ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ম্যানসিটির আর্থিক কেলেঙ্কারির শুনানি শেষ, রায়ের জন্য অপেক্ষা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:১২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৭১ বার পড়া হয়েছে

ইংলিশ ফুটবল ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে আনা ১১৫টি আর্থিক কেলেঙ্কারি অভিযোগের শুনানি শেষ হয়েছে। লন্ডনে গত ১৬ই সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় ক্লাবের বিপক্ষে শুনানি। পরের ১২ সপ্তাহ ধরে চলে শুনানি কার্যক্রম। এরপর চলতি ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে শেষ হয় শুনানি কার্যক্রম। বর্তমানে রায়ের জন্য অপেক্ষা করছে ম্যানচেস্টার সিটি। 

ধারণা করা হচ্ছে, ইংল্যান্ডে বসন্তের মাঝামাঝি সময়ে এই বিষয়ে রায় আসতে পারে। সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছে মার্চ মাসকে। তবে রায় যাইই আসুক না কেন, এর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে বাদি প্রিমিয়ার লিগ এবং অভিযুক্ত ম্যানচেস্টার সিটি কর্তৃপক্ষের। যদিও সেক্ষেত্রে আরও বেশ কিছু মাস চলে যেতে পারে।

ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে ১১৫টি মামলার মধ্যে ৫৪টি অভিযোগ আনা হয়েছে ২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত। এখানে মূলত ক্লাব পরিচালনার আর্থিক তথ্য সঠিকভাবে না দেয়ার দাবি করেছে ইংলিশ লিগ কর্তৃপক্ষ। আর ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৩৫বার তদন্তে সাহায্য না করার কথা বলছে তদন্ত কমিটি।

১৪বার খেলোয়াড় এবং কোচদের সঙ্গে চুক্তি-বেতন এবং অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হয়েছে সিটিজেনরা। ৭ বার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের প্রফিট এন্ড সাস্টেইনেবলেটি আইন ভঙ্গ করার অভিযোগ এসেছে সিটির বিরুদ্ধে। আর বাকি ৫ টা অভিযোগ উয়েফার ফিনান্সিয়াল ফেয়ার প্লে না মানার অভিযোগ।

দোষী সাব্যস্ত হলে পয়েন্ট কেটে নেয়া হবে ম্যান সিটির। আর্থিক জরিমানাও হবে বিপুল পরিমাণ। সঙ্গে রেলিগেশনেও যে পড়তে হবে আকাশি-নীলদের তা একপ্রকার নিশ্চিত।

এর আগে, ২০২০ সালে উয়েফার আইন ভঙ্গ করার অভিযোগ এনে ইউরোপিয়ান ক্লাব কম্পিটিশন থেকে নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। সেবার দুই বছরের জন্য তাদের নিষিদ্ধ করে উয়েফা। কিন্তু সে যাত্রায় কোর্ট অফ আর্বিট্রেশনের রায়ে নির্দোষ প্রমাণিত হয় তারা।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ম্যানসিটির আর্থিক কেলেঙ্কারির শুনানি শেষ, রায়ের জন্য অপেক্ষা

আপডেট সময় : ০২:১২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪

ইংলিশ ফুটবল ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে আনা ১১৫টি আর্থিক কেলেঙ্কারি অভিযোগের শুনানি শেষ হয়েছে। লন্ডনে গত ১৬ই সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় ক্লাবের বিপক্ষে শুনানি। পরের ১২ সপ্তাহ ধরে চলে শুনানি কার্যক্রম। এরপর চলতি ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে শেষ হয় শুনানি কার্যক্রম। বর্তমানে রায়ের জন্য অপেক্ষা করছে ম্যানচেস্টার সিটি। 

ধারণা করা হচ্ছে, ইংল্যান্ডে বসন্তের মাঝামাঝি সময়ে এই বিষয়ে রায় আসতে পারে। সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছে মার্চ মাসকে। তবে রায় যাইই আসুক না কেন, এর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে বাদি প্রিমিয়ার লিগ এবং অভিযুক্ত ম্যানচেস্টার সিটি কর্তৃপক্ষের। যদিও সেক্ষেত্রে আরও বেশ কিছু মাস চলে যেতে পারে।

ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে ১১৫টি মামলার মধ্যে ৫৪টি অভিযোগ আনা হয়েছে ২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত। এখানে মূলত ক্লাব পরিচালনার আর্থিক তথ্য সঠিকভাবে না দেয়ার দাবি করেছে ইংলিশ লিগ কর্তৃপক্ষ। আর ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৩৫বার তদন্তে সাহায্য না করার কথা বলছে তদন্ত কমিটি।

১৪বার খেলোয়াড় এবং কোচদের সঙ্গে চুক্তি-বেতন এবং অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হয়েছে সিটিজেনরা। ৭ বার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের প্রফিট এন্ড সাস্টেইনেবলেটি আইন ভঙ্গ করার অভিযোগ এসেছে সিটির বিরুদ্ধে। আর বাকি ৫ টা অভিযোগ উয়েফার ফিনান্সিয়াল ফেয়ার প্লে না মানার অভিযোগ।

দোষী সাব্যস্ত হলে পয়েন্ট কেটে নেয়া হবে ম্যান সিটির। আর্থিক জরিমানাও হবে বিপুল পরিমাণ। সঙ্গে রেলিগেশনেও যে পড়তে হবে আকাশি-নীলদের তা একপ্রকার নিশ্চিত।

এর আগে, ২০২০ সালে উয়েফার আইন ভঙ্গ করার অভিযোগ এনে ইউরোপিয়ান ক্লাব কম্পিটিশন থেকে নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। সেবার দুই বছরের জন্য তাদের নিষিদ্ধ করে উয়েফা। কিন্তু সে যাত্রায় কোর্ট অফ আর্বিট্রেশনের রায়ে নির্দোষ প্রমাণিত হয় তারা।