ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

মার্কিন প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:০৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৭৭ বার পড়া হয়েছে
আগামী ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ উপলক্ষে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের ট্রানজিশন টিম জানিয়েছে, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান নবনির্বাচিত এই রিপাবলিকান নেতা।

শপথ অনুষ্ঠানের খরচ নির্বাহে ইতোমধ্যেই ট্রাম্প প্রায় ১৭ কোটি মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছেন। বড় বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান ও পুঁজিপতিরা এ আয়োজনে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন।

ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে অনুষ্ঠিতব্য মূল শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টায় বিভিন্ন মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে। অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস। এর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স শপথ নেবেন।

দিনের শুরুতে একটি মিছিল আয়োজন করা হবে, যেখানে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ, নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর হবু মন্ত্রীরা অংশ নেবেন। ঐতিহ্য অনুযায়ী, ডান হাত উঁচু করে এবং বাঁ হাত বাইবেলের ওপর রেখে শপথ নেবেন প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা। প্রেসিডেন্টের স্ত্রী সাধারণত বাইবেলটি ধরে রাখেন। শপথ শেষে ট্রাম্প একটি ভাষণ দেবেন।

শপথের পর বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডি হোয়াইট হাউস ত্যাগ করবেন। ১৯৭৭ সাল থেকে এ প্রথা চালু রয়েছে, যেখানে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট সম্মানে হেলিকপ্টারে করে নতুন ঠিকানায় চলে যান।

প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্ট শপথ অনুষ্ঠানে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমন্ত্রণ পাওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (যিনি প্রতিনিধি পাঠাতে পারেন), আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জেভিয়ার মিলেই, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবান এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

রিপাবলিকানদের নানা অপপ্রচার উপেক্ষা করে জো বাইডেন ইতোমধ্যে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।

শপথ গ্রহণ শেষে ট্রাম্প ওভাল অফিসে প্রবেশ করে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এরপর মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন, যেখানে প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টের নিজস্ব অঞ্চলের বিশেষ খাবার পরিবেশিত হবে। অনুষ্ঠান শেষে সেনাদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও প্যারেডে অংশ নেবেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।

বিশ্বজুড়ে বিশেষ নজর কাড়তে পারে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এবারের শপথ অনুষ্ঠান, যা আগের সব শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের তুলনায় বেশ ব্যতিক্রমী ও জাঁকজমকপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া

আপডেট সময় : ০২:০৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৫
আগামী ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ উপলক্ষে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের ট্রানজিশন টিম জানিয়েছে, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান নবনির্বাচিত এই রিপাবলিকান নেতা।

শপথ অনুষ্ঠানের খরচ নির্বাহে ইতোমধ্যেই ট্রাম্প প্রায় ১৭ কোটি মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছেন। বড় বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান ও পুঁজিপতিরা এ আয়োজনে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন।

ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে অনুষ্ঠিতব্য মূল শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টায় বিভিন্ন মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে। অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস। এর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স শপথ নেবেন।

দিনের শুরুতে একটি মিছিল আয়োজন করা হবে, যেখানে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ, নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর হবু মন্ত্রীরা অংশ নেবেন। ঐতিহ্য অনুযায়ী, ডান হাত উঁচু করে এবং বাঁ হাত বাইবেলের ওপর রেখে শপথ নেবেন প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা। প্রেসিডেন্টের স্ত্রী সাধারণত বাইবেলটি ধরে রাখেন। শপথ শেষে ট্রাম্প একটি ভাষণ দেবেন।

শপথের পর বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডি হোয়াইট হাউস ত্যাগ করবেন। ১৯৭৭ সাল থেকে এ প্রথা চালু রয়েছে, যেখানে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট সম্মানে হেলিকপ্টারে করে নতুন ঠিকানায় চলে যান।

প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্ট শপথ অনুষ্ঠানে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমন্ত্রণ পাওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (যিনি প্রতিনিধি পাঠাতে পারেন), আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জেভিয়ার মিলেই, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবান এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

রিপাবলিকানদের নানা অপপ্রচার উপেক্ষা করে জো বাইডেন ইতোমধ্যে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।

শপথ গ্রহণ শেষে ট্রাম্প ওভাল অফিসে প্রবেশ করে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এরপর মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন, যেখানে প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টের নিজস্ব অঞ্চলের বিশেষ খাবার পরিবেশিত হবে। অনুষ্ঠান শেষে সেনাদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও প্যারেডে অংশ নেবেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।

বিশ্বজুড়ে বিশেষ নজর কাড়তে পারে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এবারের শপথ অনুষ্ঠান, যা আগের সব শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের তুলনায় বেশ ব্যতিক্রমী ও জাঁকজমকপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।