ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হকারদের জন্য ৬ মাঠে অস্থায়ী মার্কেট গড়ার পরিকল্পনা ডিএনসিসির

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হকারদের জন্য ছয়টি খোলা মাঠে অস্থায়ী মার্কেট গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এসব স্থানে নিবন্ধনের মাধ্যমে হকারদের বসানো হবে এবং নির্দিষ্ট ফি আদায়ের মাধ্যমে স্থানগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে গুলশানের একটি হোটেলে ‘ঢাকা কি মৃত নগরী হতে যাচ্ছে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা জানান ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। সভার আয়োজন করে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশ।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘ফুটপাতে আগে যেখানে ২০০ হকার ছিল, এখন তা বেড়ে প্রায় দুই হাজারে দাঁড়িয়েছে। এতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এমনকি হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দুই শতাংশ মানুষের কারণে ৯৮ শতাংশ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে।’

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, হকারদের জন্য নির্ধারিত জায়গাগুলোতে স্থায়ী স্থাপনা করা যাবে না। চৌকি বা ট্রলির মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে এবং প্রতিদিনের শেষে তা সরিয়ে নিতে হবে। এতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা সম্ভব হবে।

নগর ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবের কথা তুলে ধরে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা যা করি, তার অধিকাংশই সাময়িক। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।’

সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে একটি কর্তৃপক্ষের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে রাজউক চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম, স্থপতি সুজাউল ইসলাম খান, ঢাকা ওয়াসার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদও বক্তব্য দেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফের ২৫ এজেন্সির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার আশঙ্কা বায়রার একাংশের

হকারদের জন্য ৬ মাঠে অস্থায়ী মার্কেট গড়ার পরিকল্পনা ডিএনসিসির

আপডেট সময় : ০১:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হকারদের জন্য ছয়টি খোলা মাঠে অস্থায়ী মার্কেট গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এসব স্থানে নিবন্ধনের মাধ্যমে হকারদের বসানো হবে এবং নির্দিষ্ট ফি আদায়ের মাধ্যমে স্থানগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে গুলশানের একটি হোটেলে ‘ঢাকা কি মৃত নগরী হতে যাচ্ছে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা জানান ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। সভার আয়োজন করে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশ।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘ফুটপাতে আগে যেখানে ২০০ হকার ছিল, এখন তা বেড়ে প্রায় দুই হাজারে দাঁড়িয়েছে। এতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এমনকি হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দুই শতাংশ মানুষের কারণে ৯৮ শতাংশ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে।’

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, হকারদের জন্য নির্ধারিত জায়গাগুলোতে স্থায়ী স্থাপনা করা যাবে না। চৌকি বা ট্রলির মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে এবং প্রতিদিনের শেষে তা সরিয়ে নিতে হবে। এতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা সম্ভব হবে।

নগর ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবের কথা তুলে ধরে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা যা করি, তার অধিকাংশই সাময়িক। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।’

সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে একটি কর্তৃপক্ষের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে রাজউক চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম, স্থপতি সুজাউল ইসলাম খান, ঢাকা ওয়াসার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদও বক্তব্য দেন।