ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ধর্মীয় উন্মাদনা বাংলাদেশে দেখতে চাই না: মির্জা ফখরুল

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪
  • ২৭৯ বার পড়া হয়েছে

ধর্মকে ব্যবহার করে উন্মাদনা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ধর্মীয় উন্মাদনা বাংলাদেশে দেখতে চাই না।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে শহীদ ডা. মিলন দিবস ২০২৪ উপলক্ষে স্বৈরাচারের পতন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও রাষ্ট্র গঠনে চিকিৎসক সমাজের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। আলোচনা সভার আয়োজন করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)।

মির্জা ফখরুল বলেন, কয়েকদিন ধরে আমরা খুব চিন্তিত, ভয়াবহভাবে উদ্বিগ্ন, চিন্তা করতে পারেন ধর্মকে ব্যবহার করে কি উম্মাদনা শুরু হয়েছে? চিন্তা করতে পারেন যে মুক্ত স্বাধীন মিডিয়ার জন্য এতদিন ধরে লড়াই করলাম তার অফিস পুড়িয়ে দিচ্ছে? এই বাংলাদেশ তো আমি অন্তত দেখতে চাই না।

মির্জা ফখরুল বলেন, কিছু সংখ্যক মানুষ আছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় পুড়িয়ে দাও, জ্বালিয়ে দাও এসব কথাবার্তা লিখছেন। খেয়াল করছেন এরা কোন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশকে?

সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য আমাদের, কিছু সংখ্যক মানুষ নিজেদের খুব জনপ্রিয় মনে করেন, সবচেয়ে দেশপ্রেমিক মনে করেন। গোটা জাতিকে তারা বিভাজন করে, একটা অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। আপনারা আজকে চিন্তা করবেন, যারা বিভাজনের দিকে ঠেলছে তারা আসলে আমাদের শত্রু না মিত্র?

তিনি আরও বলেন, যতই আমরা বড় বড় কথা বলি, বিশ্বকে এক করার চেষ্টা করি না কেন যদি আমার নিজের ঘরেই বিভেদ থেকে যায়। আমি সেটা কখনোই ঠিক করতে পারবো না।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই সরকার কারো দয়ার নয়। ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এই সরকার গঠন করা হয়েছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের যে মূল লক্ষ্য এই সরকারের সেদিকে যাওয়ায় ভাল বলে আমি মনে করি। আর এমন কোন কথা বলবেন না, যা জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ধর্মীয় উন্মাদনা বাংলাদেশে দেখতে চাই না: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০২:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪

ধর্মকে ব্যবহার করে উন্মাদনা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ধর্মীয় উন্মাদনা বাংলাদেশে দেখতে চাই না।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে শহীদ ডা. মিলন দিবস ২০২৪ উপলক্ষে স্বৈরাচারের পতন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও রাষ্ট্র গঠনে চিকিৎসক সমাজের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। আলোচনা সভার আয়োজন করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)।

মির্জা ফখরুল বলেন, কয়েকদিন ধরে আমরা খুব চিন্তিত, ভয়াবহভাবে উদ্বিগ্ন, চিন্তা করতে পারেন ধর্মকে ব্যবহার করে কি উম্মাদনা শুরু হয়েছে? চিন্তা করতে পারেন যে মুক্ত স্বাধীন মিডিয়ার জন্য এতদিন ধরে লড়াই করলাম তার অফিস পুড়িয়ে দিচ্ছে? এই বাংলাদেশ তো আমি অন্তত দেখতে চাই না।

মির্জা ফখরুল বলেন, কিছু সংখ্যক মানুষ আছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় পুড়িয়ে দাও, জ্বালিয়ে দাও এসব কথাবার্তা লিখছেন। খেয়াল করছেন এরা কোন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশকে?

সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য আমাদের, কিছু সংখ্যক মানুষ নিজেদের খুব জনপ্রিয় মনে করেন, সবচেয়ে দেশপ্রেমিক মনে করেন। গোটা জাতিকে তারা বিভাজন করে, একটা অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। আপনারা আজকে চিন্তা করবেন, যারা বিভাজনের দিকে ঠেলছে তারা আসলে আমাদের শত্রু না মিত্র?

তিনি আরও বলেন, যতই আমরা বড় বড় কথা বলি, বিশ্বকে এক করার চেষ্টা করি না কেন যদি আমার নিজের ঘরেই বিভেদ থেকে যায়। আমি সেটা কখনোই ঠিক করতে পারবো না।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই সরকার কারো দয়ার নয়। ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এই সরকার গঠন করা হয়েছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের যে মূল লক্ষ্য এই সরকারের সেদিকে যাওয়ায় ভাল বলে আমি মনে করি। আর এমন কোন কথা বলবেন না, যা জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে।