ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

লেবাননে শান্তি ফেরাতে মুসলিমদের ভােট চাইলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

দুয়ারে কড়া নাড়ছে মার্কিন নির্বাচন, বাকি আর কয়েকদিন। লেবাননে শান্তি ফেরাতে মুসলিম ভোটারদের কাছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোট চেয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ভোটারদের কাছে ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি, মধ্যপ্রাচ্যে আমি আক্ষরিক অর্থে শান্তি ফেরাতে চাই। লেবাননে ধ্বংস এবং দুভোর্গ কমিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চাই।

এবার এমন সময় মার্কিন নির্বাচন হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্য অস্থির। ১ বছর ধরে চলা গাজায় রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ তো থামেইনি বরং যুদ্ধ বেঁধেছে লেবাননে। আরব বংশোদ্ভূত আমেরিকান এবং মুসলিম ভোটাররা গাজা এবং লেবাননে ইসরায়েলের হামলা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

৩০ অক্টোবর (বুধবার) এক্স হ্যান্ডলে ট্রাম্প লিখেছেন, আমার প্রশাসনের সময়, আমরা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বজায় রেখেছি এবং খুব শীঘ্রই আমরা আবার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনব।

ট্রাম্প বলেন, আমি কমলা হ্যারিস এবং জো বাইডেনের কারণে সৃষ্ট সমস্যার সমাধান করব এবং লেবাননে দুর্ভোগ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড বন্ধ করব। আমি মধ্যপ্রাচ্যে প্রকৃত শান্তি দেখতে চাই। সেখানে একটি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করব।

ট্রাম্প আরো লিখেছেন, আমি লেবাননে আপনার বন্ধুবান্ধব এবং পরিবার তাদের প্রতিবেশীদের সঙ্গে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করার যোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই। এটি শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতার মাধ্যমেই সম্ভব।

আমি আশাবাদী লেবাননের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত লেবানিজ সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করে শান্তির জন্য আমাকে ভোট দিন।

গত ১ বছর ধরে গাজায় চলা ইসরাইলের অবর্ণনীয় নিষ্ঠুরতায় ৪৩ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ১ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি।

এ বছরের সেপ্টেম্বর থেকে লেবাননেও অভিযান শুরু করে ইসরাইল। এমন পরিস্থিতিতে মুসলিম ভোটাররা হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিতে পারে। আর তাই মুসলিম ভোটারদের টানতে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা দুজনই।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লেবাননে শান্তি ফেরাতে মুসলিমদের ভােট চাইলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট সময় : ১০:০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৪

দুয়ারে কড়া নাড়ছে মার্কিন নির্বাচন, বাকি আর কয়েকদিন। লেবাননে শান্তি ফেরাতে মুসলিম ভোটারদের কাছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোট চেয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ভোটারদের কাছে ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি, মধ্যপ্রাচ্যে আমি আক্ষরিক অর্থে শান্তি ফেরাতে চাই। লেবাননে ধ্বংস এবং দুভোর্গ কমিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চাই।

এবার এমন সময় মার্কিন নির্বাচন হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্য অস্থির। ১ বছর ধরে চলা গাজায় রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ তো থামেইনি বরং যুদ্ধ বেঁধেছে লেবাননে। আরব বংশোদ্ভূত আমেরিকান এবং মুসলিম ভোটাররা গাজা এবং লেবাননে ইসরায়েলের হামলা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

৩০ অক্টোবর (বুধবার) এক্স হ্যান্ডলে ট্রাম্প লিখেছেন, আমার প্রশাসনের সময়, আমরা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বজায় রেখেছি এবং খুব শীঘ্রই আমরা আবার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনব।

ট্রাম্প বলেন, আমি কমলা হ্যারিস এবং জো বাইডেনের কারণে সৃষ্ট সমস্যার সমাধান করব এবং লেবাননে দুর্ভোগ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড বন্ধ করব। আমি মধ্যপ্রাচ্যে প্রকৃত শান্তি দেখতে চাই। সেখানে একটি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করব।

ট্রাম্প আরো লিখেছেন, আমি লেবাননে আপনার বন্ধুবান্ধব এবং পরিবার তাদের প্রতিবেশীদের সঙ্গে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করার যোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই। এটি শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতার মাধ্যমেই সম্ভব।

আমি আশাবাদী লেবাননের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত লেবানিজ সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করে শান্তির জন্য আমাকে ভোট দিন।

গত ১ বছর ধরে গাজায় চলা ইসরাইলের অবর্ণনীয় নিষ্ঠুরতায় ৪৩ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ১ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি।

এ বছরের সেপ্টেম্বর থেকে লেবাননেও অভিযান শুরু করে ইসরাইল। এমন পরিস্থিতিতে মুসলিম ভোটাররা হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিতে পারে। আর তাই মুসলিম ভোটারদের টানতে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা দুজনই।