ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:২৩:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৭৫ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে সামরিক আইন জারির ঘটনায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে সিউল ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দেশটির দুর্নীতি তদন্ত সংস্থা সিআইও এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন চলতি মাসের শুরুর দিকে আকস্মিকভাবে সামরিক আইন জারি করেছিলেন। এর পরপরই সংসদে অভিশংসিত ও ক্ষমতা থেকে বরখাস্ত হন তিনি। সিআইও’র দাবি, সামরিক আইন জারির ঘটনায় তদন্তকারীদের অনুরোধে আদালত এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনুমোদন করেছে।

গত ৩ ডিসেম্বর উত্তর কোরিয়ার হুমকি প্রতিরোধের কথা উল্লেখ করে সামরিক আইন জারি করেন ইউন। তবে বিরোধীদের তীব্র আপত্তি ও সংসদীয় ভোটের পর মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন।

এরপর তাকে অভিশংসিত করে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় তদন্তাধীন এবং তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রথমবারের মতো কোনো বর্তমান প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলো। স্থানীয় গণমাধ্যম ইয়োনহাপ জানায়, এই পরোয়ানা আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এবং প্রয়োগ করা হলে ইউনকে সিউল ডিটেনশন সেন্টারে আটক রাখা হতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবিধান অনুযায়ী, অভিশংসনের পর প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা রহিত করা হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সাংবিধানিক আদালতের রায় পর্যন্ত তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদে রাখা হয়। তবে তার ক্ষমতা ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের হাতে থাকবে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

আপডেট সময় : ১১:২৩:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে সামরিক আইন জারির ঘটনায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে সিউল ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দেশটির দুর্নীতি তদন্ত সংস্থা সিআইও এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন চলতি মাসের শুরুর দিকে আকস্মিকভাবে সামরিক আইন জারি করেছিলেন। এর পরপরই সংসদে অভিশংসিত ও ক্ষমতা থেকে বরখাস্ত হন তিনি। সিআইও’র দাবি, সামরিক আইন জারির ঘটনায় তদন্তকারীদের অনুরোধে আদালত এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনুমোদন করেছে।

গত ৩ ডিসেম্বর উত্তর কোরিয়ার হুমকি প্রতিরোধের কথা উল্লেখ করে সামরিক আইন জারি করেন ইউন। তবে বিরোধীদের তীব্র আপত্তি ও সংসদীয় ভোটের পর মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন।

এরপর তাকে অভিশংসিত করে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় তদন্তাধীন এবং তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রথমবারের মতো কোনো বর্তমান প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলো। স্থানীয় গণমাধ্যম ইয়োনহাপ জানায়, এই পরোয়ানা আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এবং প্রয়োগ করা হলে ইউনকে সিউল ডিটেনশন সেন্টারে আটক রাখা হতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবিধান অনুযায়ী, অভিশংসনের পর প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা রহিত করা হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সাংবিধানিক আদালতের রায় পর্যন্ত তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদে রাখা হয়। তবে তার ক্ষমতা ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের হাতে থাকবে।