ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৫০ বছর পর পাকিস্তান থেকে স্বজনদের কাছে ফিরলেন পরী সন্ত্রাসী কার্যক্রম অব্যাহত রাখায় আ.লীগের সঙ্গে সমঝোতার সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা অবিলম্বে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু করতে হবে: নাহিদ ইসলাম হুথি কারা? কেন তারা সৌদি আরবে হামলা চালাচ্ছে? নিজের বাড়ির জানালা সংস্কারে এভাবে অবহেলা করতেন? হামলার ভয়ে এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে: তথ্য উপদেষ্টা জন্মদিনে গাড়ি উপহার দেন মা, সেই গাড়ি দিয়ে সড়কে ৩ জনের প্রাণ নিলেন ছেলে ইন্ডিয়া জোটের পদযাত্রায় দিল্লির রাজপথে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী বাংকারযুক্ত প্রাসাদে অবস্থান বদল সৌদি যুবরাজের!

এবার করাচিতে ১৪৪ ধারা জারি

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ০৩:০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ২২৮ বার পড়া হয়েছে

১১ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের করাচি শহরে বিক্ষোভ, মিছিল ও জনসমাবেশ ঠেকাতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। রোববার (১১ অক্টোবর)জারি করা এ নির্দেশনা অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। জনদুর্ভোগ কমানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

করাচির কমিশনার সৈয়দ হাসান নকভি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শহরের প্রধান সড়ক, মোড় ও গোলচত্বরে বিভিন্ন বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি, মিছিল ও সমাবেশের কারণে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে জননিরাপত্তা নিয়েও গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক অবরোধের কারণে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে এবং হাসপাতালগুলোতে যাতায়াতও কঠিন হয়ে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে করাচি বিভাগের আওতাধীন এলাকায় পাঁচজনের বেশি মানুষের যেকোনো ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

 

প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের জমায়েতের কারণে সড়ক ও জনসাধারণের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি স্বাভাবিক নাগরিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া, যানজট বৃদ্ধি, হাসপাতালে যাতায়াতে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো, জনশান্তি বজায় রাখা, নাগরিকদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি সেবার যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এ বিধিনিষেধ আরোপ করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছে প্রশাসন।

১৪৪ ধারার আওতায় ১১ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচজনের বেশি মানুষের অংশগ্রহণে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ, অবস্থান কর্মসূচি, মিছিল, সমাবেশ আয়োজন, পরিচালনা, সহায়তা কিংবা অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

 

পাকিস্তানের ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ১৪৪ ধারা অনুযায়ী, স্থানীয় প্রশাসন জনসমাবেশ, মিছিল, বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। এ ধারায় প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শনও নিষিদ্ধ করা যায়।

করাচি প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাই এ নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য।

 

পাকিস্তান

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ বছর পর পাকিস্তান থেকে স্বজনদের কাছে ফিরলেন পরী

এবার করাচিতে ১৪৪ ধারা জারি

আপডেট সময় : ০৩:০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

পাকিস্তানের করাচি শহরে বিক্ষোভ, মিছিল ও জনসমাবেশ ঠেকাতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। রোববার (১১ অক্টোবর)জারি করা এ নির্দেশনা অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। জনদুর্ভোগ কমানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

করাচির কমিশনার সৈয়দ হাসান নকভি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শহরের প্রধান সড়ক, মোড় ও গোলচত্বরে বিভিন্ন বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি, মিছিল ও সমাবেশের কারণে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে জননিরাপত্তা নিয়েও গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক অবরোধের কারণে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে এবং হাসপাতালগুলোতে যাতায়াতও কঠিন হয়ে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে করাচি বিভাগের আওতাধীন এলাকায় পাঁচজনের বেশি মানুষের যেকোনো ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

 

প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের জমায়েতের কারণে সড়ক ও জনসাধারণের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি স্বাভাবিক নাগরিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া, যানজট বৃদ্ধি, হাসপাতালে যাতায়াতে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো, জনশান্তি বজায় রাখা, নাগরিকদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি সেবার যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এ বিধিনিষেধ আরোপ করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছে প্রশাসন।

১৪৪ ধারার আওতায় ১১ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচজনের বেশি মানুষের অংশগ্রহণে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ, অবস্থান কর্মসূচি, মিছিল, সমাবেশ আয়োজন, পরিচালনা, সহায়তা কিংবা অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

 

পাকিস্তানের ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ১৪৪ ধারা অনুযায়ী, স্থানীয় প্রশাসন জনসমাবেশ, মিছিল, বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। এ ধারায় প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শনও নিষিদ্ধ করা যায়।

করাচি প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাই এ নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য।

 

পাকিস্তান