ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

কাঠামোগত দুর্বলতায় গণভোটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

গণভোটের বিদ্যমান কাঠামো ও সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশের দুর্বলতার কারণে এর ফলাফল নিয়ে গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন উঠতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচনী এলাকায় ‘সবুজ সমাজের পরিস্থিতি ও প্রত্যাশা : প্রার্থী ও ভোটার জরিপের ফলাফল’ শীর্ষক এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সিপিডি পরিচালক।

গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন এবং ইশতেহার ঘোষণা করে ভোটারদের সামনে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন। একইসঙ্গে একটি কথা বলা জরুরি, জাতীয় নির্বাচন যেই অর্থে অন্তর্ভুক্তিমূলক হওয়া প্রয়োজন, বাস্তবে সেই অর্থে অন্তর্ভুক্তিমূলক বলা যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, গণভোটের কাঠামো ও অধ্যাদেশে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতার কারণে এর ফলাফল নিয়েও গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন থাকতে পারে। এ বাস্তবতায় সিপিডির পক্ষ থেকে মনে করা হয়েছে, এবারের নির্বাচনে মূলত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকেই বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

নির্বাচনী ইশতেহার বিশ্লেষণের বিষয়ে গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, সিপিডিসহ অন্যান্য থিংক ট্যাংকগুলো নির্বাচন সামনে রেখে সাধারণত ইশতেহার নিয়ে গভীর ও বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা করে থাকে। কী ধরনের ইশতেহার হওয়া উচিত, দলগুলোর ইশতেহারের মধ্যে কী ধরনের পার্থক্য রয়েছে এবং কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনুপস্থিত—এসব দিক তুলে ধরে।

মিডিয়া ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সিপিডির এ গবেষণায় সারা দেশের পরিবেশ ও দুর্যোগপ্রবণ ১৫০টি নির্বাচনী এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে ৪৫০ জন সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী এবং ১ হাজার ২০০ জন ভোটার অংশ নেন। জরিপের ফলাফলের মাধ্যমে নির্বাচনী এলাকায় ‘সবুজ সমাজ’ গঠনের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভোটারদের প্রত্যাশার চিত্র তুলে ধরা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কাঠামোগত দুর্বলতায় গণভোটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গণভোটের বিদ্যমান কাঠামো ও সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশের দুর্বলতার কারণে এর ফলাফল নিয়ে গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন উঠতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচনী এলাকায় ‘সবুজ সমাজের পরিস্থিতি ও প্রত্যাশা : প্রার্থী ও ভোটার জরিপের ফলাফল’ শীর্ষক এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সিপিডি পরিচালক।

গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন এবং ইশতেহার ঘোষণা করে ভোটারদের সামনে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন। একইসঙ্গে একটি কথা বলা জরুরি, জাতীয় নির্বাচন যেই অর্থে অন্তর্ভুক্তিমূলক হওয়া প্রয়োজন, বাস্তবে সেই অর্থে অন্তর্ভুক্তিমূলক বলা যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, গণভোটের কাঠামো ও অধ্যাদেশে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতার কারণে এর ফলাফল নিয়েও গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন থাকতে পারে। এ বাস্তবতায় সিপিডির পক্ষ থেকে মনে করা হয়েছে, এবারের নির্বাচনে মূলত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকেই বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

নির্বাচনী ইশতেহার বিশ্লেষণের বিষয়ে গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, সিপিডিসহ অন্যান্য থিংক ট্যাংকগুলো নির্বাচন সামনে রেখে সাধারণত ইশতেহার নিয়ে গভীর ও বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা করে থাকে। কী ধরনের ইশতেহার হওয়া উচিত, দলগুলোর ইশতেহারের মধ্যে কী ধরনের পার্থক্য রয়েছে এবং কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনুপস্থিত—এসব দিক তুলে ধরে।

মিডিয়া ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সিপিডির এ গবেষণায় সারা দেশের পরিবেশ ও দুর্যোগপ্রবণ ১৫০টি নির্বাচনী এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে ৪৫০ জন সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী এবং ১ হাজার ২০০ জন ভোটার অংশ নেন। জরিপের ফলাফলের মাধ্যমে নির্বাচনী এলাকায় ‘সবুজ সমাজ’ গঠনের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভোটারদের প্রত্যাশার চিত্র তুলে ধরা হয়।