ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক মামলার জামিন শুনানি আজ

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২৬৩ বার পড়া হয়েছে
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক মামলার জামিন শুনানি আজ হওয়ার কথা রয়েছে। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে জামিন শুনানি হবে।

এখনও জামিন না পাওয়া তিন শতাধিক বিডিআর সদস্যদের পরিবারের স্বজনরা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে সকাল থেকে অবস্থান করছেন। আজ সকাল সাড়ে নয়টার পরে কড়া পাহারায় আদালতে আনা হয় বিডিআর সদস্যদের৷ এ সময় স্বজনরা হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান তাদের৷

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দফতরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়।

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিস্ফোরক আইনে জামিন পান ১৬৮ বিডিআর সদস্য৷

বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৮৩৪ জন আসামির বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু হয় ২০১০ সালে। কিন্তু মাঝপথে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম একপ্রকার স্থগিত রেখে শুধু হত্যা মামলার সাক্ষ্য উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। যে কারণে এ মামলার বিচারকাজ ঝুলে যায়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক মামলার জামিন শুনানি আজ

আপডেট সময় : ০১:৫৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক মামলার জামিন শুনানি আজ হওয়ার কথা রয়েছে। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে জামিন শুনানি হবে।

এখনও জামিন না পাওয়া তিন শতাধিক বিডিআর সদস্যদের পরিবারের স্বজনরা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে সকাল থেকে অবস্থান করছেন। আজ সকাল সাড়ে নয়টার পরে কড়া পাহারায় আদালতে আনা হয় বিডিআর সদস্যদের৷ এ সময় স্বজনরা হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান তাদের৷

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দফতরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়।

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিস্ফোরক আইনে জামিন পান ১৬৮ বিডিআর সদস্য৷

বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৮৩৪ জন আসামির বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু হয় ২০১০ সালে। কিন্তু মাঝপথে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম একপ্রকার স্থগিত রেখে শুধু হত্যা মামলার সাক্ষ্য উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। যে কারণে এ মামলার বিচারকাজ ঝুলে যায়।