ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

‘ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সামাজিক সংহতি ও ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। আমরা যে যেই ধর্ম মতের হই না কেন, এক সঙ্গে দেশকে গড়বো। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়বো। এটাই তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা। বাংলাদেশের সব নাগরিকের প্রত্যাশা। মত-ভিন্নমত সবকিছু নিয়েই আমরা একসঙ্গে চলবো। সামাজিক সংহতি ও ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো।

শুক্রবার (১ মে) রাতে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে রাজধানীর বাড্ডায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে, বৌদ্ধ সম্প্রদায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বৌদ্ধ ধর্ম সব সময় শিক্ষা সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করেছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের এই বাংলা অঞ্চলে অনেক বিহার ছিল। বৌদ্ধ ধর্ম সব সময় শিক্ষা সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। সেই ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে আমাদের ধারণ করতে হবে। এসব আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ। বৌদ্ধ বিহার ধর্মকেন্দ্র বা প্রার্থনা কেন্দ্র হিসেবে এটি গুরুত্বপূর্ণ।

গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা এখনও প্রাসঙ্গিক উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, গৌতম বুদ্ধ যে অহিংসার বাণী প্রচার করেছিলেন তা আজকের বিশ্বে ও আজকের বাংলাদেশে খুবই প্রাসঙ্গিক। আন্তর্জাতিকভাবে যুদ্ধপরিস্থিতি চলছে। হানাহানি, ঘৃণা, সাম্প্রদায়িকতা এসবের ঊর্ধ্বে উঠে গৌতম বুদ্ধ অহিংসা এবং শান্তির বাণী প্রচার করেছিলেন। আমাদের বিশ্বাস, তার শিক্ষা বিশ্ব নেতৃত্ব এটা অনুসরণ করবে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের উন্নয়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, আন্তর্জাতিক এই বৌদ্ধবিহারকে আরও কীভাবে সমৃদ্ধ করা যায়, অবকাঠামোসহ অন্যান্য সহযোগিতা দেবেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডিমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিশেষ অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বক্তব্য দেন।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সামাজিক সংহতি ও ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে’

আপডেট সময় : ১০:৫১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। আমরা যে যেই ধর্ম মতের হই না কেন, এক সঙ্গে দেশকে গড়বো। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়বো। এটাই তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা। বাংলাদেশের সব নাগরিকের প্রত্যাশা। মত-ভিন্নমত সবকিছু নিয়েই আমরা একসঙ্গে চলবো। সামাজিক সংহতি ও ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো।

শুক্রবার (১ মে) রাতে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে রাজধানীর বাড্ডায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে, বৌদ্ধ সম্প্রদায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বৌদ্ধ ধর্ম সব সময় শিক্ষা সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করেছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের এই বাংলা অঞ্চলে অনেক বিহার ছিল। বৌদ্ধ ধর্ম সব সময় শিক্ষা সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। সেই ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে আমাদের ধারণ করতে হবে। এসব আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ। বৌদ্ধ বিহার ধর্মকেন্দ্র বা প্রার্থনা কেন্দ্র হিসেবে এটি গুরুত্বপূর্ণ।

গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা এখনও প্রাসঙ্গিক উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, গৌতম বুদ্ধ যে অহিংসার বাণী প্রচার করেছিলেন তা আজকের বিশ্বে ও আজকের বাংলাদেশে খুবই প্রাসঙ্গিক। আন্তর্জাতিকভাবে যুদ্ধপরিস্থিতি চলছে। হানাহানি, ঘৃণা, সাম্প্রদায়িকতা এসবের ঊর্ধ্বে উঠে গৌতম বুদ্ধ অহিংসা এবং শান্তির বাণী প্রচার করেছিলেন। আমাদের বিশ্বাস, তার শিক্ষা বিশ্ব নেতৃত্ব এটা অনুসরণ করবে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের উন্নয়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, আন্তর্জাতিক এই বৌদ্ধবিহারকে আরও কীভাবে সমৃদ্ধ করা যায়, অবকাঠামোসহ অন্যান্য সহযোগিতা দেবেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডিমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিশেষ অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বক্তব্য দেন।