ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে যা বলল যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি সম্মান ও সহিষ্ণুতা দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। সেইসঙ্গে যারা এ স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে এবং সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় উসকানি দেয়, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও চায় ওয়াশিংটন।

ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংকালে বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।

এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছুদিন আগে তার প্রচারাভিযানে বাংলাদেশের হিন্দুদের লক্ষ্য করে পরিচালিত বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। আমার প্রশ্ন হলো হিন্দুদের লক্ষ্য করে এ ধরনের সহিংসতার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কী? কারণ, বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান মুহম্মদ ইউনূস বলেছিলেন, হামলা যদি চলতে থাকে তাহলে তিনি পদত্যাগ করবেন, কিন্তু আমরা দেখছি যে হামলা চলছেই এবং তিনিও স্বপদে বহাল রয়েছেন।

উত্তরে মিলার বলেন, এর আগেও এ ব্যাপারে আমরা কথা বলেছি। বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আমাদের একাধিকবার আলোচনাও হয়েছে। সেসব আলোচনায় আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি যে আমরা চাই ধর্মীয় ও ধর্মপালনের স্বাধীনতাকে বাংলাদেশে সম্মান হোক।

সেই সঙ্গে আমরা আরো চাই যারা হামলা করছে, তাদেরকে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী জবাবদিহিতার আওতায় আনা হোক। এ ইস্যুতে বাংলাদেশ এবং বিশ্বের অন্য যে কোনো দেশ সম্পর্কে আমাদের অবস্থান এটাই।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ অক্টোবর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি স্ট্যাটাস পোস্ট করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই স্ট্যাটাসে বাংলাদেশের কড়া সমালোচনা করে করে বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিস্টান এবং অন্য সংখ্যালঘুদের ওপর বর্বর হামলার কড়া নিন্দা জানাচ্ছি।

তারা উচ্ছৃঙ্খল জনতার দ্বারা হামলা ও লুটের শিকার হচ্ছেন। বাংলাদেশ এখন পুরোপুরি বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে যা বলল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি সম্মান ও সহিষ্ণুতা দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। সেইসঙ্গে যারা এ স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে এবং সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় উসকানি দেয়, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও চায় ওয়াশিংটন।

ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংকালে বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।

এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছুদিন আগে তার প্রচারাভিযানে বাংলাদেশের হিন্দুদের লক্ষ্য করে পরিচালিত বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। আমার প্রশ্ন হলো হিন্দুদের লক্ষ্য করে এ ধরনের সহিংসতার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কী? কারণ, বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান মুহম্মদ ইউনূস বলেছিলেন, হামলা যদি চলতে থাকে তাহলে তিনি পদত্যাগ করবেন, কিন্তু আমরা দেখছি যে হামলা চলছেই এবং তিনিও স্বপদে বহাল রয়েছেন।

উত্তরে মিলার বলেন, এর আগেও এ ব্যাপারে আমরা কথা বলেছি। বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আমাদের একাধিকবার আলোচনাও হয়েছে। সেসব আলোচনায় আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি যে আমরা চাই ধর্মীয় ও ধর্মপালনের স্বাধীনতাকে বাংলাদেশে সম্মান হোক।

সেই সঙ্গে আমরা আরো চাই যারা হামলা করছে, তাদেরকে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী জবাবদিহিতার আওতায় আনা হোক। এ ইস্যুতে বাংলাদেশ এবং বিশ্বের অন্য যে কোনো দেশ সম্পর্কে আমাদের অবস্থান এটাই।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ অক্টোবর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি স্ট্যাটাস পোস্ট করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই স্ট্যাটাসে বাংলাদেশের কড়া সমালোচনা করে করে বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিস্টান এবং অন্য সংখ্যালঘুদের ওপর বর্বর হামলার কড়া নিন্দা জানাচ্ছি।

তারা উচ্ছৃঙ্খল জনতার দ্বারা হামলা ও লুটের শিকার হচ্ছেন। বাংলাদেশ এখন পুরোপুরি বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে।