ঢাকা ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দিল্লির রাজপথে বিরোধীদের শক্তি প্রদর্শন, চাপে মোদি সরকার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন রামলীলা ময়দানের সমাবেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনীতিতে কী বার্তা দিচ্ছে? ২ নভেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? মাদরাসার গভর্নিং বডি বাতিলের সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি

শিক্ষা কখনো একতরফা নয়, হতে হবে সবার অংশগ্রহণে : শিক্ষা সচিব

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৫১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষা কখনো একতরফা নয়, বরং এটি সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে গড়ে উঠতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা সচিব এবং বাংলাদেশ জাতীয় ইউনেস্কো কমিশনের (বিএনসিইউ) সেক্রেটারি জেনারেল রেহানা পারভীন। 

তিনি বলেন, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, নীতিনির্ধারক ও সমাজের সব স্তরের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো শিক্ষা ব্যবস্থা গুণগত ও কার্যকর হতে পারে না।

আজ (শনিবার) আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস উপলক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রেহানা পারভীন বলেন, আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবসের মূল লক্ষ্য শান্তি ও টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূর করা। এ লক্ষ্য অর্জনে তরুণদের শক্তি ও সক্রিয় অংশগ্রহণের বিকল্প নেই। শিক্ষা কখনোই একতরফাভাবে আরোপিত বিষয় হওয়া উচিত নয়। বরং শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, নীতিনির্ধারক, সরকার, সুশীল সমাজ ও উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই শিক্ষা ব্যবস্থার নকশা ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন কাঠামোগত পরিবর্তন ও কল্যাণমূলক আন্দোলনে তরুণরা সবসময় নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তরুণরা শুধু সংখ্যায় নয়, অভিজ্ঞতার বৈচিত্র্যেও অত্যন্ত শক্তিশালী। সামাজিক ও পারিবারিক নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে গড়ে ওঠা এই তরুণ সমাজ যুগে যুগে দেশের মৌলিক পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিয়েছে।

শিক্ষা সচিব আরও বলেন, শিক্ষার গুণগত মান সরাসরি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের সঙ্গে যুক্ত। একই সঙ্গে এর প্রভাব পড়ে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের ওপর। তাই শিক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তা শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দদায়ক, বাস্তবসম্মত ও কার্যকর হয়। এতে আন্তঃপ্রজন্ম ব্যবধানও অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

তারুণ্যের সহজাত শক্তিকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে সহশিক্ষা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে রেহানা পারভীন বলেন, আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবসকে সহশিক্ষা কার্যক্রমভিত্তিক আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপন করায় বিএনসিইউ প্রশংসার দাবিদার। এতে শিক্ষার সব স্তরের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে তরুণদের জন্য একটি প্রগতিশীল ও মানুষকেন্দ্রিক চিন্তার পরিসর তৈরি করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশ্বে এখনো প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করে। বাংলাদেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে ১৯ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ এবং ৫ দশমিক ৬ শতাংশ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে। এসব বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে তরুণদের দায়িত্বশীল ও ইতিবাচক নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় ইউনেস্কো কমিশনের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল সারভীনা মনি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা ও বিএনসিইউ চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনেস্কোর হেড অব অফিস ও রিপ্রেজেন্টেটিভ টু বাংলাদেশ সুজান ভাইজ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লির রাজপথে বিরোধীদের শক্তি প্রদর্শন, চাপে মোদি সরকার

শিক্ষা কখনো একতরফা নয়, হতে হবে সবার অংশগ্রহণে : শিক্ষা সচিব

আপডেট সময় : ১২:৫১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

শিক্ষা কখনো একতরফা নয়, বরং এটি সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে গড়ে উঠতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা সচিব এবং বাংলাদেশ জাতীয় ইউনেস্কো কমিশনের (বিএনসিইউ) সেক্রেটারি জেনারেল রেহানা পারভীন। 

তিনি বলেন, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, নীতিনির্ধারক ও সমাজের সব স্তরের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো শিক্ষা ব্যবস্থা গুণগত ও কার্যকর হতে পারে না।

আজ (শনিবার) আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস উপলক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রেহানা পারভীন বলেন, আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবসের মূল লক্ষ্য শান্তি ও টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূর করা। এ লক্ষ্য অর্জনে তরুণদের শক্তি ও সক্রিয় অংশগ্রহণের বিকল্প নেই। শিক্ষা কখনোই একতরফাভাবে আরোপিত বিষয় হওয়া উচিত নয়। বরং শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, নীতিনির্ধারক, সরকার, সুশীল সমাজ ও উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই শিক্ষা ব্যবস্থার নকশা ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন কাঠামোগত পরিবর্তন ও কল্যাণমূলক আন্দোলনে তরুণরা সবসময় নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তরুণরা শুধু সংখ্যায় নয়, অভিজ্ঞতার বৈচিত্র্যেও অত্যন্ত শক্তিশালী। সামাজিক ও পারিবারিক নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে গড়ে ওঠা এই তরুণ সমাজ যুগে যুগে দেশের মৌলিক পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিয়েছে।

শিক্ষা সচিব আরও বলেন, শিক্ষার গুণগত মান সরাসরি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের সঙ্গে যুক্ত। একই সঙ্গে এর প্রভাব পড়ে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের ওপর। তাই শিক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তা শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দদায়ক, বাস্তবসম্মত ও কার্যকর হয়। এতে আন্তঃপ্রজন্ম ব্যবধানও অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

তারুণ্যের সহজাত শক্তিকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে সহশিক্ষা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে রেহানা পারভীন বলেন, আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবসকে সহশিক্ষা কার্যক্রমভিত্তিক আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপন করায় বিএনসিইউ প্রশংসার দাবিদার। এতে শিক্ষার সব স্তরের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে তরুণদের জন্য একটি প্রগতিশীল ও মানুষকেন্দ্রিক চিন্তার পরিসর তৈরি করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশ্বে এখনো প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করে। বাংলাদেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে ১৯ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ এবং ৫ দশমিক ৬ শতাংশ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে। এসব বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে তরুণদের দায়িত্বশীল ও ইতিবাচক নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় ইউনেস্কো কমিশনের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল সারভীনা মনি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা ও বিএনসিইউ চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনেস্কোর হেড অব অফিস ও রিপ্রেজেন্টেটিভ টু বাংলাদেশ সুজান ভাইজ।