ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

সাইমের রেকর্ড সেঞ্চুরিতে উড়ে গেল জিম্বাবুয়ে

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪
  • ২৬২ বার পড়া হয়েছে

মুদ্রার উল্টো পিঠটাও দেখল জিম্বাবুয়ে। এক ম্যাচ হাতে রেখে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে নেমে বিশাল পরাজয় দেখেছে স্বাগতিকেরা।  সাইম আইয়ুবের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ১০ উইকেটের জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরেছে পাকিস্তান।

সাইম এতটাই বিধ্বংসী ছিলেন যে রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

পাকিস্তানের হয়ে যৌথভাবে তৃতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছেন উদীয়মান এই ব্যাটার। বাঁহাতি ব্যাটারের সমান ৫৩ বলে সেঞ্চুরি আছে শহীদ আফ্রিদিরও। সাবেক অধিনায়ক তো পাকিস্তানের দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ানও। ৩৭ বলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্রুততম সেঞ্চুরিটি করেন আফ্রিদি।

১৯৯৬ সালে করা তার সেই সেঞ্চুরি দীর্ঘদিন বিশ্বের দ্রুততম ছিল। পরে ২০১৪ সালে ৩৬ বলে সেঞ্চুরি করে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার কোরি অ্যান্ডারসন ভেঙে দেন। বাঁহাতি ব্যাটারের সেই রেকর্ড পরের বছরেই ভেঙে দেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। ৩১ বলে সেঞ্চুরি করেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি।

পাকিস্তানের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরিটিও আফ্রিদির দখলে। ২০০৫ সালে ভারতের বিপক্ষে ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করেন ‘বুম বুম’ নামে পরিচিত এই ব্যাটার। আফ্রিদির পাশে বসার সেঞ্চুরিটি আবার সাইমের প্রথম। স্মরনীয় সেঞ্চুরিটা কী দুর্দান্তভাবেই না রাঙালেন ২২ বছর বয়সী ব্যাটার। ১৮২.২৫ স্ট্রাইকরেটের ১১৩ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৩ ছক্কা ও ১৭ চারে।

তার উইলোর সামনে দাঁড়াতেই পারছিলেন না জিম্বাবুয়ের বোলাররা। সিকান্দার রাজা-ব্লেসিং মুজারাবানিদের কচুকাটা করলেও বাঁহাতি ব্যাটারের সেঞ্চুরি উদযাপন সাদামাটাই ছিল। রাজাকে চার মেরে তিন অঙ্ক স্পর্শ করার পর শুধু হেলমেট ও ব্যাট হাতে হাসিমুখে উচিয়ে ধরলেন।

সাইমের ব্যাটের হাসির মতো পাকিস্তানও হেসেছে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় পাওয়াতে। কেননা প্রথম ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ৮০ রানে হেরে তিন ম্যাচ সিরিজে ব্যাকফুটে পড়ে গিয়েছিল তারা। আরেক ওপেনার আবদুল্লাহ শফিক ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন। সিরিজের অঘোষিত ফাইনাল হবে আগামী ২৮ নভেম্বর বুলাওয়েতে।

পাকিস্তানের জয়ের কাজটা অবশ্য বোলাররাই সেরে রেখেছিলেন। বিশেষ করে স্পিনাররা। প্রতিপক্ষকে ১৪৫ রানে অলআউট করতে ৯ উইকেটিই নিয়েছেন স্পিনাররা। বাকি উইকেটটি রানআউট। এর মধ্যে ৩৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের সেরা বোলার লেগস্পিনার আবরার আহমেদ।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাইমের রেকর্ড সেঞ্চুরিতে উড়ে গেল জিম্বাবুয়ে

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪

মুদ্রার উল্টো পিঠটাও দেখল জিম্বাবুয়ে। এক ম্যাচ হাতে রেখে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে নেমে বিশাল পরাজয় দেখেছে স্বাগতিকেরা।  সাইম আইয়ুবের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ১০ উইকেটের জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরেছে পাকিস্তান।

সাইম এতটাই বিধ্বংসী ছিলেন যে রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

পাকিস্তানের হয়ে যৌথভাবে তৃতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছেন উদীয়মান এই ব্যাটার। বাঁহাতি ব্যাটারের সমান ৫৩ বলে সেঞ্চুরি আছে শহীদ আফ্রিদিরও। সাবেক অধিনায়ক তো পাকিস্তানের দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ানও। ৩৭ বলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্রুততম সেঞ্চুরিটি করেন আফ্রিদি।

১৯৯৬ সালে করা তার সেই সেঞ্চুরি দীর্ঘদিন বিশ্বের দ্রুততম ছিল। পরে ২০১৪ সালে ৩৬ বলে সেঞ্চুরি করে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার কোরি অ্যান্ডারসন ভেঙে দেন। বাঁহাতি ব্যাটারের সেই রেকর্ড পরের বছরেই ভেঙে দেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। ৩১ বলে সেঞ্চুরি করেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি।

পাকিস্তানের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরিটিও আফ্রিদির দখলে। ২০০৫ সালে ভারতের বিপক্ষে ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করেন ‘বুম বুম’ নামে পরিচিত এই ব্যাটার। আফ্রিদির পাশে বসার সেঞ্চুরিটি আবার সাইমের প্রথম। স্মরনীয় সেঞ্চুরিটা কী দুর্দান্তভাবেই না রাঙালেন ২২ বছর বয়সী ব্যাটার। ১৮২.২৫ স্ট্রাইকরেটের ১১৩ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৩ ছক্কা ও ১৭ চারে।

তার উইলোর সামনে দাঁড়াতেই পারছিলেন না জিম্বাবুয়ের বোলাররা। সিকান্দার রাজা-ব্লেসিং মুজারাবানিদের কচুকাটা করলেও বাঁহাতি ব্যাটারের সেঞ্চুরি উদযাপন সাদামাটাই ছিল। রাজাকে চার মেরে তিন অঙ্ক স্পর্শ করার পর শুধু হেলমেট ও ব্যাট হাতে হাসিমুখে উচিয়ে ধরলেন।

সাইমের ব্যাটের হাসির মতো পাকিস্তানও হেসেছে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় পাওয়াতে। কেননা প্রথম ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ৮০ রানে হেরে তিন ম্যাচ সিরিজে ব্যাকফুটে পড়ে গিয়েছিল তারা। আরেক ওপেনার আবদুল্লাহ শফিক ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন। সিরিজের অঘোষিত ফাইনাল হবে আগামী ২৮ নভেম্বর বুলাওয়েতে।

পাকিস্তানের জয়ের কাজটা অবশ্য বোলাররাই সেরে রেখেছিলেন। বিশেষ করে স্পিনাররা। প্রতিপক্ষকে ১৪৫ রানে অলআউট করতে ৯ উইকেটিই নিয়েছেন স্পিনাররা। বাকি উইকেটটি রানআউট। এর মধ্যে ৩৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের সেরা বোলার লেগস্পিনার আবরার আহমেদ।