ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল ছাত্রদলের দুই পক্ষের হাতাহাতি, তদন্ত কমিটি গঠন

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে ছাত্রদলের দুই পক্ষে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অধ্যক্ষসহ বেশ কয়েকজন বিভাগীয় প্রধান উপস্থিত ছিলেন।

‘সোহরাওয়ার্দী ডে ২০২৬’ উপলক্ষে মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে আলোচনা চলাকালে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং শেষ পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

সোমবার ঘটনা তদন্তে কমিটি করার কথা জানা গেছে।

জানা গেছে, সোহরাওয়ার্দী ডে উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিতব্য প্রোগ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই ঘটনা ঘটে।

এই ডে’র প্রোগ্রামের ঘোষণার পর থেকেই ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) আইন বিষয়ক সম্পাদক ডা. এম. আর হাসানের অনুসারীরা বিভিন্ন বিষয়ে বাগড়া দিচ্ছিলেন। প্রোগ্রাম বানচালের জন্য তার অনুসারীরা আমন্ত্রিত শিল্পী প্রীতম হাসানের ম্যানেজারকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কলেজ ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা দাবি করেন, বেশিরভাগ মিটিংয়ে উপস্থিত না থেকেও উনি সর্বসম্মতিক্রমে মীমাংসিত বিভিন্ন ইস্যু সামনে এনে ঝামেলার সূত্রপাত করেন এবং শক্তিপ্রয়োগের চেষ্টা করেন।

এ সময় ডা. হাসানের অনুসারী ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী সাইফ আলী এবং ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইফতেখার আহমেদ শিহাবের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ইফতেখার আহমেদ শিহাব ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. আউয়ালের অনুসারী হিসাবে ক্যাম্পাসে পরিচিত। পরবর্তীতে প্রিন্সিপাল এবং উপস্থিত শিক্ষকদের আন্তরিকতায় দুই পক্ষই মধ্যস্থতার দিকে আসতে থাকে। এরপরও ডা. হাসান বিভিন্নভাবে মব তৈরির চেষ্টা চালান।

ইফতেখার আহমেদ শিহাবের ভাষ্যমতে, দুই পক্ষের মারামারিকে একপাক্ষিকভাবে প্রচার করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে ক্যাম্পাসে নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে ডা.হাসান এই ঘটনা ঘটিয়েছেন।

জানা গেছে, এই ঘটনার তদন্তে একাডেমিক কাউন্সিল ৯ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। যার প্রধান করা হয় হেমাটোলজির সহযোগী অধ্যাপক ডা. মির্জা গোলাম সারোয়ারকে। এই তদন্ত কমিটিকে ২ সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দাখিল করবার জন্য বলা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আঈনুল ইসলাম খান বলেন, একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় একটি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিটি যে সুপারিশ করবে, আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব।

এ নিয়ে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল ছাত্রদলের দুই পক্ষের হাতাহাতি, তদন্ত কমিটি গঠন

আপডেট সময় : ১২:৩৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে ছাত্রদলের দুই পক্ষে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অধ্যক্ষসহ বেশ কয়েকজন বিভাগীয় প্রধান উপস্থিত ছিলেন।

‘সোহরাওয়ার্দী ডে ২০২৬’ উপলক্ষে মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে আলোচনা চলাকালে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং শেষ পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

সোমবার ঘটনা তদন্তে কমিটি করার কথা জানা গেছে।

জানা গেছে, সোহরাওয়ার্দী ডে উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিতব্য প্রোগ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই ঘটনা ঘটে।

এই ডে’র প্রোগ্রামের ঘোষণার পর থেকেই ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) আইন বিষয়ক সম্পাদক ডা. এম. আর হাসানের অনুসারীরা বিভিন্ন বিষয়ে বাগড়া দিচ্ছিলেন। প্রোগ্রাম বানচালের জন্য তার অনুসারীরা আমন্ত্রিত শিল্পী প্রীতম হাসানের ম্যানেজারকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কলেজ ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা দাবি করেন, বেশিরভাগ মিটিংয়ে উপস্থিত না থেকেও উনি সর্বসম্মতিক্রমে মীমাংসিত বিভিন্ন ইস্যু সামনে এনে ঝামেলার সূত্রপাত করেন এবং শক্তিপ্রয়োগের চেষ্টা করেন।

এ সময় ডা. হাসানের অনুসারী ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী সাইফ আলী এবং ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইফতেখার আহমেদ শিহাবের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ইফতেখার আহমেদ শিহাব ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. আউয়ালের অনুসারী হিসাবে ক্যাম্পাসে পরিচিত। পরবর্তীতে প্রিন্সিপাল এবং উপস্থিত শিক্ষকদের আন্তরিকতায় দুই পক্ষই মধ্যস্থতার দিকে আসতে থাকে। এরপরও ডা. হাসান বিভিন্নভাবে মব তৈরির চেষ্টা চালান।

ইফতেখার আহমেদ শিহাবের ভাষ্যমতে, দুই পক্ষের মারামারিকে একপাক্ষিকভাবে প্রচার করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে ক্যাম্পাসে নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে ডা.হাসান এই ঘটনা ঘটিয়েছেন।

জানা গেছে, এই ঘটনার তদন্তে একাডেমিক কাউন্সিল ৯ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। যার প্রধান করা হয় হেমাটোলজির সহযোগী অধ্যাপক ডা. মির্জা গোলাম সারোয়ারকে। এই তদন্ত কমিটিকে ২ সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দাখিল করবার জন্য বলা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আঈনুল ইসলাম খান বলেন, একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় একটি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিটি যে সুপারিশ করবে, আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব।

এ নিয়ে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।