে এমন মন্তব্য করেন শ্রমমন্ত্রী। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে তিনি এ মন্তব্য করেন। আর তা ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করে। দেশটির মানুষ ক্ষুব্ধ হয়।
বিষয়টি নিয়ে বিরক্ত হয়েছেন কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াস কানেল। এরপরই পদত্যাগ করেন শ্রমমন্ত্রী মার্তা।
অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে কিউবা। দেশটিতে চলছে খাদ্য সংকট। দারিদ্রের হার ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
পরিস্থিতি অস্বীকার করে মার্তা পার্লামেন্টে জানান, দেশে কোনো ভিক্ষুক নেই। সহজে আয় করার জন্য কিছু মানুষ ময়লার ঝুঁড়ি ঘাঁটাঘাঁটি করছে।
কিউবার বাসিন্দারা ওই মন্তব্যের জন্য ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয়। বলা হয়, সরকার উদাসীন ও মানুষের করুণ অবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন। মানবাধিকার কর্মী ও বুদ্ধিজীবীরা ওই মন্ত্রীর অপসারণ দাবি করেন। তাঁরা এ নিয়ে একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করেন। যেখানে বলা হয়, ‘মন্ত্রীর এ মন্তব্য কিউবার মানুষের প্রতি অপমানজনক।’
কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াস কানেল বলেন, নেতৃত্বকে সহানুভূতিশীল হওয়া প্রয়োজন। জনগণের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে না।’ মন্ত্রী মার্তা এলেনা ফেইতো কাবরেরার পদত্যাগ গ্রহণ করেছে সরকার।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, কিউবার সরকার ভিক্ষুকের সংখ্যা প্রকাশ করে না। তবু দ্বীপদেশটির গভীর অর্থনৈতিক সংকটে ভিক্ষুকের সংখ্যা বেড়েছে বলে মনে করছে কিউবার অধিকাংশ বাসিন্দা।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 





































