ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ইরানে হামলা চালাতে কংগ্রেসের অনুমতি চেয়েছেন ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আমেরিকার যে সংঘাত শুরু হয়েছিল, তা সমাপ্ত হয়েছে। গত ৭ এপ্রিল থেকে দু’পক্ষের মধ্যে আর কোনও হামলা বা গুলি বিনিময় হয়নি।

মার্কিন কংগ্রেসকে চিঠি লিখে শুক্রবার এমনটাই জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন আইন অনুযায়ী, শুক্রবারই যুদ্ধের সময়সীমা শেষ হয়েছে।

এর পরেও যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এখনও ট্রাম্প তা পাননি। তাই শুক্রবার কংগ্রেসকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ প্রসঙ্গে চিঠিটি লিখেছেন তিনি।

১৯৭৩ সালের যুদ্ধ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী, মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া শুরু হওয়া যেকোনো যুদ্ধের ক্ষেত্রে ৬০ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত।

প্রেসিডেন্ট তার ক্ষমতাবলে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। ওই সময়সীমা পর্যন্ত সংঘাত চালিয়ে যেতে পারেন তিনি। এরপর সেনা প্রত্যাহারের জন্য অতিরিক্ত ৩০ দিন সময় আরো নিতে পারেন।

ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষের ক্ষেত্রে ৬০ দিনের সময়সীমা শুক্রবারই শেষ হয়েছে। ট্রাম্প চিঠি লেখার আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ গত বৃহস্পতিবার সিনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটিকে যুদ্ধ প্রসঙ্গে বয়ান দিয়েছিলেন। তার কথাগুলিই কংগ্রেসকে লেখা চিঠিতে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।

তবে ৬০ দিনের মধ্যে সংঘর্ষ থামানোর নিয়মটি নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে অসন্তোষও প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।

তিনি জানিয়েছেন, এটি ‘অসাংবিধানিক’ বলে তিনি মনে করেন। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন ডেমোক্র্যাটরা।

তাদের দাবি, ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষ আদৌ থামেনি। ট্রাম্প যে দাবি করছেন কংগ্রেসের কাছে, তার সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নেই। হাজার হাজার মার্কিন সৈন্য এখনও পশ্চিম এশিয়ায় রয়ে গিয়েছেন।

হরমুজ প্রণালি নিয়েও জট কাটেনি। যেকোনো মুহূর্তে ইরানের সঙ্গে পরিস্থিতি ফের বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। হরমুজ প্রণালির পণ্য পরিবহনে বাধার কারণে জিনিসপত্রের দামও বেড়ে চলেছে বলে দাবি করেছেন ডেমোক্র্যাটেরা।

আমেরিকা ও ইরানের সংঘর্ষে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। তবে এখনও সাফল্য মেলেনি। ইসলামাবাদে আয়োজিত প্রথম দফার বৈঠক ব্যর্থ হয়। ২১ ঘণ্টা আলোচনার পরেও সমঝোতায় আসতে পারেননি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

তারপর থেকে দ্বিতীয় দফার আলোচনা আয়োজনের চেষ্টা চলছে। দু’পক্ষের প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদেও গিয়েছে। তবে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার কোনো ঘোষণা আসেনি।

হরমুজে ইরান থেকে আসা বা যাওয়া পণ্যে অবরোধ এখনও চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানে হামলা চালাতে কংগ্রেসের অনুমতি চেয়েছেন ট্রাম্প

আপডেট সময় : ১২:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

ইরানের সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আমেরিকার যে সংঘাত শুরু হয়েছিল, তা সমাপ্ত হয়েছে। গত ৭ এপ্রিল থেকে দু’পক্ষের মধ্যে আর কোনও হামলা বা গুলি বিনিময় হয়নি।

মার্কিন কংগ্রেসকে চিঠি লিখে শুক্রবার এমনটাই জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন আইন অনুযায়ী, শুক্রবারই যুদ্ধের সময়সীমা শেষ হয়েছে।

এর পরেও যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এখনও ট্রাম্প তা পাননি। তাই শুক্রবার কংগ্রেসকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ প্রসঙ্গে চিঠিটি লিখেছেন তিনি।

১৯৭৩ সালের যুদ্ধ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী, মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া শুরু হওয়া যেকোনো যুদ্ধের ক্ষেত্রে ৬০ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত।

প্রেসিডেন্ট তার ক্ষমতাবলে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। ওই সময়সীমা পর্যন্ত সংঘাত চালিয়ে যেতে পারেন তিনি। এরপর সেনা প্রত্যাহারের জন্য অতিরিক্ত ৩০ দিন সময় আরো নিতে পারেন।

ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষের ক্ষেত্রে ৬০ দিনের সময়সীমা শুক্রবারই শেষ হয়েছে। ট্রাম্প চিঠি লেখার আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ গত বৃহস্পতিবার সিনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটিকে যুদ্ধ প্রসঙ্গে বয়ান দিয়েছিলেন। তার কথাগুলিই কংগ্রেসকে লেখা চিঠিতে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।

তবে ৬০ দিনের মধ্যে সংঘর্ষ থামানোর নিয়মটি নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে অসন্তোষও প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।

তিনি জানিয়েছেন, এটি ‘অসাংবিধানিক’ বলে তিনি মনে করেন। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন ডেমোক্র্যাটরা।

তাদের দাবি, ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষ আদৌ থামেনি। ট্রাম্প যে দাবি করছেন কংগ্রেসের কাছে, তার সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নেই। হাজার হাজার মার্কিন সৈন্য এখনও পশ্চিম এশিয়ায় রয়ে গিয়েছেন।

হরমুজ প্রণালি নিয়েও জট কাটেনি। যেকোনো মুহূর্তে ইরানের সঙ্গে পরিস্থিতি ফের বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। হরমুজ প্রণালির পণ্য পরিবহনে বাধার কারণে জিনিসপত্রের দামও বেড়ে চলেছে বলে দাবি করেছেন ডেমোক্র্যাটেরা।

আমেরিকা ও ইরানের সংঘর্ষে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। তবে এখনও সাফল্য মেলেনি। ইসলামাবাদে আয়োজিত প্রথম দফার বৈঠক ব্যর্থ হয়। ২১ ঘণ্টা আলোচনার পরেও সমঝোতায় আসতে পারেননি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

তারপর থেকে দ্বিতীয় দফার আলোচনা আয়োজনের চেষ্টা চলছে। দু’পক্ষের প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদেও গিয়েছে। তবে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার কোনো ঘোষণা আসেনি।

হরমুজে ইরান থেকে আসা বা যাওয়া পণ্যে অবরোধ এখনও চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা।