ঢাকা ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

শ্রম আইনের ‘জেন্ডার’ শব্দ বাতিলের দাবি ৩৩০ বিশিষ্টজনের

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধনে যুক্ত হওয়া ‘জেন্ডার’, ‘জেন্ডার পরিচয়’ ও ‘জেন্ডার অভিব্যক্তি’সহ কয়েকটি পরিভাষা বাতিল বা সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের ৩৩০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। 

তাদের মতে, এসব শব্দের সুস্পষ্ট আইনি সংজ্ঞা না থাকায় ভবিষ্যতে বিভ্রান্তি ও বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে।

মঙ্গলবার (১২ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ দাবি জানান। মূল্যবোধ আন্দোলনের মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মাদ সাদাতের সই করা বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রম আইন হওয়া উচিত শ্রমিকের অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা নিশ্চিতের বাস্তবভিত্তিক আইন। সেখানে অস্পষ্ট ও বিতর্কিত মতাদর্শিক পরিভাষা সংযোজন সমাজে বিভাজন ও মূল্যবোধগত সংঘাত তৈরি করতে পারে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর মাধ্যমে শ্রম আইন ২০০৬–এ ‘জেন্ডার’, ‘জেন্ডার পরিচয়’, ‘জেন্ডার অভিব্যক্তি’ ও ‘জেন্ডারভিত্তিক অন্যান্য আচরণ’ শব্দগুলো যুক্ত করা হলেও এসবের কোনো স্পষ্ট আইনি সংজ্ঞা দেওয়া হয়নি। ফলে ভিন্ন ব্যাখ্যা ও প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

স্বাক্ষরকারীরা দাবি করেন, এ ধরনের অস্পষ্টতা নারীদের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে দেশের ধর্মীয় অনুভূতি, সামাজিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

বিবৃতিতে শ্রম আইনে ব্যবহৃত ‘লিঙ্গ’ ও ‘জেন্ডার’ শব্দের সুস্পষ্ট আইনগত সংজ্ঞা নির্ধারণ এবং বিতর্কিত ও অসংজ্ঞায়িত পরিভাষা সংশোধন বা অপসারণের দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ, মূল্যবোধ আন্দোলনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, সাংবাদিক আলী হাসান তৈয়বসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীরা।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শ্রম আইনের ‘জেন্ডার’ শব্দ বাতিলের দাবি ৩৩০ বিশিষ্টজনের

আপডেট সময় : ১১:৪৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধনে যুক্ত হওয়া ‘জেন্ডার’, ‘জেন্ডার পরিচয়’ ও ‘জেন্ডার অভিব্যক্তি’সহ কয়েকটি পরিভাষা বাতিল বা সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের ৩৩০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। 

তাদের মতে, এসব শব্দের সুস্পষ্ট আইনি সংজ্ঞা না থাকায় ভবিষ্যতে বিভ্রান্তি ও বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে।

মঙ্গলবার (১২ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ দাবি জানান। মূল্যবোধ আন্দোলনের মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মাদ সাদাতের সই করা বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রম আইন হওয়া উচিত শ্রমিকের অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা নিশ্চিতের বাস্তবভিত্তিক আইন। সেখানে অস্পষ্ট ও বিতর্কিত মতাদর্শিক পরিভাষা সংযোজন সমাজে বিভাজন ও মূল্যবোধগত সংঘাত তৈরি করতে পারে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর মাধ্যমে শ্রম আইন ২০০৬–এ ‘জেন্ডার’, ‘জেন্ডার পরিচয়’, ‘জেন্ডার অভিব্যক্তি’ ও ‘জেন্ডারভিত্তিক অন্যান্য আচরণ’ শব্দগুলো যুক্ত করা হলেও এসবের কোনো স্পষ্ট আইনি সংজ্ঞা দেওয়া হয়নি। ফলে ভিন্ন ব্যাখ্যা ও প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

স্বাক্ষরকারীরা দাবি করেন, এ ধরনের অস্পষ্টতা নারীদের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে দেশের ধর্মীয় অনুভূতি, সামাজিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

বিবৃতিতে শ্রম আইনে ব্যবহৃত ‘লিঙ্গ’ ও ‘জেন্ডার’ শব্দের সুস্পষ্ট আইনগত সংজ্ঞা নির্ধারণ এবং বিতর্কিত ও অসংজ্ঞায়িত পরিভাষা সংশোধন বা অপসারণের দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ, মূল্যবোধ আন্দোলনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, সাংবাদিক আলী হাসান তৈয়বসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীরা।