ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

মুর্শিদাবাদে ৩৪৬ মুসলিমের নাগরিকত্ব বাতিলে বিপ্লবী পরিষদের নিন্দা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলায় ৩৪৬ জন মুসলিম নাগরিকের ভোটাধিকার হরণ করে নাগরিকত্ব বাতিলের প্রক্রিয়া শুরুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ। দলটি এ ঘটনাকে প্রতিবেশী ভারতের মুসলমানদের ওপর পরিচালিত ব্যাপকভিত্তিক জাতিগত নিপীড়নের অংশ বলে আখ্যায়িত করেছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক বিবৃতিতে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান বলেন, সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলায় শত শত বছর ধরে বসবাস করা পরিবারের সন্তান ৩৩৬ জন মুসলিম নাগরিকের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে নিজেদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রমাণ করতে বলা হয়েছে। মুর্শিদাবাদের এই পদক্ষেপকে বিচ্ছিন্ন প্রশাসনিক ঘটনা হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। এটি ভারতের মুসলিম জাতিকে চিহ্নিত করে তাদের নাগরিক অধিকার সংকুচিত এবং রাষ্ট্রহীনতার দিকে ঠেলে দেওয়ার একটি কাঠামোগত ও পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

মুর্শিদাবাদে নাগরিকত্ব বাতিলের ফলে সংশ্লিষ্ট ৩৪৬ জন মুসলমানের পরিবার রাষ্ট্রহীন হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছে। বিশেষ করে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ায় তাদের আধার কার্ড নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে। তারা সব মৌলিক নাগরিক অধিকার এবং সেবাসমূহ থেকে বঞ্চিত হয়ে গেছে।

বিবৃতিতে ৩৪৬ জন মুসলিম নাগরিকের ভোটাধিকার ফেরত দেওয়ার দাবি জানান জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান। তিনি বলেন, এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলার অভ্যন্তরীণ ঘটনা হলেও ধর্মীয় জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে মুসলমানদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করায় এটি একটি অভ্যন্তরীণ সংকটে সীমাবদ্ধ নেই। এটি প্রতিবেশী মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশের স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করেছে। বাংলাদেশের মুসলমানেরা ভারতের হিন্দুত্ববাদী নিপীড়নের ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে একের পর এক ভারতের মুসলমানদের নাগরিকত্ব হরণ আন্তর্জাতিক বৈষম্যবিরোধী কনভেনশনগুলোর পরিপন্থি। এর মাধ্যমে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত প্রত্যেক ব্যক্তির জাতীয়তার অধিকার এবং স্বেচ্ছাচারীভাবে কাউকে নাগরিকত্ব বঞ্চিত না করার নিশ্চয়তা লঙ্ঘন করা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মুর্শিদাবাদে ৩৪৬ মুসলিমের নাগরিকত্ব বাতিলে বিপ্লবী পরিষদের নিন্দা

আপডেট সময় : ১১:৫১:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলায় ৩৪৬ জন মুসলিম নাগরিকের ভোটাধিকার হরণ করে নাগরিকত্ব বাতিলের প্রক্রিয়া শুরুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ। দলটি এ ঘটনাকে প্রতিবেশী ভারতের মুসলমানদের ওপর পরিচালিত ব্যাপকভিত্তিক জাতিগত নিপীড়নের অংশ বলে আখ্যায়িত করেছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক বিবৃতিতে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান বলেন, সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলায় শত শত বছর ধরে বসবাস করা পরিবারের সন্তান ৩৩৬ জন মুসলিম নাগরিকের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে নিজেদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রমাণ করতে বলা হয়েছে। মুর্শিদাবাদের এই পদক্ষেপকে বিচ্ছিন্ন প্রশাসনিক ঘটনা হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। এটি ভারতের মুসলিম জাতিকে চিহ্নিত করে তাদের নাগরিক অধিকার সংকুচিত এবং রাষ্ট্রহীনতার দিকে ঠেলে দেওয়ার একটি কাঠামোগত ও পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

মুর্শিদাবাদে নাগরিকত্ব বাতিলের ফলে সংশ্লিষ্ট ৩৪৬ জন মুসলমানের পরিবার রাষ্ট্রহীন হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছে। বিশেষ করে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ায় তাদের আধার কার্ড নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে। তারা সব মৌলিক নাগরিক অধিকার এবং সেবাসমূহ থেকে বঞ্চিত হয়ে গেছে।

বিবৃতিতে ৩৪৬ জন মুসলিম নাগরিকের ভোটাধিকার ফেরত দেওয়ার দাবি জানান জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান। তিনি বলেন, এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলার অভ্যন্তরীণ ঘটনা হলেও ধর্মীয় জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে মুসলমানদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করায় এটি একটি অভ্যন্তরীণ সংকটে সীমাবদ্ধ নেই। এটি প্রতিবেশী মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশের স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করেছে। বাংলাদেশের মুসলমানেরা ভারতের হিন্দুত্ববাদী নিপীড়নের ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে একের পর এক ভারতের মুসলমানদের নাগরিকত্ব হরণ আন্তর্জাতিক বৈষম্যবিরোধী কনভেনশনগুলোর পরিপন্থি। এর মাধ্যমে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত প্রত্যেক ব্যক্তির জাতীয়তার অধিকার এবং স্বেচ্ছাচারীভাবে কাউকে নাগরিকত্ব বঞ্চিত না করার নিশ্চয়তা লঙ্ঘন করা হচ্ছে।