ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের কৌশল হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরি মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে ক্যারিবীয় সাগরে মোতায়েন থাকা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও সর্বাধুনিক রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পেন্টাগন।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এর ফলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর শক্তি দ্বিগুণ হতে যাচ্ছে।

এর আগে গত ২২ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের দিকে একটি ‘আরমাডা’ (সশস্ত্র নৌবহর) এগিয়ে যাচ্ছে। ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন নামের ওই যুদ্ধজাহাজটি বর্তমানে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে আরও তিনটি ডেস্ট্রয়ার জাহাজ।

সম্প্রতি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ওমানে পরোক্ষ আলোচনা চললেও তাতে বড় কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছেন।

গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরান যদি পরমাণু চুক্তিতে না আসে, তবে ফলাফল হবে ‘খুবই ভয়ানক’। ধারণা করা হচ্ছে, এই হুমকি বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই জেরাল্ড আর ফোর্ডকে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের সঙ্গে যোগ দিতে পাঠানো হচ্ছে।

গত জানুয়ারি মাসে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে ধরার অভিযানে অংশ নিয়েছিল এই জেরাল্ড আর ফোর্ড। ক্যারিবীয় অঞ্চলে কাজ শেষ হতেই এবার এটিকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

পারমাণবিক শক্তিচালিত এই বিশাল রণতরি ৭৫টির বেশি যুদ্ধবিমান বহন করতে পারে। এর সঙ্গে থাকবে গাইডেড-মিসাইল ক্রুজার ‘নরম্যান্ডি’ এবং আরও কয়েকটি ডেস্ট্রয়ার। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে জাহাজটির অন্তত এক সপ্তাহ লাগতে পারে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের কৌশল হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরি মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে ক্যারিবীয় সাগরে মোতায়েন থাকা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও সর্বাধুনিক রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পেন্টাগন।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এর ফলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর শক্তি দ্বিগুণ হতে যাচ্ছে।

এর আগে গত ২২ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের দিকে একটি ‘আরমাডা’ (সশস্ত্র নৌবহর) এগিয়ে যাচ্ছে। ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন নামের ওই যুদ্ধজাহাজটি বর্তমানে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে আরও তিনটি ডেস্ট্রয়ার জাহাজ।

সম্প্রতি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ওমানে পরোক্ষ আলোচনা চললেও তাতে বড় কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছেন।

গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরান যদি পরমাণু চুক্তিতে না আসে, তবে ফলাফল হবে ‘খুবই ভয়ানক’। ধারণা করা হচ্ছে, এই হুমকি বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই জেরাল্ড আর ফোর্ডকে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের সঙ্গে যোগ দিতে পাঠানো হচ্ছে।

গত জানুয়ারি মাসে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে ধরার অভিযানে অংশ নিয়েছিল এই জেরাল্ড আর ফোর্ড। ক্যারিবীয় অঞ্চলে কাজ শেষ হতেই এবার এটিকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

পারমাণবিক শক্তিচালিত এই বিশাল রণতরি ৭৫টির বেশি যুদ্ধবিমান বহন করতে পারে। এর সঙ্গে থাকবে গাইডেড-মিসাইল ক্রুজার ‘নরম্যান্ডি’ এবং আরও কয়েকটি ডেস্ট্রয়ার। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে জাহাজটির অন্তত এক সপ্তাহ লাগতে পারে।