ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজায় ফের অভিযান চালাতে পারে ইসরায়েল : ট্রাম্প

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস যদি যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত মানতে ব্যর্থ হয়, তবে ইসরায়েলকে নতুন করে গাজায় অভিযান চালাতে দেওয়া

দুঃসাহসী সেই চিকিৎসকের ভাগ্যে কী ঘটেছে?

ইসরায়েলের কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দি হুসাম আবু সাফিয়া। তিনি সেই চিকিৎসক যিনি ধ্বংসযজ্ঞের মাঝেও নিজে হেঁটে শত্রু ট্যাংকের কাছে গিয়েছিলেন। ওই

ইসরায়েলে এখনও বন্দি ১১,৪৬০ ফিলিস্তিনি

নানা জটিলতার পর অবশেষে সম্পন্ন হলো বন্দিবিনিময় চুক্তি। ইসরায়েলের জেল থেকে মুক্ত বাতাসে ফিরে আসছেন ফিলিস্তিনিরা।  যুদ্ধবিরতির অংশ হিসাবে সোমবার

হামাস কেন ট্রাম্পের ওপর ভরসা করছে

এক সময় যাকে ‘বর্ণবাদী’ এবং ‘অরাজকতার কারিগর’ বলে নিন্দা করেছিল হামাস, এখন তাকেই যুদ্ধ থামানোর সবচেয়ে বড় আশার প্রতীক হিসেবে

মরদেহ ফেরত নিয়ে নতুন টানাপোড়েন, সহায়তা সীমিত করল ইসরায়েল

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস আরও চার জন নিহত ইসরায়েলি বন্দির মরদেহ ফেরত দিয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। মঙ্গলবার

এখনও ফিলিস্তিন ইস্যুতে ট্রাম্পের একই অবস্থান

মধ্যপ্রাচ্যে সংক্ষিপ্ত সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ওয়াশিংটনে ফিরেছেন। সফর শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে

ফিলিস্তিনের জন্য ১৯৬৭-এর আগের সীমানা ছেড়ে দিতে হবে: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন, পাকিস্তানের লক্ষ্য একটি শক্তিশালী ও টেকসই ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। আমরা চাই, ১৯৬৭-এর পূর্ববর্তী সীমানার

গাজায় নতুন সশস্ত্র দলের সঙ্গে হামাসের সংঘাতে নিহত ৩৮

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ‘দগমোশ’ নামে নতুন একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর উত্থান ঘটেছে। উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে গত কয়েক দিনে গাজার

হামাসের পরিবর্তে গাজার ক্ষমতায় আসছে ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষ!

দীর্ঘ দুই বছরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ইসরায়েল-হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতির প্রধান শর্ত হচ্ছে গাজা থেকে স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র

ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র ছাড়া ‘ধ্বংস’ হবে মধ্যপ্রাচ্য: জর্ডানের বাদশাহ

চলমান শান্তি প্রক্রিয়া ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিকে না গেলে মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংস হয়ে যাবে বলে সতর্ক করেছেন জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ।