ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

বিএনপির ইশতেহার যেভাবে দেখছে ভারতীয় গণমাধ্যম

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নিজেদের ইশতেহার ঘোষণা করেছে বিএনপি। গতকাল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় ইশতেহার প্রকাশ করেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি বিএনপির এ ইশতেহার বিশ্লেষণ করেছে। তারা বলেছে দলটি ইশতেহারে ‘ভারত-কেন্দ্রিক’ সমস্যাগুলোকে তাদের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে। যেমন বিএনপি ‘সীমান্ত হত্যা, ভারত থেকে পুশ-ইন, অমিমাংসিত পানি বণ্টনের’ বিষয়গুলোকে হাইলাইট করেছে।

এনডিটিভি বলেছে, বিএনপি বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ‘সমতা ও আত্মসম্মান’-এর ভিত্তিতে হবে বলে জানিয়েছে। এছাড়া তারা স্লোগান হিসেবে ‘বন্ধুকে হ্যাঁ, প্রভুকে না’-কে নিয়েছে। তারা বলেছে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না এবং নিজ দেশে বিদেশিদের হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না।

বিএনপি সীমান্তে হত্যা, পুশ-ইন এবং চোরাচালান ঠেকাতে ‘কঠোর অবস্থান’ নেওয়ার কথা বলেছে।

অপরদিকে নদীর পানি নিয়ে বিএনপি বলেছে, তিস্তা এবং পদ্মার মতো নদীর ‘ন্যায্য ভাগ’ আদায় করতে ‘কার্যকর ব্যবস্থা’ নেবে। এরমাধ্যমে বিএনপি দুই দেশের মধ্যেকার সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে চাপ সৃষ্টির নতুন মঞ্চ তৈরি করছে বলে উল্লেখ করেছে এনডিটিভি।

এর পাশাপাশি পানি এজেন্ডাকে অভ্যন্তরীণ উন্নয়নের লক্ষ্য, পদ্মা ব্যারেজ থেকে শুরু করে তিস্তা মহাপরিকল্পনাকে সমর্থন করা এবং যৌথ নদী কমিশনকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে বিএনপি। এই যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আলোচনা করে থাকে।

এনডিটিভি বলেছে, ভারতীয় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিএনপির ইশতেহারের ভাষা বলছে দলটি বাংলাদেশের আলোচনার ধরণে ভারসাম্য আনতে চাইবে। বিএনপি ভৌগলিক অখণ্ডতার দিকে ঝুঁকবে। কিন্তু একই সময় দুই দেশের মধ্যে— বিশেষ করে বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক প্লাটফর্মগুলোতে কার্যকরী সহযোগিতার দ্বার উন্মুক্ত রাখবে।

এছাড়া বিএনপি সার্ককে পুনর্জীবিত এবং আসিয়ানে সদস্যপদ পাওয়ার চেষ্টার কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করেছে। এতে করে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অপশন বিস্তৃত হবে এবং শুধুমাত্র একটি দেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে।

সূত্র: এনডিটিভি

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপির ইশতেহার যেভাবে দেখছে ভারতীয় গণমাধ্যম

আপডেট সময় : ০২:২১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নিজেদের ইশতেহার ঘোষণা করেছে বিএনপি। গতকাল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় ইশতেহার প্রকাশ করেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি বিএনপির এ ইশতেহার বিশ্লেষণ করেছে। তারা বলেছে দলটি ইশতেহারে ‘ভারত-কেন্দ্রিক’ সমস্যাগুলোকে তাদের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে। যেমন বিএনপি ‘সীমান্ত হত্যা, ভারত থেকে পুশ-ইন, অমিমাংসিত পানি বণ্টনের’ বিষয়গুলোকে হাইলাইট করেছে।

এনডিটিভি বলেছে, বিএনপি বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ‘সমতা ও আত্মসম্মান’-এর ভিত্তিতে হবে বলে জানিয়েছে। এছাড়া তারা স্লোগান হিসেবে ‘বন্ধুকে হ্যাঁ, প্রভুকে না’-কে নিয়েছে। তারা বলেছে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না এবং নিজ দেশে বিদেশিদের হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না।

বিএনপি সীমান্তে হত্যা, পুশ-ইন এবং চোরাচালান ঠেকাতে ‘কঠোর অবস্থান’ নেওয়ার কথা বলেছে।

অপরদিকে নদীর পানি নিয়ে বিএনপি বলেছে, তিস্তা এবং পদ্মার মতো নদীর ‘ন্যায্য ভাগ’ আদায় করতে ‘কার্যকর ব্যবস্থা’ নেবে। এরমাধ্যমে বিএনপি দুই দেশের মধ্যেকার সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে চাপ সৃষ্টির নতুন মঞ্চ তৈরি করছে বলে উল্লেখ করেছে এনডিটিভি।

এর পাশাপাশি পানি এজেন্ডাকে অভ্যন্তরীণ উন্নয়নের লক্ষ্য, পদ্মা ব্যারেজ থেকে শুরু করে তিস্তা মহাপরিকল্পনাকে সমর্থন করা এবং যৌথ নদী কমিশনকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে বিএনপি। এই যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আলোচনা করে থাকে।

এনডিটিভি বলেছে, ভারতীয় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিএনপির ইশতেহারের ভাষা বলছে দলটি বাংলাদেশের আলোচনার ধরণে ভারসাম্য আনতে চাইবে। বিএনপি ভৌগলিক অখণ্ডতার দিকে ঝুঁকবে। কিন্তু একই সময় দুই দেশের মধ্যে— বিশেষ করে বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক প্লাটফর্মগুলোতে কার্যকরী সহযোগিতার দ্বার উন্মুক্ত রাখবে।

এছাড়া বিএনপি সার্ককে পুনর্জীবিত এবং আসিয়ানে সদস্যপদ পাওয়ার চেষ্টার কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করেছে। এতে করে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অপশন বিস্তৃত হবে এবং শুধুমাত্র একটি দেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে।

সূত্র: এনডিটিভি