ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

আয়কর দিবস আজ, উদযাপনে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:২২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪
  • ২৬৯ বার পড়া হয়েছে

জনগণকে কর দিতে উৎসাহিত করতে প্রতি বছর ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবস উদযাপন করে আসছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ (শনিবার) সেই তারিখ হলেও জাতীয় আয়কর দিবস উদযাপিত হচ্ছে না। যদিও অফিসিয়ালভাবে ওই দিবস বাতিল বা পরিবর্তন করা হয়নি।

তবে এবারে ভিন্ন কোনো দিনকে জাতীয় আয়কর দিবস ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়েছিল এনবিআর, সেটাও নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে আয়কর দিবস নিয়ে কর অফিস কিংবা সাধারণ জনগণ অন্ধকারেই আছেন।

আজকের আয়কর দিবস দিয়ে জানতে চাইলে এনবিআর পরিচালক (জনসংযোগ) সৈয়দ এ মু’মেন এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আমার জানা নেই। অফিসালভাবে আমাদের কাছে কোনো নির্দেশনা নেই।

অন্যদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের কর  বিভাগের এক কর্মকর্তা ৩০ নভেম্বর এতোদিন আয়কর হিসেবে উদযাপিত হলেও এ বছর থেকে আর পালিত হচ্ছে না। বিগত সরকারের সময়ের অনেক জাতীয় দিবস যেমন পরিবর্তন করা হচ্ছে, এক্ষেত্রেও পরিবর্তন হচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যে নতুন আয়কর দিবস ঘোষণা করা হবে।

এর আগে ৪ নভেম্বর এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিনকে আয়কর দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়ে থাকে। তবে ওই দিন কর অফিসগুলো যথেষ্ট ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। সে কারণে আমরা ভাবছি ভিন্ন কোনো দিন জাতীয়ভাবে আয়কর দিবস হলে উদযাপন ও উৎসবের আমেজ বৃদ্ধি পাবে।

২০১৬ সাল থেকে ৩০ নভেম্বরকে আয়কর দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে, এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর আয়কর দিবস উদযাপিত হতো। অর্থাৎ গত ১৬ বছর থেকে রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন জাতীয় আয়কর দিবস উদযাপিত আসছে। ২০০৮ সাল থেকে প্রথম আয়কর দিবস পালন করা হয়। ওই বছর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর আয়কর দিবস হিসেবে উদযাপিত হতো।

এরপর রিটার্ন দাখিলের সময় বৃদ্ধি করার সঙ্গে সঙ্গে ২০১৬ সাল থেকে ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবস পালন করছে এনবিআর। এদিন ব্যক্তি শ্রেণির আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেওয়ারও শেষ দিন। যদিও চলতি বছরে এরই রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধি করে ৩১ ডিসেম্বর করা হয়েছে।

আয়কর নির্দেশিকা ২০২৩-২৪ অনুযায়ী ৪৪ ধরনের সেবায় রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করে এনবিআর। যে কারণে রিটার্ন দাখিলের বিকল্প নেই ই-টিআইএন ধারীদের। তা না হলে পড়তে হবে নানা জটিলতায়।

দেশে বর্তমানে ১ কোটি ১০ লাখের বেশি কর শনাক্তকারী নম্বরধারী (টিআইএন) করদাতা রয়েছেন। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় ৪৪ লাখ করদাতা রিটার্ন দাখিল করেন, যার মধ্যে মাত্র ৫ লাখ রিটার্ন অনলাইনে জমা দেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৫ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করেছেন বলে জানা গেছে।

সাধারণত কোনো ব্যক্তি-করদাতার আয় যদি বছরে সাড়ে তিন লাখ টাকার বেশি হয়, তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি, নারী ও ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সের করদাতার আয় যদি বছরে চার লাখ টাকার বেশি হয়, গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় যদি বছরে পাঁচ লাখ টাকার বেশি হয় এবং প্রতিবন্ধী করদাতার আয় সাড়ে চার লাখ ৭৫ হাজার টাকার বেশি হলে তার রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক।

এ ছাড়া আরও অনেক কারণে ব্যক্তিকে আবশ্যিকভাবে রিটার্ন দাখিল করতে হয়। শুধু রিটার্ন দাখিল করলেই হবে না, বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে হলে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্রও দেখাতে হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আয়কর দিবস আজ, উদযাপনে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা

