ঢাকা ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে মারামারি!

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে রক্ষীদের সঙ্গে মারামারি ও ধস্তাধস্তি হয়েছে ৭ অক্টোবরে হামাসের হামলার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যদের। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২ জন।

ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়াইর লাপিদসহ কয়েকজন বিরোধী এমপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধস্তাধস্তির এই ভিডিও শেয়ার করেছেন। খবর জেরুজালেম পোস্টের।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের যোদ্ধাদের হামলায় যারা নিহত-আহত এবং অপহৃত হয়েছিলেন, তাদের পরিবারের সদস্যদের এক ছাতার নিচে নিয়ে এসেছে অক্টোবর কাউন্সিল নামের একটি এনজিও। এই এনজিওতে নথিভুক্ত পরিবারের সংখ্যা ১ হাজার ৫০০টি।

সোমবার নেসেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। আগে সে সময় অধিবেশনে উপস্থিত থাকার অনুমতি চেয়ে স্পিকার আমির ওহানা বরাবর চিঠি দিয়েছিল অক্টোবর কাউন্সিল।

সেই অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে অক্টোবর কাউন্সিলের বেশ কয়েকজন সদস্য নেসেট ভবনে হাজির হয়ে অধিবেশনে প্রবেশ করতে চান। এ সময় রক্ষীরা তাদের বাধা দিলে তাদের বাদানুবাদ শুরু হয় অক্টোবর কাউন্সিলের সদস্যদের। অল্প সময়ের ব্যবধানে সেই বাদানুবাদ পরিণত হয় ধস্তাধস্তিতে।

ধস্তাধস্তি এবং তার জেরে দু’জন আহত হওয়ার পর নেসেটের সিড়িতে অবস্থান নেন অক্টোবর কাউন্সিলের সদস্যরা। এ সময় তারা ক্যাডিশ (ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের সকাল বেলার প্রার্থনা) আবৃত্তি করতে থাকেন এবং নিহত ও জিম্মিদের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড তুলে ধরেন।

২০২৩ সালের অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় হামাসের যোদ্ধারা। ইসরায়েলের ইতিহাসে এর আগে এত বড় ও ভয়াবহ হামলা ঘটেনি।

হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের উদ্ধারে সেদিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। ১৫ মাস ধরে চলা সেই নির্মম অভিযানে গাজায় নিহত হয়েছেন ৪৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন লক্ষাধিক।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে মারামারি!

আপডেট সময় : ০৪:২৮:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে রক্ষীদের সঙ্গে মারামারি ও ধস্তাধস্তি হয়েছে ৭ অক্টোবরে হামাসের হামলার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যদের। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২ জন।

ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়াইর লাপিদসহ কয়েকজন বিরোধী এমপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধস্তাধস্তির এই ভিডিও শেয়ার করেছেন। খবর জেরুজালেম পোস্টের।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের যোদ্ধাদের হামলায় যারা নিহত-আহত এবং অপহৃত হয়েছিলেন, তাদের পরিবারের সদস্যদের এক ছাতার নিচে নিয়ে এসেছে অক্টোবর কাউন্সিল নামের একটি এনজিও। এই এনজিওতে নথিভুক্ত পরিবারের সংখ্যা ১ হাজার ৫০০টি।

সোমবার নেসেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। আগে সে সময় অধিবেশনে উপস্থিত থাকার অনুমতি চেয়ে স্পিকার আমির ওহানা বরাবর চিঠি দিয়েছিল অক্টোবর কাউন্সিল।

সেই অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে অক্টোবর কাউন্সিলের বেশ কয়েকজন সদস্য নেসেট ভবনে হাজির হয়ে অধিবেশনে প্রবেশ করতে চান। এ সময় রক্ষীরা তাদের বাধা দিলে তাদের বাদানুবাদ শুরু হয় অক্টোবর কাউন্সিলের সদস্যদের। অল্প সময়ের ব্যবধানে সেই বাদানুবাদ পরিণত হয় ধস্তাধস্তিতে।

ধস্তাধস্তি এবং তার জেরে দু’জন আহত হওয়ার পর নেসেটের সিড়িতে অবস্থান নেন অক্টোবর কাউন্সিলের সদস্যরা। এ সময় তারা ক্যাডিশ (ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের সকাল বেলার প্রার্থনা) আবৃত্তি করতে থাকেন এবং নিহত ও জিম্মিদের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড তুলে ধরেন।

২০২৩ সালের অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় হামাসের যোদ্ধারা। ইসরায়েলের ইতিহাসে এর আগে এত বড় ও ভয়াবহ হামলা ঘটেনি।

হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের উদ্ধারে সেদিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। ১৫ মাস ধরে চলা সেই নির্মম অভিযানে গাজায় নিহত হয়েছেন ৪৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন লক্ষাধিক।