ঢাকা ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

সংস্কৃতি মন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী।

রোববার (৩ মে) বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নেপালের উপ-মিশন প্রধান মিজ লালিতা সিওয়াল উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকারে তারা দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান গভীর ঐতিহাসিক, দীর্ঘস্থায়ী সভ্যতা ও ধর্মীয় বন্ধনের কথা স্মরণ করেন এবং দ্বিপাক্ষিক সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন। তারা বিশেষ করে, বর্তমানে চলমান ‘সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচি (সিইপি) ২০২২-২০২৫’ এর মেয়াদ শেষ হতে চলায় এটি নবায়ন ও এর পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত আগামী ১৫ মে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে দূতাবাস ও বাংলাদেশ-নেপাল ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠেয় ‘নেপাল উৎসব’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য মন্ত্রীকে সাদর আমন্ত্রণ জানান।

রাষ্ট্রদূত জানান, এই উৎসবে নেপালের পোখরা একাডেমি থেকে আগত একটি শিল্পী দল সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেবে এবং নেপালি খাবারের বৈচিত্র্য তুলে ধরা হবে।

সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। দুই দেশের শিল্পকলা, ঐতিহ্য এবং সাহিত্যের আদান-প্রদান আমাদের জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।

তিনি ডিজিটাল সংস্কৃতি, সৃজনশীল শিল্প এবং বিমূর্ত ঐতিহ্য অন্তর্ভুক্ত করে একটি আধুনিক ও সময়োপযোগী নতুন ‘সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি’ (সিইপি) প্রণয়নের ওপর জোর দেন। মন্ত্রী এ সময় বাংলা একাডেমি ও নেপাল একাডেমির মধ্যে সাহিত্যিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করার এবং উভয় দেশের সাহিত্যকর্ম অনুবাদের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রদূত ঘ্যানশ্যাম ভান্ডারী বাংলাদেশের উষ্ণ আতিথেয়তার প্রশংসা করে বলেন, নেপাল সবসময়ই বাংলাদেশের সাথে সাংস্কৃতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। তিনি ঢাকার ‘এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী’তে (Asian Art Biennale) নেপালের নিয়মিত অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন এবং হেরিটেজ ট্যুরিজম বা সাংস্কৃতিক পর্যটন প্রসারে যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাব দেন।

বৈঠকে দুই দেশের শিল্পী, গবেষক ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের নিয়মিত সফর বিনিময় এবং যৌথ প্রদর্শনী আয়োজনের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।

সাক্ষাৎকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নেপাল দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংস্কৃতি মন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপডেট সময় : ১২:৩৩:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী।

রোববার (৩ মে) বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নেপালের উপ-মিশন প্রধান মিজ লালিতা সিওয়াল উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকারে তারা দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান গভীর ঐতিহাসিক, দীর্ঘস্থায়ী সভ্যতা ও ধর্মীয় বন্ধনের কথা স্মরণ করেন এবং দ্বিপাক্ষিক সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন। তারা বিশেষ করে, বর্তমানে চলমান ‘সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচি (সিইপি) ২০২২-২০২৫’ এর মেয়াদ শেষ হতে চলায় এটি নবায়ন ও এর পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত আগামী ১৫ মে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে দূতাবাস ও বাংলাদেশ-নেপাল ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠেয় ‘নেপাল উৎসব’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য মন্ত্রীকে সাদর আমন্ত্রণ জানান।

রাষ্ট্রদূত জানান, এই উৎসবে নেপালের পোখরা একাডেমি থেকে আগত একটি শিল্পী দল সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেবে এবং নেপালি খাবারের বৈচিত্র্য তুলে ধরা হবে।

সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। দুই দেশের শিল্পকলা, ঐতিহ্য এবং সাহিত্যের আদান-প্রদান আমাদের জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।

তিনি ডিজিটাল সংস্কৃতি, সৃজনশীল শিল্প এবং বিমূর্ত ঐতিহ্য অন্তর্ভুক্ত করে একটি আধুনিক ও সময়োপযোগী নতুন ‘সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি’ (সিইপি) প্রণয়নের ওপর জোর দেন। মন্ত্রী এ সময় বাংলা একাডেমি ও নেপাল একাডেমির মধ্যে সাহিত্যিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করার এবং উভয় দেশের সাহিত্যকর্ম অনুবাদের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রদূত ঘ্যানশ্যাম ভান্ডারী বাংলাদেশের উষ্ণ আতিথেয়তার প্রশংসা করে বলেন, নেপাল সবসময়ই বাংলাদেশের সাথে সাংস্কৃতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। তিনি ঢাকার ‘এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী’তে (Asian Art Biennale) নেপালের নিয়মিত অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন এবং হেরিটেজ ট্যুরিজম বা সাংস্কৃতিক পর্যটন প্রসারে যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাব দেন।

বৈঠকে দুই দেশের শিল্পী, গবেষক ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের নিয়মিত সফর বিনিময় এবং যৌথ প্রদর্শনী আয়োজনের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।

সাক্ষাৎকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নেপাল দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।