ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

‘উইচ্যাটে’ প্রেম, বাংলাদেশি তরুণীর টানে ছুটে এলেন চীনা তরুণ

ইন্টারনেট যে পুরো পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে, তারই ছোট্ট নজির দেখালেন মুন্সীগঞ্জের তরুণী সাহারা আক্তার। স্মার্টফোনের একটি অ্যাপস থেকে পরিচয়ের সূত্র ধরে চীনের এক তরুণের সাথেই বিয়ে করেছেন তিনি।

প্রেমের টানে চীন থেকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় ছুটে এসেছেন চীনা নাগরিক ইয়ং ডিলি (২৮)। রবিবার বেলা ১১টার দিকে তিনি উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে সাহারা আক্তারের (২০) বাড়িতে আসেন। দিনভর দুই পরিবারের আলোচনা ও প্রস্তুতির পর সন্ধ্যার পরে মুসলিম রীতি অনুযায়ী তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘উইচ্যাট’র মাধ্যমে প্রায় এক বছর আগে ইয়ং ডিলি ও সাহার আক্তারের পরিচয় হয়। শুরুতে বন্ধুত্ব, পরে সেই সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে। দীর্ঘদিন অনলাইনে যোগাযোগের পর অবশেষে এক মাসের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে আসেন ইয়ং ডিলি।

রবিবার সকালে রসুলপুর গ্রামে পৌঁছালে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। বিদেশি নাগরিককে দেখতে আশপাশের মানুষজন সাহারের বাড়িতে ভিড় করেন। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে সন্ধ্যার পর কাজী ডেকে মুসলিম রীতিতে তাদের আকদ সম্পন্ন করা হয়।

সাহারা আক্তারের পরিবার জানায়, শুরুতে বিষয়টি নিয়ে তারা কিছুটা দুশ্চিন্তায় ছিলেন। তবে দীর্ঘদিন যোগাযোগ, ভিডিও কল এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে তারা আশ্বস্ত হন। ইয়ং ডিলিও ইসলাম ধর্ম ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে আগ্রহ দেখান বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বলেন, বিদেশি নাগরিক বিয়ে করতে আসায় এলাকায় বেশ সাড়া পড়েছে। তবে সবকিছু আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জানা গেছে, ইয়ং ডিলি বর্তমানে এক মাসের ভিসায় বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। বিয়ের পর কিছুদিন স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকবেন। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন করে দম্পতি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঠিক করবেন।

প্রেমের টানে সীমান্ত পেরিয়ে দুই ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের এই মিলন এখন সিরাজদিখানে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘উইচ্যাটে’ প্রেম, বাংলাদেশি তরুণীর টানে ছুটে এলেন চীনা তরুণ

আপডেট সময় : ০৩:০০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

ইন্টারনেট যে পুরো পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে, তারই ছোট্ট নজির দেখালেন মুন্সীগঞ্জের তরুণী সাহারা আক্তার। স্মার্টফোনের একটি অ্যাপস থেকে পরিচয়ের সূত্র ধরে চীনের এক তরুণের সাথেই বিয়ে করেছেন তিনি।

প্রেমের টানে চীন থেকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় ছুটে এসেছেন চীনা নাগরিক ইয়ং ডিলি (২৮)। রবিবার বেলা ১১টার দিকে তিনি উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে সাহারা আক্তারের (২০) বাড়িতে আসেন। দিনভর দুই পরিবারের আলোচনা ও প্রস্তুতির পর সন্ধ্যার পরে মুসলিম রীতি অনুযায়ী তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘উইচ্যাট’র মাধ্যমে প্রায় এক বছর আগে ইয়ং ডিলি ও সাহার আক্তারের পরিচয় হয়। শুরুতে বন্ধুত্ব, পরে সেই সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে। দীর্ঘদিন অনলাইনে যোগাযোগের পর অবশেষে এক মাসের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে আসেন ইয়ং ডিলি।

রবিবার সকালে রসুলপুর গ্রামে পৌঁছালে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। বিদেশি নাগরিককে দেখতে আশপাশের মানুষজন সাহারের বাড়িতে ভিড় করেন। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে সন্ধ্যার পর কাজী ডেকে মুসলিম রীতিতে তাদের আকদ সম্পন্ন করা হয়।

সাহারা আক্তারের পরিবার জানায়, শুরুতে বিষয়টি নিয়ে তারা কিছুটা দুশ্চিন্তায় ছিলেন। তবে দীর্ঘদিন যোগাযোগ, ভিডিও কল এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে তারা আশ্বস্ত হন। ইয়ং ডিলিও ইসলাম ধর্ম ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে আগ্রহ দেখান বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বলেন, বিদেশি নাগরিক বিয়ে করতে আসায় এলাকায় বেশ সাড়া পড়েছে। তবে সবকিছু আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জানা গেছে, ইয়ং ডিলি বর্তমানে এক মাসের ভিসায় বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। বিয়ের পর কিছুদিন স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকবেন। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন করে দম্পতি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঠিক করবেন।

প্রেমের টানে সীমান্ত পেরিয়ে দুই ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের এই মিলন এখন সিরাজদিখানে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।