আপডেট সময় : ০২:২২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪

জনগণকে কর দিতে উৎসাহিত করতে প্রতি বছর ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবস উদযাপন করে আসছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ (শনিবার) সেই তারিখ হলেও জাতীয় আয়কর দিবস উদযাপিত হচ্ছে না। যদিও অফিসিয়ালভাবে ওই দিবস বাতিল বা পরিবর্তন করা হয়নি।

তবে এবারে ভিন্ন কোনো দিনকে জাতীয় আয়কর দিবস ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়েছিল এনবিআর, সেটাও নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে আয়কর দিবস নিয়ে কর অফিস কিংবা সাধারণ জনগণ অন্ধকারেই আছেন।

আজকের আয়কর দিবস দিয়ে জানতে চাইলে এনবিআর পরিচালক (জনসংযোগ) সৈয়দ এ মু’মেন এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আমার জানা নেই। অফিসালভাবে আমাদের কাছে কোনো নির্দেশনা নেই।

অন্যদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের কর  বিভাগের এক কর্মকর্তা ৩০ নভেম্বর এতোদিন আয়কর হিসেবে উদযাপিত হলেও এ বছর থেকে আর পালিত হচ্ছে না। বিগত সরকারের সময়ের অনেক জাতীয় দিবস যেমন পরিবর্তন করা হচ্ছে, এক্ষেত্রেও পরিবর্তন হচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যে নতুন আয়কর দিবস ঘোষণা করা হবে।

এর আগে ৪ নভেম্বর এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিনকে আয়কর দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়ে থাকে। তবে ওই দিন কর অফিসগুলো যথেষ্ট ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। সে কারণে আমরা ভাবছি ভিন্ন কোনো দিন জাতীয়ভাবে আয়কর দিবস হলে উদযাপন ও উৎসবের আমেজ বৃদ্ধি পাবে।

২০১৬ সাল থেকে ৩০ নভেম্বরকে আয়কর দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে, এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর আয়কর দিবস উদযাপিত হতো। অর্থাৎ গত ১৬ বছর থেকে রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন জাতীয় আয়কর দিবস উদযাপিত আসছে। ২০০৮ সাল থেকে প্রথম আয়কর দিবস পালন করা হয়। ওই বছর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর আয়কর দিবস হিসেবে উদযাপিত হতো।

এরপর রিটার্ন দাখিলের সময় বৃদ্ধি করার সঙ্গে সঙ্গে ২০১৬ সাল থেকে ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবস পালন করছে এনবিআর। এদিন ব্যক্তি শ্রেণির আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেওয়ারও শেষ দিন। যদিও চলতি বছরে এরই রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধি করে ৩১ ডিসেম্বর করা হয়েছে।

আয়কর নির্দেশিকা ২০২৩-২৪ অনুযায়ী ৪৪ ধরনের সেবায় রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করে এনবিআর। যে কারণে রিটার্ন দাখিলের বিকল্প নেই ই-টিআইএন ধারীদের। তা না হলে পড়তে হবে নানা জটিলতায়।

দেশে বর্তমানে ১ কোটি ১০ লাখের বেশি কর শনাক্তকারী নম্বরধারী (টিআইএন) করদাতা রয়েছেন। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় ৪৪ লাখ করদাতা রিটার্ন দাখিল করেন, যার মধ্যে মাত্র ৫ লাখ রিটার্ন অনলাইনে জমা দেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৫ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করেছেন বলে জানা গেছে।

সাধারণত কোনো ব্যক্তি-করদাতার আয় যদি বছরে সাড়ে তিন লাখ টাকার বেশি হয়, তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি, নারী ও ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সের করদাতার আয় যদি বছরে চার লাখ টাকার বেশি হয়, গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় যদি বছরে পাঁচ লাখ টাকার বেশি হয় এবং প্রতিবন্ধী করদাতার আয় সাড়ে চার লাখ ৭৫ হাজার টাকার বেশি হলে তার রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক।

এ ছাড়া আরও অনেক কারণে ব্যক্তিকে আবশ্যিকভাবে রিটার্ন দাখিল করতে হয়। শুধু রিটার্ন দাখিল করলেই হবে না, বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে হলে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্রও দেখাতে হবে।