ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ইউক্রেনকে পারমাণবিক অস্ত্র দিলে পাল্টা হামলা চালাবে রাশিয়া

ইউক্রেনের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র তুলে দেওয়া হলে রাশিয়া পাল্টা পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে বলে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে মস্কো। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ও নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স যদি ইউক্রেনকে পারমাণবিক ওয়ারহেড সরবরাহ করে, তাহলে তা সরাসরি যুদ্ধরত একটি দেশের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র তুলে দেওয়ার শামিল হবে। এর জবাবে রাশিয়া কৌশলগত নয় এমন পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পথেও যেতে পারে।

তুরস্কভিত্তিক বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ইউক্রেনকে পারমাণবিক অস্ত্র দেওয়ার সম্ভাবনা ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। মঙ্গলবার মস্কোয় এক বক্তব্যে মেদভেদেভ বলেন, লন্ডন ও প্যারিস এমন সিদ্ধান্ত নিলে রাশিয়া ‘নন-স্ট্র্যাটেজিক’ বা স্বল্প পাল্লার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে বাধ্য হতে পারে।

মেসেঞ্জার অ্যাপে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা এসভিআর-এর তথ্যে জানা গেছে, ইউক্রেনকে পারমাণবিক অস্ত্র দেওয়ার গোপন পরিকল্পনায় ব্রিটেন ও ফ্রান্স জড়িত। তাঁর ভাষ্য, এমন পদক্ষেপের অর্থ হবে সরাসরি যুদ্ধরত একটি দেশের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র তুলে দেওয়া, যা পরিস্থিতিকে আমূল বদলে দিতে পারে।

মেদভেদেভ আরও বলেন, রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে হলে ইউক্রেনের ভেতরে যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হতে পারে। প্রয়োজনে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটিকে তিনি ‘সমমাপের প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

এদিকে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ আলাদা বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের পরিকল্পনা বৈশ্বিক পারমাণবিক বিস্তাররোধ ব্যবস্থার জন্য বড় হুমকি এবং আন্তর্জাতিক আইন ও নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন।

উল্লেখ্য, মেদভেদেভ ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং পরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে দেখা হয়।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইউক্রেনের পক্ষে শুরু থেকেই সরব ভূমিকা রেখে আসছে ব্রিটেন ও ফ্রান্স।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইউক্রেনকে পারমাণবিক অস্ত্র দিলে পাল্টা হামলা চালাবে রাশিয়া

আপডেট সময় : ০২:৫৪:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইউক্রেনের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র তুলে দেওয়া হলে রাশিয়া পাল্টা পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে বলে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে মস্কো। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ও নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স যদি ইউক্রেনকে পারমাণবিক ওয়ারহেড সরবরাহ করে, তাহলে তা সরাসরি যুদ্ধরত একটি দেশের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র তুলে দেওয়ার শামিল হবে। এর জবাবে রাশিয়া কৌশলগত নয় এমন পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পথেও যেতে পারে।

তুরস্কভিত্তিক বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ইউক্রেনকে পারমাণবিক অস্ত্র দেওয়ার সম্ভাবনা ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। মঙ্গলবার মস্কোয় এক বক্তব্যে মেদভেদেভ বলেন, লন্ডন ও প্যারিস এমন সিদ্ধান্ত নিলে রাশিয়া ‘নন-স্ট্র্যাটেজিক’ বা স্বল্প পাল্লার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে বাধ্য হতে পারে।

মেসেঞ্জার অ্যাপে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা এসভিআর-এর তথ্যে জানা গেছে, ইউক্রেনকে পারমাণবিক অস্ত্র দেওয়ার গোপন পরিকল্পনায় ব্রিটেন ও ফ্রান্স জড়িত। তাঁর ভাষ্য, এমন পদক্ষেপের অর্থ হবে সরাসরি যুদ্ধরত একটি দেশের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র তুলে দেওয়া, যা পরিস্থিতিকে আমূল বদলে দিতে পারে।

মেদভেদেভ আরও বলেন, রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে হলে ইউক্রেনের ভেতরে যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হতে পারে। প্রয়োজনে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটিকে তিনি ‘সমমাপের প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

এদিকে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ আলাদা বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের পরিকল্পনা বৈশ্বিক পারমাণবিক বিস্তাররোধ ব্যবস্থার জন্য বড় হুমকি এবং আন্তর্জাতিক আইন ও নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন।

উল্লেখ্য, মেদভেদেভ ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং পরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে দেখা হয়।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইউক্রেনের পক্ষে শুরু থেকেই সরব ভূমিকা রেখে আসছে ব্রিটেন ও ফ্রান্স।