ঢাকা ১০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুধু পড়ার জন্য নয়, কোরআন কায়েম করার জন্যই নাজিল করা হয়েছে

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:০৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৭২ বার পড়া হয়েছে

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, শুধু পড়ার জন্য নয়, প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোরআন নাজিল হয়েছে কায়েম করার জন্য। 

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব চত্বরে আয়োজিত আন্তর্জাতিক কিরাত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

রফিকুল ইসলাম খান বলেন, কুরআন এমন একটি কিতাব যেখানে কোনো সন্দেহ নেই, ভুল নেই। আর কুরআন হচ্ছে মুত্তাকীদের জন্য পথনির্দেশক। এই কোরআন নাজিল হওয়ার পরই বলা হলো ইকরা, পড়ো। কোরআন পড়া আল্লাহর নির্দেশ। আর যখন কোরআন তেলাওয়াত করা হয় তখন মনোযোগ সহকারে শোনো আর চুপ থাকাও আল্লাহর নির্দেশ।

ছাত্র শিবিরের সাবেক এ কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, এই কোরআনের কথা বলতে গিয়ে হযরত মোহাম্মদ(সা.) কে জেলে যেতে হয়েছে। অসংখ্য নবী রাসুলকে নির্যাতন করা হয়েছে। ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এই কোরআনের কথা বলার কারণে আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মীকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে, জেলে যেতে হয়েছে। এটা নতুন কোনো ঘটনা নয়। আগেও ছিল।

 

আপলোডকারীর তথ্য

অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়?

শুধু পড়ার জন্য নয়, কোরআন কায়েম করার জন্যই নাজিল করা হয়েছে

আপডেট সময় : ১২:০৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, শুধু পড়ার জন্য নয়, প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোরআন নাজিল হয়েছে কায়েম করার জন্য। 

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব চত্বরে আয়োজিত আন্তর্জাতিক কিরাত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

রফিকুল ইসলাম খান বলেন, কুরআন এমন একটি কিতাব যেখানে কোনো সন্দেহ নেই, ভুল নেই। আর কুরআন হচ্ছে মুত্তাকীদের জন্য পথনির্দেশক। এই কোরআন নাজিল হওয়ার পরই বলা হলো ইকরা, পড়ো। কোরআন পড়া আল্লাহর নির্দেশ। আর যখন কোরআন তেলাওয়াত করা হয় তখন মনোযোগ সহকারে শোনো আর চুপ থাকাও আল্লাহর নির্দেশ।

ছাত্র শিবিরের সাবেক এ কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, এই কোরআনের কথা বলতে গিয়ে হযরত মোহাম্মদ(সা.) কে জেলে যেতে হয়েছে। অসংখ্য নবী রাসুলকে নির্যাতন করা হয়েছে। ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এই কোরআনের কথা বলার কারণে আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মীকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে, জেলে যেতে হয়েছে। এটা নতুন কোনো ঘটনা নয়। আগেও ছিল।