ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

উপদেষ্টা নাহিদকে নিয়ে সালমান মুক্তাদিরের পোস্ট

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৪
  • ৩১৯ বার পড়া হয়েছে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলামকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হঠাৎ করেই একটি বিষয়ে আলোচনা চলছে। এনআইবি মহাপরিচালক পদে নিয়োগপত্রে তার সুপারিশসহ সই করা একটি ছবিকে কেন্দ্র করে এ আলোচনার জন্ম হয়। তবে বিষয়টি মিথ্যা বলে দাবি করেছেন নাহিদ। তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে নাহিদের সমর্থনে মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাত থেকেই ‘উই আর নাহিদ’ (আমরাই নাহিদ) হ্যাশট্যাগে ছেয়ে গেছে ফেসবুক। লাল ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর #WeAreNahid লিখে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিচ্ছেন তারা।নাহিদকে সমর্থন করে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ আন্দোলনের সময় নাহিদের ওপর নির্যাতনের দুটি স্থিরচিত্র তুলে ধরে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘গত ১৬ বছরে বাংলাদেশের অবস্থা এমনই। যারা হাসিনার পুনর্বাসন প্রকল্পকে সমর্থন করে তারা দেশকে সেই একই পরিস্থিতিতে ফিরিয়ে আনবে : রক্তপাত, গুম, খুন এবং আরো অনেক কিছু।

হাসিনার শাসনের পুনর্বাসনকে সমর্থন করলে শেষ পর্যন্ত একই ভয়াবহ পরিণতি ঘটবে।’

হাসনাত আবদুল্লাহর সেই পোস্ট শেয়ার দিয়ে অভিনেতা সালমান মুক্তাদির লিখেছেন, ‘এই যে যা ইচ্ছা তাই বলতে পারছ, অভিযোগ করতে পারছ, নিজের প্রোফাইল থেকে সব শেয়ার করতে পারছ! প্রশ্ন করতে পারছ। এটা ভুলে যেয়ো না। জীবনে কোনো দিন পারো নাই।

এই প্রথম পারছ, ভুলে যেয়ো না।’

তিনি আরো লেখেন, ‘অভিযোগ করো, অবশ্যই করবে। কেন করবে না। কিন্তু তুমি এই বিপ্লবকে কোনো দিন ইগনোর করতে পারবে না। অস্বীকার করতে পারবে  না।

সত্যি বলতে আমি নাহিদকে চিনিও না, জানিও না। কিন্তু আমি খুব ভালো করে জানি আমি অথবা আমরা কয়েক শ মানুষ এখনো বেঁচে আছি ওদের মতো মানুষের ত্যাগের জন্য। তাদের ছাড়া আমাদের অর্ধেকও থাকত না এখন। এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।’

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উপদেষ্টা নাহিদকে নিয়ে সালমান মুক্তাদিরের পোস্ট

আপডেট সময় : ০৩:১৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৪

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলামকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হঠাৎ করেই একটি বিষয়ে আলোচনা চলছে। এনআইবি মহাপরিচালক পদে নিয়োগপত্রে তার সুপারিশসহ সই করা একটি ছবিকে কেন্দ্র করে এ আলোচনার জন্ম হয়। তবে বিষয়টি মিথ্যা বলে দাবি করেছেন নাহিদ। তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে নাহিদের সমর্থনে মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাত থেকেই ‘উই আর নাহিদ’ (আমরাই নাহিদ) হ্যাশট্যাগে ছেয়ে গেছে ফেসবুক। লাল ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর #WeAreNahid লিখে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিচ্ছেন তারা।নাহিদকে সমর্থন করে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ আন্দোলনের সময় নাহিদের ওপর নির্যাতনের দুটি স্থিরচিত্র তুলে ধরে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘গত ১৬ বছরে বাংলাদেশের অবস্থা এমনই। যারা হাসিনার পুনর্বাসন প্রকল্পকে সমর্থন করে তারা দেশকে সেই একই পরিস্থিতিতে ফিরিয়ে আনবে : রক্তপাত, গুম, খুন এবং আরো অনেক কিছু।

হাসিনার শাসনের পুনর্বাসনকে সমর্থন করলে শেষ পর্যন্ত একই ভয়াবহ পরিণতি ঘটবে।’

হাসনাত আবদুল্লাহর সেই পোস্ট শেয়ার দিয়ে অভিনেতা সালমান মুক্তাদির লিখেছেন, ‘এই যে যা ইচ্ছা তাই বলতে পারছ, অভিযোগ করতে পারছ, নিজের প্রোফাইল থেকে সব শেয়ার করতে পারছ! প্রশ্ন করতে পারছ। এটা ভুলে যেয়ো না। জীবনে কোনো দিন পারো নাই।

এই প্রথম পারছ, ভুলে যেয়ো না।’

তিনি আরো লেখেন, ‘অভিযোগ করো, অবশ্যই করবে। কেন করবে না। কিন্তু তুমি এই বিপ্লবকে কোনো দিন ইগনোর করতে পারবে না। অস্বীকার করতে পারবে  না।

সত্যি বলতে আমি নাহিদকে চিনিও না, জানিও না। কিন্তু আমি খুব ভালো করে জানি আমি অথবা আমরা কয়েক শ মানুষ এখনো বেঁচে আছি ওদের মতো মানুষের ত্যাগের জন্য। তাদের ছাড়া আমাদের অর্ধেকও থাকত না এখন। এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।’