ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

নির্বাচনের জন্য দুটি সম্ভাব্য সময়সূচি রয়েছে: প্রধান উপদেষ্টা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৩০২ বার পড়া হয়েছে

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে হতে পারে- এ ব্যাপারে দুটি সম্ভাব্য সময়সূচি রয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তবে ভোটের তারিখ মানুষ কতটা সংস্কার চায় সেটার ওপর নির্ভর করে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাজ্যের এমপি রুপা হক সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এই কথা বলেন।

আগামী নির্বাচন কবে হতে পারে, এ ব্যাপারে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি রুপা হক জানতে চাইলে প্রফেসর ইউনূস তাকে বলেন, আগামী সাধারণ নির্বাচনের জন্য দুটি সম্ভাব্য সময়সূচি আছে। ডিসেম্বর ২০২৫ বা ২০২৬ সালের মাঝামাঝি। তিনি বলেন, তবে ভোটের তারিখ নির্ভর করে মানুষ কতটা সংস্কার চায় তার ওপর।

প্রধান উপদেষ্টা ব্রিটিশ এমপি রুপা হককে নিশ্চিত করেছেন যে, বাংলাদেশের আগামী সাধারণ নির্বাচন সম্পূর্ণ স্বাধীন ও সুষ্ঠু হবে। তিনি বলেন, গত তিন নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। সেখানে ছিল একটি ভুয়া সংসদ, ভুয়া এমপি এবং ভুয়া স্পিকার।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গোটা দেশ এখন তাদের কণ্ঠস্বর ফিরে পেয়েছে, তাদের কণ্ঠ জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।

রুপা হক আগামী সাধারণ নির্বাচনের অস্থায়ী তারিখ, বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সংস্কার উদ্যোগ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ দেখে সত্যিই আমি উৎসাহিত। আগামী সাধারণ নির্বাচন দেখতে বাংলাদেশে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।

অধ্যাপক ইউনূস রুপা হককে ব্যাখ্যা করেছেন যে, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে জনগণের দমন কী কারণে হয়েছিল।

এ সময় ব্রিটিশ হাই কমিশন ঢাকার ডেপুটি হাই কমিশনার ও উন্নয়ন পরিচালক জেমস গোল্ডম্যান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, রুপা হক একটি ইউকে ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন, যেখানে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকি, বিআইডিএ চেয়ারম্যান আশিক মাহমুদ চৌধুরী এবং এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদের সাথে বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করেন।

ইউকেবিসিসিআইর একটি প্রতিনিধি দল বর্তমানে তিন দিনের বাংলাদেশ সফরে আছে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইউকেবিসিসিআই চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ওবিই ও ইউকেবিসিসিআই সভাপতি এম জি মওলা মিয়া।

সিদ্দিকি বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ ব্যবসায়ী ও নারীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে ব্যাপক সংস্কার গ্রহণ করেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নির্বাচনের জন্য দুটি সম্ভাব্য সময়সূচি রয়েছে: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৭:০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে হতে পারে- এ ব্যাপারে দুটি সম্ভাব্য সময়সূচি রয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তবে ভোটের তারিখ মানুষ কতটা সংস্কার চায় সেটার ওপর নির্ভর করে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাজ্যের এমপি রুপা হক সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এই কথা বলেন।

আগামী নির্বাচন কবে হতে পারে, এ ব্যাপারে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি রুপা হক জানতে চাইলে প্রফেসর ইউনূস তাকে বলেন, আগামী সাধারণ নির্বাচনের জন্য দুটি সম্ভাব্য সময়সূচি আছে। ডিসেম্বর ২০২৫ বা ২০২৬ সালের মাঝামাঝি। তিনি বলেন, তবে ভোটের তারিখ নির্ভর করে মানুষ কতটা সংস্কার চায় তার ওপর।

প্রধান উপদেষ্টা ব্রিটিশ এমপি রুপা হককে নিশ্চিত করেছেন যে, বাংলাদেশের আগামী সাধারণ নির্বাচন সম্পূর্ণ স্বাধীন ও সুষ্ঠু হবে। তিনি বলেন, গত তিন নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। সেখানে ছিল একটি ভুয়া সংসদ, ভুয়া এমপি এবং ভুয়া স্পিকার।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গোটা দেশ এখন তাদের কণ্ঠস্বর ফিরে পেয়েছে, তাদের কণ্ঠ জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।

রুপা হক আগামী সাধারণ নির্বাচনের অস্থায়ী তারিখ, বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সংস্কার উদ্যোগ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ দেখে সত্যিই আমি উৎসাহিত। আগামী সাধারণ নির্বাচন দেখতে বাংলাদেশে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।

অধ্যাপক ইউনূস রুপা হককে ব্যাখ্যা করেছেন যে, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে জনগণের দমন কী কারণে হয়েছিল।

এ সময় ব্রিটিশ হাই কমিশন ঢাকার ডেপুটি হাই কমিশনার ও উন্নয়ন পরিচালক জেমস গোল্ডম্যান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, রুপা হক একটি ইউকে ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন, যেখানে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকি, বিআইডিএ চেয়ারম্যান আশিক মাহমুদ চৌধুরী এবং এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদের সাথে বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করেন।

ইউকেবিসিসিআইর একটি প্রতিনিধি দল বর্তমানে তিন দিনের বাংলাদেশ সফরে আছে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইউকেবিসিসিআই চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ওবিই ও ইউকেবিসিসিআই সভাপতি এম জি মওলা মিয়া।

সিদ্দিকি বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ ব্যবসায়ী ও নারীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে ব্যাপক সংস্কার গ্রহণ করেছে।